ঢাকা ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

ফের কুড়িগ্রামে বন্যা পানিবন্দী ৩০ হাজার মানুষ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:২৪:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • ৩১২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কুড়িগ্রামে গত কয়েক দিনের বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে ধরলা নদীর পানি অস্বাভাবিক গতিতে বেড়ে আবারও বন্যা দেখা দিয়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে ৩০ হাজার মানুষ। খবর ইউএনবি’র।

ধরলা নদীর পানি বিপদ সীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বাড়ার কারণে কুড়িগ্রাম সদর, রাজারহাট, ফুলবাড়ী ও উলিপুর উপজেলার প্রায় অর্ধশত চর প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার শত শত একর আমন খেত ডুবে গেছে।

সদর উপজেলার সারডোব বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ৩০ মিটার অংশ ভেঙে অন্তত ১০ গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া তীব্র ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে মোঘলবাসা এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। তিস্তার ভাঙন চলছে বজরা থেতরাইসহ কয়েকটি এলাকায়। এসব এলাকায় গত দুই দিনে শতাধিক পরিবার ভিটেমাটি হারিয়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম জানান, উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় আগামী ২-৩ দিন পানি আরও বাড়তে পারে।

নদী ভাঙন প্রতিরোধে বিভিন্ন এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের অধিকার আদায়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না: জামায়াত আমির

ফের কুড়িগ্রামে বন্যা পানিবন্দী ৩০ হাজার মানুষ

আপডেট টাইম : ০২:২৪:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কুড়িগ্রামে গত কয়েক দিনের বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে ধরলা নদীর পানি অস্বাভাবিক গতিতে বেড়ে আবারও বন্যা দেখা দিয়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে ৩০ হাজার মানুষ। খবর ইউএনবি’র।

ধরলা নদীর পানি বিপদ সীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বাড়ার কারণে কুড়িগ্রাম সদর, রাজারহাট, ফুলবাড়ী ও উলিপুর উপজেলার প্রায় অর্ধশত চর প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার শত শত একর আমন খেত ডুবে গেছে।

সদর উপজেলার সারডোব বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ৩০ মিটার অংশ ভেঙে অন্তত ১০ গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া তীব্র ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে মোঘলবাসা এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। তিস্তার ভাঙন চলছে বজরা থেতরাইসহ কয়েকটি এলাকায়। এসব এলাকায় গত দুই দিনে শতাধিক পরিবার ভিটেমাটি হারিয়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম জানান, উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় আগামী ২-৩ দিন পানি আরও বাড়তে পারে।

নদী ভাঙন প্রতিরোধে বিভিন্ন এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।