ঢাকা ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

৯.৫ ওভারেই সাকিবদের সেমিফাইনাল নিশ্চিত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫৬:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৫
  • ৪৮৩ বার

সিলেট সুপার স্টার্সকে হারিয়ে চলমান বিপিএলে সেমিফাইনাল খেলা নিশ্চিত করছেন সাকিব আল হাসানের রংপুর রাইডার্স। সিলেটের ছুয়ে দেওয়া ৬০ রানের টার্গেট ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৯ ওভার ৫ ভল খেলে জয়ে বন্দরে পৌছে যান সাকিবরা। এ জয় তুলতে তাদের খরচ হয়েছে মাত্র দুইটি উইকেট। সোমবার মিরপুর শেরে-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে করতে যায় সিলেট। ব্যাটিংয়ে গিয়ে রংপুর রাইডার্সের স্পিনারদের দাপটে মাত্র ৫৯ রানেই অলআউট হয়ে যায় সিলেট সুপারস্টার্স। যা বিপিএলে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রানের লজ্জাজনক রেকর্ড। শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে সিলেট সুপার স্টার্স। বিপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের বিরুদ্ধে ৩০ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় শহীদ আফ্রিদি শিবির। শেষ পর্যন্ত এই অবস্থা থেকে উঠে দাঁড়াতে পারেনি তারা। মাত্র ১১.৫ ওভারে ৫৯ রানে গুটিয়ে যায় সিলেটের ইনিংস। দলীয় এক রানের মাথায় বিদায় নেন মুনাবিরা। পাঁচ বলে শূন্য রান করা মুনাবিরা সরাসরি বোল্ড হন আরাফাত সানির বলে। এরপর আরেক ওপেনার জুনাইদ সিদ্দিকীর বিদায়। এবারও বোলার রংপুরের আরাফাত সানি। নিজের বলে নিজেই ক্যাচ ধরে সাজঘরে ফেরত পাঠান ৬ বলে ৫ রান করা জুনাইদকে। কিছু বুঝে উঠার আগেই বিদায় নেন মুশফিকও। ১০ বলে ৯ রান করেন তিনি। এবারও উইকেট শিকারী সেই আরাফাত সানি। দলীয় রান তখন ২৪। এরপর এক রান যোগ হতেই সাকিব আল হাসানের আঘাত। বিদায় করেন ১০ বলে ৮ রান করা নূরুল হাসানকে। বোপারাকে নিয়ে ইনিংস মেরামতের কাজে নেমেছিলেন সিলেট অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি। সেই বুমবুম খ্যাত অলরাউন্ডার ক্রিজে ধাতস্থ হতে পারেননি। সাকিব আল হাসানকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে স্ট্যাম্পিংয়ের শিকার আফ্রিদি। তিন বলে তিনি করেছেন মাত্র চার রান। এরপর দলীয় স্কোরে এক রান যোগ হতেই বিদায় নেন নাজমুল হোসেন মিলন। তিন বলে শূন্য রান করে তিনি ফেরেন আরাফাত সানির বলে বোল্ড হয়ে। ৩০ রানের মধ্যে ছয় উইকেট হারিয়ে বলতে গেলে মহা বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে সিলেট সুপার স্টার্স। এরপর আর ঘুঁড়ে দাড়াতে পারেনি সিলেট। একমাত্র পাকিস্তানী পেসার সোহেল তানভীর ছাড়া বাকিরা ছিলেন যাওয়া আসার মিছিলে। ১৭ বলে ২০ রান করেন তানভীর। এটাই সিলেটের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। বাকিদের মধ্যে কেউই দুই অংকের রান ছুতে পারেনি। শেষের দিকে বোপারা ৫, রাজ্জাক ৪, রুবেল শূন্য রানে আউট হন। রংপুরের হয়ে ১৪ রানে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন স্পিনার আরাফাত সানি। তিন উইকেট নেন আফগানিস্তানের মোহাম্মদ নবী। সাকিব দুটি ও পেরেইরা নেন একটি করে উইকেট।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মিঠামইনে বিএনপি সভাপতি হত্যা: যুবদল আহ্বায়ক নৌশাদ গ্রেপ্তার

