ঢাকা ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

জেলখানায় ছেলেকে যা বললেন মুজাহিদ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৫২:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৫
  • ৫০৩ বার

রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন কিনা আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেবেন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে মুজাহিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বৃহস্পতিবার বিকেলে তার ছোট ছেলে আলী আহমেদ মাবরুর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। মাবরুর সাংবাদিকদের বলেন, ‌বাবা বলেছেন, আমি নির্দোষ। আমার সঙ্গে যেন আইনজীবীরা কথা বলেন। আমাদের আইনজীবীদের জানাব, তারা যেন বাবার সঙ্গে দেখা করেন। আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তিনি জানান, তিনি শারীরিকভাবে সুস্থ আছেন। আমরা সবাই বাবার সঙ্গে দেখা করে কথা বলেছি। তিনি সুস্থ ও সবল আছেন। আজ দুপুর ২টার সময় আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের সঙ্গে দেখা করতে স্ত্রী, ছেলেমেয়ে ও মেয়ের জামাইসহ পরিবারের ১২ সদস্য ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে আসেন। ১২ জন হলেন তার স্ত্রী তামান্না-ই-জাহান, বড় ভাই আলী আফজাল মোহাম্মদ খালেছ, ছোট ভাই ওজায়ের এম এ আকরাম, বড় ছেলে আলী আহম্মদ তাজদীদ, মেজ ছেলে আলী আহম্মদ তাহকিক, ছোট ছেলে আলী আহমেদ মাবরুর, মেয়ে তামরিনা ‍বিনতে মুজাহিদ, বড় ছেলের স্ত্রী ফারজানা জেবিন, মেঝো ছেলের স্ত্রী নাসরিন কাকলি, ছোট ছেলের স্ত্রী সৈয়দা রুপাইদা, ভাগনে আ ন ম ফয়েজ হাদী সাব্বির ও স্বজন নুরুল হুদা। পরে তারা ভেতরে প্রবেশ করেন। ৪০ মিনিট কারাগারে অবস্থান করে ২টা ৪০ মিনিটে বের হয়ে আসেন তারা। এরপর মুজাহিদের ছেলে মাবরুর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এর আগে দুপুর ১২টায় বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর সঙ্গে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে দেখা করেন পরিবারের ১৫ সদস্য। সেখান থেকে তারা বের হয়ে কারো সঙ্গে কোনো কথা না বলে দ্রুত এলাকা ত্যাগ করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

জেলখানায় ছেলেকে যা বললেন মুজাহিদ

আপডেট টাইম : ০৯:৫২:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৫

রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন কিনা আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেবেন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে মুজাহিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বৃহস্পতিবার বিকেলে তার ছোট ছেলে আলী আহমেদ মাবরুর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। মাবরুর সাংবাদিকদের বলেন, ‌বাবা বলেছেন, আমি নির্দোষ। আমার সঙ্গে যেন আইনজীবীরা কথা বলেন। আমাদের আইনজীবীদের জানাব, তারা যেন বাবার সঙ্গে দেখা করেন। আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তিনি জানান, তিনি শারীরিকভাবে সুস্থ আছেন। আমরা সবাই বাবার সঙ্গে দেখা করে কথা বলেছি। তিনি সুস্থ ও সবল আছেন। আজ দুপুর ২টার সময় আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের সঙ্গে দেখা করতে স্ত্রী, ছেলেমেয়ে ও মেয়ের জামাইসহ পরিবারের ১২ সদস্য ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে আসেন। ১২ জন হলেন তার স্ত্রী তামান্না-ই-জাহান, বড় ভাই আলী আফজাল মোহাম্মদ খালেছ, ছোট ভাই ওজায়ের এম এ আকরাম, বড় ছেলে আলী আহম্মদ তাজদীদ, মেজ ছেলে আলী আহম্মদ তাহকিক, ছোট ছেলে আলী আহমেদ মাবরুর, মেয়ে তামরিনা ‍বিনতে মুজাহিদ, বড় ছেলের স্ত্রী ফারজানা জেবিন, মেঝো ছেলের স্ত্রী নাসরিন কাকলি, ছোট ছেলের স্ত্রী সৈয়দা রুপাইদা, ভাগনে আ ন ম ফয়েজ হাদী সাব্বির ও স্বজন নুরুল হুদা। পরে তারা ভেতরে প্রবেশ করেন। ৪০ মিনিট কারাগারে অবস্থান করে ২টা ৪০ মিনিটে বের হয়ে আসেন তারা। এরপর মুজাহিদের ছেলে মাবরুর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এর আগে দুপুর ১২টায় বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর সঙ্গে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে দেখা করেন পরিবারের ১৫ সদস্য। সেখান থেকে তারা বের হয়ে কারো সঙ্গে কোনো কথা না বলে দ্রুত এলাকা ত্যাগ করেন।