,

1632714732_jarmani

মেরকেলের দল হেরে যাচ্ছে জার্মান নির্বাচনে

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জার্মানির নির্বাচনে বিদায়ী চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মেরকেলের দল হেরে যাচ্ছে বলে পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে। স্থানীয় সময় রাত ৯টা ১০ মিনিটে প্রকাশিত সাময়িক ফলে দেখা যাচ্ছে, এসপিডি মেরকেলের সিডিইউ/সিএসইউ দলের চেয়ে ১.২ শতাংশ ভোটে এগিয়ে আছে৷ এই ফলে দেখা যাচ্ছে এসপিডি (২৫.৭ শতাংশ), সিডিইউ/সিএসইউ (২৪.৫ শতাংশ), সবুজ দল (১৪.৩ শতাংশ), এফডিপি (১১.৫ শতাংশ), অভিবাসনবিরোধী এএফডি (১০.৫ শতাংশ), বাম দল (৫ শতাংশ) ও অন্যান্য (৮.৫ শতাংশ) ভোট পেয়েছে৷

এর আগে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ছয়টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর প্রকাশিত বুথ ফেরত সমীক্ষার ফলাফলে দেখা গিয়েছিল সিডিইউ/সিএসইউ দল এবং এসপিডি ২৫ শতাংশ করে ভোট পেতে যাচ্ছে৷ সবুজ দল পেতে যাচ্ছে ১৫ শতাংশ ভোট৷ ২০১৭ সালের নির্বাচনের তুলনায় এসপিডি প্রায় সাড়ে চার শতাংশ ভোট বেশি পেয়েছে৷ সবুজ দলের ভোট বেড়েছে ছয় শতাংশের বেশি৷ চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মেরকেলের সিডিইউ দলের ভোট কমেছে প্রায় আট শতাংশ৷

এসপিডির চ্যান্সেলর প্রার্থী ওলাফ শলৎস বলেছেন, ভোটাররা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তারা তাকে ‘পরবর্তী চ্যান্সেলর’ হিসেবে চান৷

সিডিইউ/সিএসইউর চ্যান্সেলর প্রার্থী আরমিন লাশেট বলেছেন, খারাপ ফল সত্ত্বেও একটি নতুন সরকার গঠনের জন্য ‘আমরা যতটুকু পারি’ চেষ্টা করে যাব৷ ‘নির্বাচনের এমন ফলে আমরা সন্তুষ্ট হতে পারি না,’ সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন তিনি৷ লাশেট বলেন, ‘আমরা রক্ষণশীলদের নেতৃত্বে একটি সরকার গঠনের চেষ্টা চালিয়ে যাব কারণ জার্মানদের এখন এমন জোট প্রয়োজন যেটা আমাদের দেশের আধুনিকায়নের জন্য দরকার৷’

সবুজ দলের চ্যান্সেলর প্রার্থী আনালেনা বেয়ারবক বলেন গত নির্বাচনের চেয়ে ভোট বাড়লেও তার দল প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল পায়নি৷ ‘আমরা আরো চেয়েছিলাম৷ আমরা তা পাইনি৷ এর একটা কারণ প্রচারণার শুরুতে আমরা কিছু ভুল করেছিলাম- আমারও ভুল ছিল,’ সমর্থকদের বলেন তিনি৷

সারাদিনের চিত্র

স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়৷ চলে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত৷ আট কোটি মানুষের এই দেশে ভোটারের সংখ্যা প্রায় ছয় কোটি৷

ভোটাররা দু’টি করে ভোট দিয়েছেন৷ একটি ভোট সরাসরি প্রার্থী নির্বাচনের, অপরটি পছন্দের দলকে৷ দ্বিতীয় তালিকায় দলীয় সমর্থনের অনুপাতের ভিত্তিতে সংসদে অর্ধেক আসনে প্রার্থী স্থির করা হয়৷ তবে কে চ্যান্সেলর হতে যাচ্ছেন তা আজই নির্ধারিত হবে না৷ পার্লামেন্টের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা চ্যান্সেলর নির্বাচিত করবেন৷

২৯৯টি সংসদীয় এলাকায় সরাসরি নির্বাচন হয়েছে৷ অন্য আসনগুলো দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাত অনুযায়ী মীমাংসিত হয়৷ নিয়ম অনুযায়ী, দলগুলো তাদের ভোটপ্রাপ্তির সংখ্যাতত্ত্বের ওপর ভিত্তি করেও মনোনীত প্রার্থীদের পার্লামেন্টে পাঠাতে পারে৷ কোনো দল ৫ শতাংশের কম ভোট পেলে পার্লামেন্টে যাওয়ার গ্রহণযোগ্যতা হারাবে৷

এবারের নির্বাচনে ৪৭টি দল ৬ হাজার ২১১ জন প্রার্থী দিয়েছে৷ ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ছয় হাজার৷
সূত্র : ডয়চে ভেলে

Print Friendly, PDF & Email

     এ ক্যাটাগরীর আরো খবর