,

image-285543-1634958614

চীনের আক্রমণ থেকে তাইওয়ানকে রক্ষা করবে যুক্তরাষ্ট্র: বাইডেন

হাওর বার্তা ডেস্কঃ তাইওয়ান প্রসঙ্গে চীনের প্রতি নরম মনোভাব দেখাতে রাজি নয় যুক্তরাষ্ট্র। জো বাইডেন প্রশাসন জানিয়ে দিয়েছে, চীন যদি তাইওয়ানের উপর হামলা চালায়, তাহলে এই দ্বীপ রাষ্ট্রটিকে রক্ষা করবে মার্কিন প্রশাসন। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তাইওয়ানের পক্ষ অবলম্বন করে এমন মন্তব্য করেছেন সিএনএন টাউন হলের এক অনুষ্ঠানে।

সেই অনুষ্ঠানে বাইডেনকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে যুক্তরাষ্ট্র কি তাইওয়ানকে রক্ষা করবে? এর জবাবে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, এটা করার জন্যই আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ পরে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র বলেছেন প্রেসিডেন্ট তার নীতিতে কোনও পরিবর্তন করেননি। অন্যদিকে তাইওয়ান বলেছে, এই ইস্যুতে তাদের নিজেদের অবস্থানের পরিবর্তন ঘটাবে না।

তাইওয়ানকে নিজেদের একটি প্রদেশে হিসাবে গণ্য করে আসছে চীন। একই সঙ্গে চীনের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে তাইওয়ানকে যুক্ত করার প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছে চীন। জিন পিং প্রশাসন বলেছে, যদি প্রয়োজন হয় তাহলে সমস্ত শক্তি প্রয়োগ করে তাইওয়ানকে চীনের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। কিন্তু তাইওয়ান নিজেদেরকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে দাবি করে আসছে। তাইওয়ানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনও আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। যদিও মার্কিন সরকার তাইওয়ানকে অস্ত্র বিক্রি করে থাকে। এটা করা হয় তাইওয়ান রিলেশন্স অ্যাক্ট-এর অধীনে। এতে বলা হয়েছে তাইওয়ানকে তার আত্মরক্ষায় সাহায্য করবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র জাভিয়ের চেং বলেছেন, ‘তাইওয়ান তার নিজের আত্মরক্ষা নিশ্চিত করবে।

কিছুদিন ধরে চীন এবং তাইওয়ান এর মধ্যে উত্তেজনা তীব্র হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি তাইওয়ানের আকাশ-প্রতিরক্ষা জোনে চীনের কমপক্ষে ১৫০ টি যুদ্ধবিমান মহড়া দিয়েছে। এরপর থেকে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে উঠেছে। এসব নিয়েও এদিন জো বাইডেনের উপস্থিতিতে টাউনহল আলোচনা হয়। সেখানে প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, ‘চীনের সঙ্গে ইচ্ছাকৃত একটি যুদ্ধ নিয়ে উদ্বিগ্ন নয় আমেরিকা। চীন অধিক শক্তিশালী কিনা এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। কারণ চীন, রাশিয়া এবং বাকি বিশ্ব জানে বিশ্বের সামরিক ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী কোন দেশ।

 

Print Friendly, PDF & Email

     এ ক্যাটাগরীর আরো খবর