ঢাকা ১০:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শুধু পাঠ্যবই নয়, খেলাধুলাতেও পারদর্শী হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী দেশের শীর্ষ ব্যবসায়িদের উপস্থিতিতে যে আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর বিতর্ক চর্চাকে শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে আগ্রহী তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ কোথায় যাবে, তা অন্য রাষ্ট্র নির্ধারণ করবে না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতায় ভিভো হরমুজ প্রণালি বন্ধে ইরানের ঘোষণার পর সতর্ক মার্কিন বাহিনী হাওরের কৃষকদের সাড়ে ৭ হাজার টাকা সহায়তা দেবে সরকার হাওরে দুর্যোগ : কী হবে বিচার চাহিয়া বন্ধু আর আব্বুকে নিয়ে ব্রাজিলের খেলা দেখতেই বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় এসেছি ৪৫ দিন কলা খেলে কী ঘটে শরীরে

এই গ্রামের বাসিন্দা হলেই পাবেন ২৮ লাখ টাকা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:২১:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জুলাই ২০২১
  • ২৩১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জীবিকার তাগিদে মানুষ ছুটছে ইট পাথরের শহরের দিকে। উন্নত জীবনযাপনের কাছে এখন সুস্থ জীবনযাপনের কথা চিন্তা করার সময় নেই কারো। বিশ্বের সব দেশেই এখন একই চিত্র। তবে একটা সময় ছবির মতো সুন্দর বাড়ির। যেখানে চারদিকে সবুজ পাহাড় ও তার মাঝে সাজানো-গোছানো সারি সারি ভবন ও পথঘাট। পাশেই কোনো লেক কিংবা নদী থাকে। আপনার এই স্বপ্ন পূরণ করার সুবর্ণ সুযোগ দিচ্ছে ইতালি।

একই সঙ্গে পাবেন দুটি সুবিধা। একদিকে গ্রামের সবুজ পরিবেশে নিজেকে সতেজ করা। অন্যদিকে দেশটির সরকার আপনাকে দেবে বিপুল পরিমাণ অর্থ! ইতালির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ক্যালাবরিয়া অঞ্চলে অবিশ্বাস্য এই সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে এক্ষেত্রে সেখানে গিয়ে আগে আপনাকে রেস্তোরাঁ বা দোকান খুলতে হবে এবং আবাস গড়ে তুলতে হবে। তাহলেই সরকারের পক্ষ থেকে তিন বছরে ৩৩ হাজার মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৮ লাখ টাকা) পাওয়া যাবে।

টাকা পেতে আপনাকে পূরণ করতে হবে তাদের দেয়া শর্ত

টাকা পেতে আপনাকে পূরণ করতে হবে তাদের দেয়া শর্ত

মূলত অঞ্চলটির গ্রামগুলোতে জনসংখ্যা দ্রুত কমছে এবং ইতিমধ্যে অনেক গ্রাম জনশূন্য হয়ে পড়েছে। তাই বাহির থেকে মানুষ নিয়ে গিয়ে গ্রামগুলোর জীবন ও আর্থিক কাঠামো সচল রাখতেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সিভিতা, বোভা, আলবিদোনা, সান্তা সেভেরিনা, সান দোনাতো দ্য নিয়েনাসহ ওই অঞ্চলের বেশ কয়েকটি গ্রাম আপনাকে এই সুযোগ দিতে যাচ্ছে। বিশেষ করে তরুণদের আকৃষ্ট করতে এই পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

শর্তের মধ্যে বলা হয়েছে, সরকারের অনুমতি পাওয়ার তিন মাসের মধ্যেই আবেদনকারীকে সেখানে যেতে হবে। এরপর রেস্তোরাঁ, বার, দোকান কিংবা খামার চালুর মাধ্যমে আবাস গড়ে তুলতে হবে। তাহলেই প্রতি মাসে ৮০০ থেকে ১ হাজার ইউরো প্রণোদনা মিলবে। রিজিওনাল কাউন্সিলর জিয়ানলুকা গ্যাল্লো জানান, উদ্যোগটি সফল হলে আগামী বছরগুলোয় এমন আরও আকর্ষণীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। গত বছরও এমন সুযোগ পেয়েছে সে দেশের মানুষ। মাত্র ১০০ টাকায় বাড়ি কেনার সুযোগ ছিল তাদের। বাংলাদেশি টাকায় ১০০ টাকা। যা ইউরো হিসেবে মাত্র ১ ইউরো।

