ঢাকা ০৪:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

রসেও যেতে পারে জীবন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৭:৫৪:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২১
  • ২৪২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ করোনা মহামারি নিয়ে অতিষ্ট সবাই। এ দিকে পরবর্তী মহামারি নিপা ভাইরাসের কারণে হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। নিপা ভাইরাসে অসুস্থ প্রতি চার জনের মধ্যে তিন জনের মৃত্যু ঝুঁকি থাকে। আর খেজুরের রসে রেয়েছে এই ভাইরাসের ঝুঁকি।

নিপা ভাইরাস হলো এক ধরনের আরএনএ ভাইরাস, যা প্যারামিক্সোভিরিডি পরিবারের হেনিপাহ ভাইরাসের অর্ন্তগত। এই ভাইরাস প্রাণী থেকে প্রথমে মানুষের মধ্যে ছড়ায়, তারপর আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে আরেকজন আক্রান্ত হতে পারে। অর্থাৎ এই ভাইরাসের সংক্রমণের ধরন কিছুটা করোনা ভাইরাসের মতো। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সাধারণত বাদুড় বা শূকরের মাধ্যমে ভাইরাসটি মানবদেহে ছড়িয়ে পড়ে। যেমন বাদুড়ের লালা, মূত্রের সংস্পর্শে আসা কোনো ফল যদি কেউ খায়, তখন নিপা ভাইরাস তার দেহে প্রবেশ করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, খেজুর, পেয়ারা, আম বা লিচুর মতো ফল থেকে সংক্রমণ বেশি হতে পারে। কারণ, এই ফলগুলো বাদুড়ের প্রস্রাব বা লালার মাধ্যমে দূষিত হয়।

শীতকালে কাঁচা খেজুরের রসে নিপা ভাইরাস থাকার শঙ্কা প্রকাশ করেছেন একদল বিশেষজ্ঞ। খেজুরের রস সংগ্রহ করার জন্য গাছে যে হাঁড়ি বাধা হয়, ওই হাঁড়ি থেকে রাতে বাদুড় রস পান করে। ফলে খুব সহজেই বাদুড়ের লালা থেকে নিপাহ ভাইরাস হাঁড়ির রসে মিশে যেতে পারে। এমনকি বাদুড়ের প্রস্রাবের মাধ্যমেও ভাইরাসটি রসে মিশতে পারে। গবেষকরা বলছেন, নিপা ভাইরাস মিশ্রিত খেজুরের রস পান করলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু বা গুরুতর অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

এই ভাইরাস মানুষের মস্তিষ্কের প্রদাহ এবং শ্বাসতন্ত্রের রোগ সৃষ্টি করে। ভাইরাসটিতে সংক্রমিত হলে যেসব উপসর্গ দেখা দিতে পারে তা হলো ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো জ্বর, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, মাংসপেশিতে ব্যথা, বমি, গলাব্যথা, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, অচেতন হয়ে পড়া ইত্যাদি। অনেকে খিঁচুনিতেও আক্রান্ত হন। উপসর্গগুলো ১০ থেকে ১২ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে, যার সম্ভাব্য পরিণতি মৃত্যু।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

রসেও যেতে পারে জীবন

আপডেট টাইম : ০৭:৫৪:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ করোনা মহামারি নিয়ে অতিষ্ট সবাই। এ দিকে পরবর্তী মহামারি নিপা ভাইরাসের কারণে হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। নিপা ভাইরাসে অসুস্থ প্রতি চার জনের মধ্যে তিন জনের মৃত্যু ঝুঁকি থাকে। আর খেজুরের রসে রেয়েছে এই ভাইরাসের ঝুঁকি।

নিপা ভাইরাস হলো এক ধরনের আরএনএ ভাইরাস, যা প্যারামিক্সোভিরিডি পরিবারের হেনিপাহ ভাইরাসের অর্ন্তগত। এই ভাইরাস প্রাণী থেকে প্রথমে মানুষের মধ্যে ছড়ায়, তারপর আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে আরেকজন আক্রান্ত হতে পারে। অর্থাৎ এই ভাইরাসের সংক্রমণের ধরন কিছুটা করোনা ভাইরাসের মতো। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সাধারণত বাদুড় বা শূকরের মাধ্যমে ভাইরাসটি মানবদেহে ছড়িয়ে পড়ে। যেমন বাদুড়ের লালা, মূত্রের সংস্পর্শে আসা কোনো ফল যদি কেউ খায়, তখন নিপা ভাইরাস তার দেহে প্রবেশ করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, খেজুর, পেয়ারা, আম বা লিচুর মতো ফল থেকে সংক্রমণ বেশি হতে পারে। কারণ, এই ফলগুলো বাদুড়ের প্রস্রাব বা লালার মাধ্যমে দূষিত হয়।

শীতকালে কাঁচা খেজুরের রসে নিপা ভাইরাস থাকার শঙ্কা প্রকাশ করেছেন একদল বিশেষজ্ঞ। খেজুরের রস সংগ্রহ করার জন্য গাছে যে হাঁড়ি বাধা হয়, ওই হাঁড়ি থেকে রাতে বাদুড় রস পান করে। ফলে খুব সহজেই বাদুড়ের লালা থেকে নিপাহ ভাইরাস হাঁড়ির রসে মিশে যেতে পারে। এমনকি বাদুড়ের প্রস্রাবের মাধ্যমেও ভাইরাসটি রসে মিশতে পারে। গবেষকরা বলছেন, নিপা ভাইরাস মিশ্রিত খেজুরের রস পান করলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু বা গুরুতর অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

এই ভাইরাস মানুষের মস্তিষ্কের প্রদাহ এবং শ্বাসতন্ত্রের রোগ সৃষ্টি করে। ভাইরাসটিতে সংক্রমিত হলে যেসব উপসর্গ দেখা দিতে পারে তা হলো ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো জ্বর, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, মাংসপেশিতে ব্যথা, বমি, গলাব্যথা, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, অচেতন হয়ে পড়া ইত্যাদি। অনেকে খিঁচুনিতেও আক্রান্ত হন। উপসর্গগুলো ১০ থেকে ১২ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে, যার সম্ভাব্য পরিণতি মৃত্যু।