ঢাকা ০২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৫, ২ মাঘ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আ’লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম মর্যাদার ইঙ্গিতে উজ্জীবিত নেতাকর্মীরা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:২৬:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৯
  • ১৮৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের জাতীয় সম্মেলন শুক্রবার। রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সম্মেলনের সার্বিক প্রস্তুতি প্রায় শেষ করেছে সংগঠনটি।

এদিকে প্রতিষ্ঠার প্রায় ১৫ বছর পর আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের মর্যাদা পেতে যাচ্ছে সংগঠনটি। ফলে এবারের সম্মেলনকে প্রথম ‘আনুষ্ঠানিক সম্মেলন’ বলে অভিহিত করেছেন সংগঠনটির নেতারা। এর আগে সংগঠনটির চারটি সম্মেলন হয়। এদিকে সম্মেলন ঘিরে পদপ্রত্যাশী নেতারা উজ্জীবিত। শীর্ষ পদে আসতে জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

সম্মেলনের প্রস্তুতির বিষয়ে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক নারায়ণ চন্দ্র চন্দ মঙ্গলবার বিকালে যুগান্তরকে বলেন, ‘প্রস্তুতি শেষের দিকে। সম্মেলনে প্রায় দশ হাজার কাউন্সিলর উপস্থিত থাকবেন।’

মৎস্যজীবী লীগকে আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যেহেতু এবার আওয়ামী লীগ থেকে তারিখ দিয়ে, তাদের নির্দেশনা অনুসারে সম্মেলন হচ্ছে। এটা মৎস্যজীবী লীগকে মূল দলের সহযোগী বা ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন করার ইঙ্গিত।’

জানা যায়, সম্মেলন সামনে রেখে ৮টি উপকমিটির সদস্যরা সব ধরনের প্রস্তুতি শেষের পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন। চূড়ান্ত হয়েছে কাউন্সিলর-ডেলিগেটদের তালিকা। কৃষিবিদ ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে সম্মেলনের মঞ্চ তৈরির কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে। অতিথিদের নিমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেয়া হয়েছে। গত অক্টোবরে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আওয়ামী লীগের তিনটি সহযোগী ও একটি ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সম্মেলনের তারিখের কথা জানানো হয়। তাতে মৎস্যজীবী লীগের সম্মেলনের তারিখও ছিল। এরপর থেকেই আলোচনায় আসে মৎস্যজীবী লীগ। অনেকেই বলছেন, মৎস্যজীবী লীগকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম বা সহযোগী সংগঠন হতে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ সূত্র জানায়, দেশের প্রায় দুই কোটি মানুষ মৎস্য উৎপাদন, পরিবহন ও বিপণনের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

এ খাত থেকে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়। পাশাপাশি সমুদ্রসীমা বিজয় ও ব্লু ইকোনমিসহ সার্বিক বিষয় মাথায় রেখেই মৎস্যজীবী লীগকে আলাদা গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে আপাতত ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের মর্যাদা দেয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। আর সবকিছু বিবেচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে মৎস্যজীবী লীগকে দেখভালের দায়িত্ব দিয়েছেন।

এদিকে সম্মেলন ঘিরে সংগঠনটিতে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতাও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ পদে আসতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন বেশ কয়েকজন নেতা। তাদের শোডাউন, মিছিল, ব্যানার ফেস্টুন শোভা পাচ্ছে আওয়ামী লীগের গুলিস্তানের কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং ধানমণ্ডির দলীয় সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে। তারা ধরনা দিচ্ছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের বাসা-অফিসে। সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতা একাধিকবার গণভবনে গিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেও দেখা করেছেন বলে জানা গেছে।

সংগঠনটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে বেশ কয়েকজন প্রার্থীর নাম আলোচনায় রয়েছে। সভাপতি পদে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন- সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক সাবেক মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, সংগঠনটির সহসভাপতি ও সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট হারুন অর রশিদ, সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব ও সাবেক কার্যকরী সভাপতি শেখ আজগর লস্কর ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল বাশার। আর সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন- সিনিয়র সহসভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা আবদুল গফুর চোকদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেদওয়ান খান বোরহান, সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহজাহান আলী গোলদার প্রমুখ। জানতে চাইলে আবদুল গফুর চোকদার যুগান্তরকে বলেন, আমি স্বাধিকার আন্দোলনে যুক্ত ছিলাম।

মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছি। মৎস্যজীবী লীগ প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই সংগঠনের সঙ্গে আছি। প্রথম গঠনতন্ত্রটাও আমি লিখেছি। এই সংগঠন নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলেছেন, কিন্তু আমি হাল ছাড়িনি। বিএনপি-জামায়াত জোট ও ওয়ান-ইলেভেনের সময় রাজপথে ছিলাম। নেত্রীর মুক্তির আন্দোলনে ছিলাম। নেত্রীর (শেখ হাসিনা) কাছে চাওয়ার কিছু নেই। আমার বিশ্বাস তিনি সবকিছু জানেন। আমরা চাই- মৎস্যজীবী সংগঠনে যোগ্য নেতৃত্ব আসুক।’

রেদওয়ান খান বোরহান বলেন, আমি ছাত্রলীগ, যুবলীগ করে পরে মৎস্যজীবী লীগে এসেছি। মৎস্যজীবীদের সচেতন করার জন্য আমার জন্মস্থান চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় সভা-সেমিনার করেছি। সংগঠনকে বিতর্কমুক্ত রাখতে ভূমিকা রেখেছি।

তিনি বলেন, ‘নেত্রীর কাছে সবার আমলনামা আছে। তার কাছে কাউকে কিছু চাইতে হয় না। আমার বিশ্বাস মৎস্যজীবী লীগে তারাই নেতৃত্বে আসবেন, যারা অতীতে এই সংগঠন ও মৎস্যজীবীদের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন।’ উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২২ মে আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর এ পর্যন্ত চারবার সম্মেলন হয়েছে। সর্বশেষ সম্মেলন হয় ২০১৬ সালে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

আ’লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম মর্যাদার ইঙ্গিতে উজ্জীবিত নেতাকর্মীরা

আপডেট টাইম : ০৩:২৬:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের জাতীয় সম্মেলন শুক্রবার। রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সম্মেলনের সার্বিক প্রস্তুতি প্রায় শেষ করেছে সংগঠনটি।

এদিকে প্রতিষ্ঠার প্রায় ১৫ বছর পর আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের মর্যাদা পেতে যাচ্ছে সংগঠনটি। ফলে এবারের সম্মেলনকে প্রথম ‘আনুষ্ঠানিক সম্মেলন’ বলে অভিহিত করেছেন সংগঠনটির নেতারা। এর আগে সংগঠনটির চারটি সম্মেলন হয়। এদিকে সম্মেলন ঘিরে পদপ্রত্যাশী নেতারা উজ্জীবিত। শীর্ষ পদে আসতে জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

সম্মেলনের প্রস্তুতির বিষয়ে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক নারায়ণ চন্দ্র চন্দ মঙ্গলবার বিকালে যুগান্তরকে বলেন, ‘প্রস্তুতি শেষের দিকে। সম্মেলনে প্রায় দশ হাজার কাউন্সিলর উপস্থিত থাকবেন।’

মৎস্যজীবী লীগকে আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যেহেতু এবার আওয়ামী লীগ থেকে তারিখ দিয়ে, তাদের নির্দেশনা অনুসারে সম্মেলন হচ্ছে। এটা মৎস্যজীবী লীগকে মূল দলের সহযোগী বা ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন করার ইঙ্গিত।’