শর্ত অনুযায়ী এখানে আপনাকে প্রথমেই রেস্তোরাঁ কিংবা দোকান খুলতে হবে এরপর স্থায়ী বসতি গড়তে হবে

শর্ত অনুযায়ী এখানে আপনাকে প্রথমেই রেস্তোরাঁ কিংবা দোকান খুলতে হবে এরপর স্থায়ী বসতি গড়তে হবে

সৈকতের ধারে পাহাড়ের উপরে ছোট্ট এক বাড়িতে প্রিয়জনের সঙ্গে জীবন কাটাবেন এমন স্বপ্ন অনেকেই দেখেন। কিন্তু সাধ থাকলেও সাধ্যের মধ্যে তা হয়ে ওঠে না।  নাম মাত্র দামে ইতালির দক্ষিণে মলিস অঞ্চলে এক ইউরো খরচ করলেই আস্ত একটা বাড়ি মালিক হয়েছেন অনেকে। এই সব কিছুর পেছনে একটাই উদ্দেশ্য তা হচ্ছে- গ্রামগুলোকে পরিত্যক্ত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করা।

তবে এসব জায়গায় থাকার রয়েছে নানান অসুবিধা। যেমন- গ্রামের রাস্তাগুলো খুবই সংকীর্ণ তাই গাড়ি নিয়ে চলাচলের সুযোগ নেই। বাড়িগুলো এতো জরাজীর্ণ যে যে কোন মুহূর্তে তা ধসে পড়তে পারে। তাই সংস্কার ছাড়া বাড়িগুলোতে বসবাসের কোনো সুযোগ নেই। তবে একসময় এগুলো ছিল জমজমাট জায়গা।

ইতালির এমন বেশ কিছু শহরে জনসংখ্যা কমছে। নতুন প্রজন্ম সব বড় শহরে চলে যাচ্ছে। ফলে খালি হয়ে পড়ে থাকছে ছোট শহরের বাড়িগুলো। পুরনো বাড়ির জন্য কেউ কর দিতেও রাজি হচ্ছেন না। ফলে বাধ্য হয়ে বাসিন্দাদের পড়ে থাকা পুরনো, পরিত্যক্ত বাড়িগুলো নিলামে তুলতে হচ্ছে প্রশাসনকে। তবে এতশত অফারেও মিলছে না আশানুরূপ ফলাফল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শুধু পাঠ্যবই নয়, খেলাধুলাতেও পারদর্শী হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

এই গ্রামের বাসিন্দা হলেই পাবেন ২৮ লাখ টাকা

আপডেট টাইম : ০৪:২১:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জুলাই ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জীবিকার তাগিদে মানুষ ছুটছে ইট পাথরের শহরের দিকে। উন্নত জীবনযাপনের কাছে এখন সুস্থ জীবনযাপনের কথা চিন্তা করার সময় নেই কারো। বিশ্বের সব দেশেই এখন একই চিত্র। তবে একটা সময় ছবির মতো সুন্দর বাড়ির। যেখানে চারদিকে সবুজ পাহাড় ও তার মাঝে সাজানো-গোছানো সারি সারি ভবন ও পথঘাট। পাশেই কোনো লেক কিংবা নদী থাকে। আপনার এই স্বপ্ন পূরণ করার সুবর্ণ সুযোগ দিচ্ছে ইতালি।

একই সঙ্গে পাবেন দুটি সুবিধা। একদিকে গ্রামের সবুজ পরিবেশে নিজেকে সতেজ করা। অন্যদিকে দেশটির সরকার আপনাকে দেবে বিপুল পরিমাণ অর্থ! ইতালির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ক্যালাবরিয়া অঞ্চলে অবিশ্বাস্য এই সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে এক্ষেত্রে সেখানে গিয়ে আগে আপনাকে রেস্তোরাঁ বা দোকান খুলতে হবে এবং আবাস গড়ে তুলতে হবে। তাহলেই সরকারের পক্ষ থেকে তিন বছরে ৩৩ হাজার মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৮ লাখ টাকা) পাওয়া যাবে।

