,

i-samakal-5f6f1ff432106

বঙ্গবন্ধুর প্রতি সারা পৃথিবীর মানুষের শ্রদ্ধাবোধ প্রতিজন বাঙালির জন্য গর্ব – টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বঙ্গবন্ধুর প্রতি সারা পৃথিবীর মানুষের শ্রদ্ধাবোধ প্রতিজন বাঙালির জন্য গর্ব করার বিষয় বলেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন বঙ্গবন্ধু কেবল বাঙালি ও বাংলা ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই করেননি, তিনি সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দূরদৃষ্টিসম্পন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন শুরু করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় টেলিযোগাযোগ খাতে তার হাত দিয়েই শুরু হয়েছিলো বৈপ্লবিক পরিবর্তন। দূরদৃষ্টি সম্পন্ন নেতৃত্বের জন্য সারা পৃথিবী বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে অবিচ্ছেদ্য হিসেবে চিহ্নিত করেছে ।

মন্ত্রী আজ ঢাকায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বঙ্গবন্ধুর দূরদির্শতা শীর্ষক টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তর আয়োজিত অনলাইন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ কামরুজ্জামান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মোঃ খলিলুর রহমান, বিটিআরসি ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের যুগ্ন-সচিব মোঃ আব্দুল হান্নান, বিটিসিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. রফিকুল মতিন, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মশিউর রহমান এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ সাহাব উদ্দিন অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সঞ্জীব ঘটক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংযোগসহ টেলিযোগাযোগ খাতে বঙ্গবন্ধুর অবদানকে ডিজিটাল বাংলাদেশের ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, টিএন্ডটি বোর্ড গঠন, বেতবুনিয়ায় ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন উপগ্রহ ভূ- কেন্দ্র স্থাপন, ১৯৭৩ সালে আইটিইউ এবং ইউপিইউ-এর সদস্য পদ অর্জনের মধ্য দিয়ে ইন্টারনেটভিত্তিক তৃতীয় শিল্প বিপ্লবে অংশ গ্রহণের যাত্রা বঙ্গবন্ধু শুরু করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় রোপিত হয় ডিজিটাল বাংলাদেশের বীজ। পঁচাত্তর পরবর্তী অপশক্তির ২১ বছরেরর পশ্চাদপদতা ও জঞ্জাল অপসারণ করে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত দেশে ডিজিটাল সংযোগ ও প্রযুক্তি বিকাশের অভিযাত্রা শুরু হয়। সে সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কম্পিউটারের ওপর ভ্যাট-ট্যাক্স প্রত্যাহার, চারটি মোবাইল ফোনের লাইসেন্স প্রদান, ভিস্যাটের মাধ্যমে ইন্টারনেট চালুসহ ডিজিটাল সংযুক্তি ও প্রযুক্তি বিকাশে যুগান্তকারী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেন।

এর ফলে বঙ্গবন্ধুর রোপন করা ডিজিটাল বাংলাদেশের বীজটি বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য উত্তরসূরির সূদুরপ্রসারী চিন্তার ফলে চারা গাছে রূপান্তর লাভ করে। ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশের অগ্রদূত মোস্তাফা জব্বার বলেন, ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি ধারবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে গত ১৩ বছরে ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ মহিরূহে পরিণত হয়েছে। এই কর্মসূচি পৃথিবীর কাছে বাংলাদেশ এক নতুন পরিচয়ে আত্ম প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের প্রতিটি সূচকে অভাবনীয় সফলতা অর্জন করেছে বলে উল্লেখ করেন মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন, পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশ থেকে ডিজিটাল সংযুক্তি বিকাশে বাংলাদেশ এগিয়ে আছে। পৃথিবীর অনেক দেশ যেখানে ফাইভ-জি প্রযুক্তির কথা ভাবতেই পারেনি সেখানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব আহমেদ ওয়াজেদ-জয়-এর দিকনির্দেশনায় আগামী ১২ ডিসেম্বর ফাইভ-জি যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব বলেন, টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর অবদান পাথেয় হয়ে থাকবে। মূল প্রবন্ধে টেলিযোগাযোগ খাতে উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর অবদান সবিস্তারে তুলে ধরা হয়।

#

 

Print Friendly, PDF & Email

     এ ক্যাটাগরীর আরো খবর