ঢাকা ০৭:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ঢাবির ডিন থেকে বাউবির উপাচার্য হচ্ছেন ড. ছিদ্দিকুর রহমান খান, অভিজ্ঞতায় ভরসা রাখছে সরকার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হক নূরুর ইন্তেকাল শাসক হিসেবে নয় জনগণের ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করছে সরকার : তথ্যমন্ত্রী ২৬ মার্চ স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী ঈদের ছুটিতে মেট্রো রেলে উপচে পড়া ভিড় ই-হেলথ কার্ড: ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবায় নতুন ধারা কঠিন পরিস্থিতিতেও জ্বালানি তেলের দাম না বাড়িয়ে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী ইরান যুদ্ধ যেভাবে ইংল্যান্ডে বলের সংকট তৈরি করল মসজিদের আজান শুনে আসে সাপ, শেষ হলেই অদৃশ্য পরিচয় দেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, আছে ভিজিটিং কার্ডও, অথচ সব ভুয়া

জেলখানায় ছেলেকে যা বললেন মুজাহিদ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৫২:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৫
  • ৪৮৬ বার

রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন কিনা আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেবেন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে মুজাহিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বৃহস্পতিবার বিকেলে তার ছোট ছেলে আলী আহমেদ মাবরুর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। মাবরুর সাংবাদিকদের বলেন, ‌বাবা বলেছেন, আমি নির্দোষ। আমার সঙ্গে যেন আইনজীবীরা কথা বলেন। আমাদের আইনজীবীদের জানাব, তারা যেন বাবার সঙ্গে দেখা করেন। আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তিনি জানান, তিনি শারীরিকভাবে সুস্থ আছেন। আমরা সবাই বাবার সঙ্গে দেখা করে কথা বলেছি। তিনি সুস্থ ও সবল আছেন। আজ দুপুর ২টার সময় আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের সঙ্গে দেখা করতে স্ত্রী, ছেলেমেয়ে ও মেয়ের জামাইসহ পরিবারের ১২ সদস্য ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে আসেন। ১২ জন হলেন তার স্ত্রী তামান্না-ই-জাহান, বড় ভাই আলী আফজাল মোহাম্মদ খালেছ, ছোট ভাই ওজায়ের এম এ আকরাম, বড় ছেলে আলী আহম্মদ তাজদীদ, মেজ ছেলে আলী আহম্মদ তাহকিক, ছোট ছেলে আলী আহমেদ মাবরুর, মেয়ে তামরিনা ‍বিনতে মুজাহিদ, বড় ছেলের স্ত্রী ফারজানা জেবিন, মেঝো ছেলের স্ত্রী নাসরিন কাকলি, ছোট ছেলের স্ত্রী সৈয়দা রুপাইদা, ভাগনে আ ন ম ফয়েজ হাদী সাব্বির ও স্বজন নুরুল হুদা। পরে তারা ভেতরে প্রবেশ করেন। ৪০ মিনিট কারাগারে অবস্থান করে ২টা ৪০ মিনিটে বের হয়ে আসেন তারা। এরপর মুজাহিদের ছেলে মাবরুর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এর আগে দুপুর ১২টায় বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর সঙ্গে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে দেখা করেন পরিবারের ১৫ সদস্য। সেখান থেকে তারা বের হয়ে কারো সঙ্গে কোনো কথা না বলে দ্রুত এলাকা ত্যাগ করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাবির ডিন থেকে বাউবির উপাচার্য হচ্ছেন ড. ছিদ্দিকুর রহমান খান, অভিজ্ঞতায় ভরসা রাখছে সরকার

জেলখানায় ছেলেকে যা বললেন মুজাহিদ

আপডেট টাইম : ০৯:৫২:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৫

রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন কিনা আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেবেন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে মুজাহিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বৃহস্পতিবার বিকেলে তার ছোট ছেলে আলী আহমেদ মাবরুর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। মাবরুর সাংবাদিকদের বলেন, ‌বাবা বলেছেন, আমি নির্দোষ। আমার সঙ্গে যেন আইনজীবীরা কথা বলেন। আমাদের আইনজীবীদের জানাব, তারা যেন বাবার সঙ্গে দেখা করেন। আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তিনি জানান, তিনি শারীরিকভাবে সুস্থ আছেন। আমরা সবাই বাবার সঙ্গে দেখা করে কথা বলেছি। তিনি সুস্থ ও সবল আছেন। আজ দুপুর ২টার সময় আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের সঙ্গে দেখা করতে স্ত্রী, ছেলেমেয়ে ও মেয়ের জামাইসহ পরিবারের ১২ সদস্য ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে আসেন। ১২ জন হলেন তার স্ত্রী তামান্না-ই-জাহান, বড় ভাই আলী আফজাল মোহাম্মদ খালেছ, ছোট ভাই ওজায়ের এম এ আকরাম, বড় ছেলে আলী আহম্মদ তাজদীদ, মেজ ছেলে আলী আহম্মদ তাহকিক, ছোট ছেলে আলী আহমেদ মাবরুর, মেয়ে তামরিনা ‍বিনতে মুজাহিদ, বড় ছেলের স্ত্রী ফারজানা জেবিন, মেঝো ছেলের স্ত্রী নাসরিন কাকলি, ছোট ছেলের স্ত্রী সৈয়দা রুপাইদা, ভাগনে আ ন ম ফয়েজ হাদী সাব্বির ও স্বজন নুরুল হুদা। পরে তারা ভেতরে প্রবেশ করেন। ৪০ মিনিট কারাগারে অবস্থান করে ২টা ৪০ মিনিটে বের হয়ে আসেন তারা। এরপর মুজাহিদের ছেলে মাবরুর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এর আগে দুপুর ১২টায় বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর সঙ্গে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে দেখা করেন পরিবারের ১৫ সদস্য। সেখান থেকে তারা বের হয়ে কারো সঙ্গে কোনো কথা না বলে দ্রুত এলাকা ত্যাগ করেন।