৯.৫ ওভারেই সাকিবদের সেমিফাইনাল নিশ্চিত

আপডেট টাইম : ১১:৫৬:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৫

সিলেট সুপার স্টার্সকে হারিয়ে চলমান বিপিএলে সেমিফাইনাল খেলা নিশ্চিত করছেন সাকিব আল হাসানের রংপুর রাইডার্স। সিলেটের ছুয়ে দেওয়া ৬০ রানের টার্গেট ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৯ ওভার ৫ ভল খেলে জয়ে বন্দরে পৌছে যান সাকিবরা। এ জয় তুলতে তাদের খরচ হয়েছে মাত্র দুইটি উইকেট। সোমবার মিরপুর শেরে-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে করতে যায় সিলেট। ব্যাটিংয়ে গিয়ে রংপুর রাইডার্সের স্পিনারদের দাপটে মাত্র ৫৯ রানেই অলআউট হয়ে যায় সিলেট সুপারস্টার্স। যা বিপিএলে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রানের লজ্জাজনক রেকর্ড। শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে সিলেট সুপার স্টার্স। বিপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের বিরুদ্ধে ৩০ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় শহীদ আফ্রিদি শিবির। শেষ পর্যন্ত এই অবস্থা থেকে উঠে দাঁড়াতে পারেনি তারা। মাত্র ১১.৫ ওভারে ৫৯ রানে গুটিয়ে যায় সিলেটের ইনিংস। দলীয় এক রানের মাথায় বিদায় নেন মুনাবিরা। পাঁচ বলে শূন্য রান করা মুনাবিরা সরাসরি বোল্ড হন আরাফাত সানির বলে। এরপর আরেক ওপেনার জুনাইদ সিদ্দিকীর বিদায়। এবারও বোলার রংপুরের আরাফাত সানি। নিজের বলে নিজেই ক্যাচ ধরে সাজঘরে ফেরত পাঠান ৬ বলে ৫ রান করা জুনাইদকে। কিছু বুঝে উঠার আগেই বিদায় নেন মুশফিকও। ১০ বলে ৯ রান করেন তিনি। এবারও উইকেট শিকারী সেই আরাফাত সানি। দলীয় রান তখন ২৪। এরপর এক রান যোগ হতেই সাকিব আল হাসানের আঘাত। বিদায় করেন ১০ বলে ৮ রান করা নূরুল হাসানকে। বোপারাকে নিয়ে ইনিংস মেরামতের কাজে নেমেছিলেন সিলেট অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি। সেই বুমবুম খ্যাত অলরাউন্ডার ক্রিজে ধাতস্থ হতে পারেননি। সাকিব আল হাসানকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে স্ট্যাম্পিংয়ের শিকার আফ্রিদি। তিন বলে তিনি করেছেন মাত্র চার রান। এরপর দলীয় স্কোরে এক রান যোগ হতেই বিদায় নেন নাজমুল হোসেন মিলন। তিন বলে শূন্য রান করে তিনি ফেরেন আরাফাত সানির বলে বোল্ড হয়ে। ৩০ রানের মধ্যে ছয় উইকেট হারিয়ে বলতে গেলে মহা বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে সিলেট সুপার স্টার্স। এরপর আর ঘুঁড়ে দাড়াতে পারেনি সিলেট। একমাত্র পাকিস্তানী পেসার সোহেল তানভীর ছাড়া বাকিরা ছিলেন যাওয়া আসার মিছিলে। ১৭ বলে ২০ রান করেন তানভীর। এটাই সিলেটের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। বাকিদের মধ্যে কেউই দুই অংকের রান ছুতে পারেনি। শেষের দিকে বোপারা ৫, রাজ্জাক ৪, রুবেল শূন্য রানে আউট হন। রংপুরের হয়ে ১৪ রানে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন স্পিনার আরাফাত সানি। তিন উইকেট নেন আফগানিস্তানের মোহাম্মদ নবী। সাকিব দুটি ও পেরেইরা নেন একটি করে উইকেট।