ঢাকা ০৬:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস

আল-রাজী হাসপাতালকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৪৫:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৫
  • ৫০১ বার

রাজধানী ফার্মগেটের আল-রাজী হাসপাতালকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা করেছে র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত। মেয়াদোত্তীর্ণ রাসায়নিক উপাদান দিয়ে রোগ নির্ণয় করায় শনিবার বিকেলের এক অভিযানে তাদের এই জরিমানা করা হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব জানায়, আল রাজী হাসপাতালে হেপাটাইটিস রোগ নির্ণয়ে যে রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে তার মেয়াদ ২০১১ সালের জানুয়ারী মাসে শেষ হয়েছে। হাসপাতালের প্যাথজলী ল্যাবরেটরী তল্লাশী করে এ রকম আরো বেশ কিছু রোগ নির্ণয়কারী রাসায়নিক উপাদান পাওয়া গেছে যেগুলো ৬-৮ মাস পূর্বেই মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে।

র‍্যাব জানায়, হাসপাতালটির অপারেশন থিয়েটারে পুরাতন রক্তের দাগ লাগানো বেশ কয়েকটি ইট ও বালির প্যাকেট, দেয়ালের প্লাস্টার ধ্বসে পড়ার চিত্র, ময়লাযুক্ত বিভিন্ন কাপড় চোপড় দেখা গেছে।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের উপ-পরিচালক ডাঃ মোঃ মাসুদ করিম। তিনি বলেন, অপারেশন থিয়েটারে পাশে অবস্থিত ড্রেসিং রুমে প্রচুর ধূলোবালিযুক্ত জিনিসপত্র রয়েছে যা অপারেশনকৃত রোগীর জীবানু দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার প্রধান কারণ হতে পারে। অভিযানের সময় সেখানে কোন চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ানকে পাওয়া যায়নি।

হাসপাতালটির প্যাথলজি শাখায় অভিযান চালিয়ে তৈরী করা ৪ ডিসেম্বরের একটি মেডিকেল রিপোর্ট দেখতে পান ম্যাজিস্ট্রেট। এতে মাতুয়াইলের মা ও শিশু হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ মোঃ শাহানুর করিমের স্বাক্ষর ছিল।

তবে সেই চিকিৎসকের মঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটকে জানান তিনি গত দশ দিনের মধ্যে সেই মেডিকেল সার্ভিসেস সেন্টারে যাননি, কোন মেডিকেল রিপোর্টে সাক্ষরও করেননি। অভিযানে বায়ান্নটি মেডিকেল রিপোর্ট জব্দ করা হয়। এই অপরাধে ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক মোঃ দিদারুল ইসলামকে ছয়মাসের কারাদণ্ড এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের অনুমোদন ছাড়া ক্লিনিক পরিচালনা করায় হাসপাতালের প্যাথলজি শাখাটি সীল গালা করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা

আল-রাজী হাসপাতালকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা

আপডেট টাইম : ১২:৪৫:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৫

রাজধানী ফার্মগেটের আল-রাজী হাসপাতালকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা করেছে র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত। মেয়াদোত্তীর্ণ রাসায়নিক উপাদান দিয়ে রোগ নির্ণয় করায় শনিবার বিকেলের এক অভিযানে তাদের এই জরিমানা করা হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব জানায়, আল রাজী হাসপাতালে হেপাটাইটিস রোগ নির্ণয়ে যে রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে তার মেয়াদ ২০১১ সালের জানুয়ারী মাসে শেষ হয়েছে। হাসপাতালের প্যাথজলী ল্যাবরেটরী তল্লাশী করে এ রকম আরো বেশ কিছু রোগ নির্ণয়কারী রাসায়নিক উপাদান পাওয়া গেছে যেগুলো ৬-৮ মাস পূর্বেই মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে।

র‍্যাব জানায়, হাসপাতালটির অপারেশন থিয়েটারে পুরাতন রক্তের দাগ লাগানো বেশ কয়েকটি ইট ও বালির প্যাকেট, দেয়ালের প্লাস্টার ধ্বসে পড়ার চিত্র, ময়লাযুক্ত বিভিন্ন কাপড় চোপড় দেখা গেছে।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের উপ-পরিচালক ডাঃ মোঃ মাসুদ করিম। তিনি বলেন, অপারেশন থিয়েটারে পাশে অবস্থিত ড্রেসিং রুমে প্রচুর ধূলোবালিযুক্ত জিনিসপত্র রয়েছে যা অপারেশনকৃত রোগীর জীবানু দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার প্রধান কারণ হতে পারে। অভিযানের সময় সেখানে কোন চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ানকে পাওয়া যায়নি।

হাসপাতালটির প্যাথলজি শাখায় অভিযান চালিয়ে তৈরী করা ৪ ডিসেম্বরের একটি মেডিকেল রিপোর্ট দেখতে পান ম্যাজিস্ট্রেট। এতে মাতুয়াইলের মা ও শিশু হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ মোঃ শাহানুর করিমের স্বাক্ষর ছিল।

তবে সেই চিকিৎসকের মঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটকে জানান তিনি গত দশ দিনের মধ্যে সেই মেডিকেল সার্ভিসেস সেন্টারে যাননি, কোন মেডিকেল রিপোর্টে সাক্ষরও করেননি। অভিযানে বায়ান্নটি মেডিকেল রিপোর্ট জব্দ করা হয়। এই অপরাধে ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক মোঃ দিদারুল ইসলামকে ছয়মাসের কারাদণ্ড এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের অনুমোদন ছাড়া ক্লিনিক পরিচালনা করায় হাসপাতালের প্যাথলজি শাখাটি সীল গালা করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।