টাকা পেতে আপনাকে পূরণ করতে হবে তাদের দেয়া শর্ত

টাকা পেতে আপনাকে পূরণ করতে হবে তাদের দেয়া শর্ত

মূলত অঞ্চলটির গ্রামগুলোতে জনসংখ্যা দ্রুত কমছে এবং ইতিমধ্যে অনেক গ্রাম জনশূন্য হয়ে পড়েছে। তাই বাহির থেকে মানুষ নিয়ে গিয়ে গ্রামগুলোর জীবন ও আর্থিক কাঠামো সচল রাখতেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সিভিতা, বোভা, আলবিদোনা, সান্তা সেভেরিনা, সান দোনাতো দ্য নিয়েনাসহ ওই অঞ্চলের বেশ কয়েকটি গ্রাম আপনাকে এই সুযোগ দিতে যাচ্ছে। বিশেষ করে তরুণদের আকৃষ্ট করতে এই পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

শর্তের মধ্যে বলা হয়েছে, সরকারের অনুমতি পাওয়ার তিন মাসের মধ্যেই আবেদনকারীকে সেখানে যেতে হবে। এরপর রেস্তোরাঁ, বার, দোকান কিংবা খামার চালুর মাধ্যমে আবাস গড়ে তুলতে হবে। তাহলেই প্রতি মাসে ৮০০ থেকে ১ হাজার ইউরো প্রণোদনা মিলবে। রিজিওনাল কাউন্সিলর জিয়ানলুকা গ্যাল্লো জানান, উদ্যোগটি সফল হলে আগামী বছরগুলোয় এমন আরও আকর্ষণীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। গত বছরও এমন সুযোগ পেয়েছে সে দেশের মানুষ। মাত্র ১০০ টাকায় বাড়ি কেনার সুযোগ ছিল তাদের। বাংলাদেশি টাকায় ১০০ টাকা। যা ইউরো হিসেবে মাত্র ১ ইউরো।

শর্ত অনুযায়ী এখানে আপনাকে প্রথমেই রেস্তোরাঁ কিংবা দোকান খুলতে হবে এরপর স্থায়ী বসতি গড়তে হবে

শর্ত অনুযায়ী এখানে আপনাকে প্রথমেই রেস্তোরাঁ কিংবা দোকান খুলতে হবে এরপর স্থায়ী বসতি গড়তে হবে

সৈকতের ধারে পাহাড়ের উপরে ছোট্ট এক বাড়িতে প্রিয়জনের সঙ্গে জীবন কাটাবেন এমন স্বপ্ন অনেকেই দেখেন। কিন্তু সাধ থাকলেও সাধ্যের মধ্যে তা হয়ে ওঠে না।  নাম মাত্র দামে ইতালির দক্ষিণে মলিস অঞ্চলে এক ইউরো খরচ করলেই আস্ত একটা বাড়ি মালিক হয়েছেন অনেকে। এই সব কিছুর পেছনে একটাই উদ্দেশ্য তা হচ্ছে- গ্রামগুলোকে পরিত্যক্ত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করা।

তবে এসব জায়গায় থাকার রয়েছে নানান অসুবিধা। যেমন- গ্রামের রাস্তাগুলো খুবই সংকীর্ণ তাই গাড়ি নিয়ে চলাচলের সুযোগ নেই। বাড়িগুলো এতো জরাজীর্ণ যে যে কোন মুহূর্তে তা ধসে পড়তে পারে। তাই সংস্কার ছাড়া বাড়িগুলোতে বসবাসের কোনো সুযোগ নেই। তবে একসময় এগুলো ছিল জমজমাট জায়গা।

ইতালির এমন বেশ কিছু শহরে জনসংখ্যা কমছে। নতুন প্রজন্ম সব বড় শহরে চলে যাচ্ছে। ফলে খালি হয়ে পড়ে থাকছে ছোট শহরের বাড়িগুলো। পুরনো বাড়ির জন্য কেউ কর দিতেও রাজি হচ্ছেন না। ফলে বাধ্য হয়ে বাসিন্দাদের পড়ে থাকা পুরনো, পরিত্যক্ত বাড়িগুলো নিলামে তুলতে হচ্ছে প্রশাসনকে। তবে এতশত অফারেও মিলছে না আশানুরূপ ফলাফল।