জানা যায়, সম্মেলন সামনে রেখে ৮টি উপকমিটির সদস্যরা সব ধরনের প্রস্তুতি শেষের পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন। চূড়ান্ত হয়েছে কাউন্সিলর-ডেলিগেটদের তালিকা। কৃষিবিদ ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে সম্মেলনের মঞ্চ তৈরির কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে। অতিথিদের নিমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেয়া হয়েছে। গত অক্টোবরে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আওয়ামী লীগের তিনটি সহযোগী ও একটি ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সম্মেলনের তারিখের কথা জানানো হয়। তাতে মৎস্যজীবী লীগের সম্মেলনের তারিখও ছিল। এরপর থেকেই আলোচনায় আসে মৎস্যজীবী লীগ। অনেকেই বলছেন, মৎস্যজীবী লীগকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম বা সহযোগী সংগঠন হতে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ সূত্র জানায়, দেশের প্রায় দুই কোটি মানুষ মৎস্য উৎপাদন, পরিবহন ও বিপণনের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

এ খাত থেকে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়। পাশাপাশি সমুদ্রসীমা বিজয় ও ব্লু ইকোনমিসহ সার্বিক বিষয় মাথায় রেখেই মৎস্যজীবী লীগকে আলাদা গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে আপাতত ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের মর্যাদা দেয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। আর সবকিছু বিবেচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে মৎস্যজীবী লীগকে দেখভালের দায়িত্ব দিয়েছেন।

এদিকে সম্মেলন ঘিরে সংগঠনটিতে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতাও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ পদে আসতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন বেশ কয়েকজন নেতা। তাদের শোডাউন, মিছিল, ব্যানার ফেস্টুন শোভা পাচ্ছে আওয়ামী লীগের গুলিস্তানের কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং ধানমণ্ডির দলীয় সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে। তারা ধরনা দিচ্ছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের বাসা-অফিসে। সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতা একাধিকবার গণভবনে গিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেও দেখা করেছেন বলে জানা গেছে।

সংগঠনটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে বেশ কয়েকজন প্রার্থীর নাম আলোচনায় রয়েছে। সভাপতি পদে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন- সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক সাবেক মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, সংগঠনটির সহসভাপতি ও সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট হারুন অর রশিদ, সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব ও সাবেক কার্যকরী সভাপতি শেখ আজগর লস্কর ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল বাশার। আর সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন- সিনিয়র সহসভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা আবদুল গফুর চোকদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেদওয়ান খান বোরহান, সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহজাহান আলী গোলদার প্রমুখ। জানতে চাইলে আবদুল গফুর চোকদার যুগান্তরকে বলেন, আমি স্বাধিকার আন্দোলনে যুক্ত ছিলাম।

মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছি। মৎস্যজীবী লীগ প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই সংগঠনের সঙ্গে আছি। প্রথম গঠনতন্ত্রটাও আমি লিখেছি। এই সংগঠন নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলেছেন, কিন্তু আমি হাল ছাড়িনি। বিএনপি-জামায়াত জোট ও ওয়ান-ইলেভেনের সময় রাজপথে ছিলাম। নেত্রীর মুক্তির আন্দোলনে ছিলাম। নেত্রীর (শেখ হাসিনা) কাছে চাওয়ার কিছু নেই। আমার বিশ্বাস তিনি সবকিছু জানেন। আমরা চাই- মৎস্যজীবী সংগঠনে যোগ্য নেতৃত্ব আসুক।’

রেদওয়ান খান বোরহান বলেন, আমি ছাত্রলীগ, যুবলীগ করে পরে মৎস্যজীবী লীগে এসেছি। মৎস্যজীবীদের সচেতন করার জন্য আমার জন্মস্থান চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় সভা-সেমিনার করেছি। সংগঠনকে বিতর্কমুক্ত রাখতে ভূমিকা রেখেছি।

তিনি বলেন, ‘নেত্রীর কাছে সবার আমলনামা আছে। তার কাছে কাউকে কিছু চাইতে হয় না। আমার বিশ্বাস মৎস্যজীবী লীগে তারাই নেতৃত্বে আসবেন, যারা অতীতে এই সংগঠন ও মৎস্যজীবীদের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন।’ উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২২ মে আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর এ পর্যন্ত চারবার সম্মেলন হয়েছে। সর্বশেষ সম্মেলন হয় ২০১৬ সালে।