ঢাকা ০৩:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ তালবাহানায় আটকে গভর্নিং বডি নির্বাচন, প্রশ্নের মুখে আইডিয়াল কর্তৃপক্ষ অবহেলায় অনেক স্কুলের অবকাঠামোর বেহাল দশা: জুবাইদা রহমান গ্লোবাল পিস ইনডেক্স ২০২৬ দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ ক্রমান্বয়ে স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত করা হবে পুরস্কারের গাড়ি মাকে উপহার দেবেন তাওহীদ হৃদয় ইসলামী ব্যাংকে নতুন প্রশাসক নিয়োগ জিয়াউর রহমানের জীবন ও দর্শন নিয়ে গবেষণার আহ্বান ফখরুলের পাখির চোখে সীমান্ত পাহারার ছক, কঠোর নজরদারি বাড়াচ্ছে সরকার বেনজীরের গ্রেপ্তারের খবরে আনন্দিত পরীমণি

আল-রাজী হাসপাতালকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৪৫:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৫
  • ৪৯৭ বার

রাজধানী ফার্মগেটের আল-রাজী হাসপাতালকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা করেছে র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত। মেয়াদোত্তীর্ণ রাসায়নিক উপাদান দিয়ে রোগ নির্ণয় করায় শনিবার বিকেলের এক অভিযানে তাদের এই জরিমানা করা হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব জানায়, আল রাজী হাসপাতালে হেপাটাইটিস রোগ নির্ণয়ে যে রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে তার মেয়াদ ২০১১ সালের জানুয়ারী মাসে শেষ হয়েছে। হাসপাতালের প্যাথজলী ল্যাবরেটরী তল্লাশী করে এ রকম আরো বেশ কিছু রোগ নির্ণয়কারী রাসায়নিক উপাদান পাওয়া গেছে যেগুলো ৬-৮ মাস পূর্বেই মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে।

র‍্যাব জানায়, হাসপাতালটির অপারেশন থিয়েটারে পুরাতন রক্তের দাগ লাগানো বেশ কয়েকটি ইট ও বালির প্যাকেট, দেয়ালের প্লাস্টার ধ্বসে পড়ার চিত্র, ময়লাযুক্ত বিভিন্ন কাপড় চোপড় দেখা গেছে।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের উপ-পরিচালক ডাঃ মোঃ মাসুদ করিম। তিনি বলেন, অপারেশন থিয়েটারে পাশে অবস্থিত ড্রেসিং রুমে প্রচুর ধূলোবালিযুক্ত জিনিসপত্র রয়েছে যা অপারেশনকৃত রোগীর জীবানু দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার প্রধান কারণ হতে পারে। অভিযানের সময় সেখানে কোন চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ানকে পাওয়া যায়নি।

হাসপাতালটির প্যাথলজি শাখায় অভিযান চালিয়ে তৈরী করা ৪ ডিসেম্বরের একটি মেডিকেল রিপোর্ট দেখতে পান ম্যাজিস্ট্রেট। এতে মাতুয়াইলের মা ও শিশু হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ মোঃ শাহানুর করিমের স্বাক্ষর ছিল।

তবে সেই চিকিৎসকের মঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটকে জানান তিনি গত দশ দিনের মধ্যে সেই মেডিকেল সার্ভিসেস সেন্টারে যাননি, কোন মেডিকেল রিপোর্টে সাক্ষরও করেননি। অভিযানে বায়ান্নটি মেডিকেল রিপোর্ট জব্দ করা হয়। এই অপরাধে ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক মোঃ দিদারুল ইসলামকে ছয়মাসের কারাদণ্ড এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের অনুমোদন ছাড়া ক্লিনিক পরিচালনা করায় হাসপাতালের প্যাথলজি শাখাটি সীল গালা করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ

আল-রাজী হাসপাতালকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা

আপডেট টাইম : ১২:৪৫:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৫

রাজধানী ফার্মগেটের আল-রাজী হাসপাতালকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা করেছে র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত। মেয়াদোত্তীর্ণ রাসায়নিক উপাদান দিয়ে রোগ নির্ণয় করায় শনিবার বিকেলের এক অভিযানে তাদের এই জরিমানা করা হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব জানায়, আল রাজী হাসপাতালে হেপাটাইটিস রোগ নির্ণয়ে যে রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে তার মেয়াদ ২০১১ সালের জানুয়ারী মাসে শেষ হয়েছে। হাসপাতালের প্যাথজলী ল্যাবরেটরী তল্লাশী করে এ রকম আরো বেশ কিছু রোগ নির্ণয়কারী রাসায়নিক উপাদান পাওয়া গেছে যেগুলো ৬-৮ মাস পূর্বেই মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে।

র‍্যাব জানায়, হাসপাতালটির অপারেশন থিয়েটারে পুরাতন রক্তের দাগ লাগানো বেশ কয়েকটি ইট ও বালির প্যাকেট, দেয়ালের প্লাস্টার ধ্বসে পড়ার চিত্র, ময়লাযুক্ত বিভিন্ন কাপড় চোপড় দেখা গেছে।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের উপ-পরিচালক ডাঃ মোঃ মাসুদ করিম। তিনি বলেন, অপারেশন থিয়েটারে পাশে অবস্থিত ড্রেসিং রুমে প্রচুর ধূলোবালিযুক্ত জিনিসপত্র রয়েছে যা অপারেশনকৃত রোগীর জীবানু দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার প্রধান কারণ হতে পারে। অভিযানের সময় সেখানে কোন চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ানকে পাওয়া যায়নি।

হাসপাতালটির প্যাথলজি শাখায় অভিযান চালিয়ে তৈরী করা ৪ ডিসেম্বরের একটি মেডিকেল রিপোর্ট দেখতে পান ম্যাজিস্ট্রেট। এতে মাতুয়াইলের মা ও শিশু হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ মোঃ শাহানুর করিমের স্বাক্ষর ছিল।

তবে সেই চিকিৎসকের মঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটকে জানান তিনি গত দশ দিনের মধ্যে সেই মেডিকেল সার্ভিসেস সেন্টারে যাননি, কোন মেডিকেল রিপোর্টে সাক্ষরও করেননি। অভিযানে বায়ান্নটি মেডিকেল রিপোর্ট জব্দ করা হয়। এই অপরাধে ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক মোঃ দিদারুল ইসলামকে ছয়মাসের কারাদণ্ড এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের অনুমোদন ছাড়া ক্লিনিক পরিচালনা করায় হাসপাতালের প্যাথলজি শাখাটি সীল গালা করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।