ঢাকা ১০:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

পর্যটকদের মন কেড়েছে কিশোরগঞ্জের নিকলী হাওর

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০৫:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ৩৭৩ বার

কিশোরগঞ্জের নিকলী হাওর ইতোমধ্যে পর্যটকদের মন কেড়ে নিয়েছে। বিশাল জলরাশির ওপর নীল আকাশের দিকে তাকিয়ে উদাস হয়েছেন অনেকেই। এমন অপ্রসিদ্ধ জায়গায় নিজের মতো করে ঘুরতে পেরে খুশি তারা। চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে নিকলী হাওরের সুনাম। তাই সুযোগ পেলেই ভ্রমণপিপাসুরা ছুটছেন সেখানে।

হাওরে ঘুরতে ঘুরতে চোখে পড়বে ছোট ছোট সবুজ গ্রাম। গ্রামের বাজার থেকে কিনে নিতে পারবেন হালকা নাস্তা। খোলা আকাশের নিচে নৌকার ছাদে বসলে পাবেন অদ্ভুত আনন্দ। ঘুরতে ঘুরতে চলে যাবেন ছাতিরচরে। নিকলী বেড়িবাঁধ থেকে নৌকায় সরাসরি ছাতিরচর যেতে ঘণ্টাখানেক সময় লাগে। নৌকাযোগে ৩ ঘণ্টায় অনেক জায়গা ঘুরতে পারবেন।

এখানে সাধারণত ১ ঘণ্টার জন্য ৭০০-৮০০ টাকা ভাড়া নেয়। অবশ্যই ভাড়া করার সময় দামাদামি করে নেবেন। ১৫-২০ জন অনায়াসে নাচানাচি করে ঘুরতে পারবেন এসব নৌকায়। নৌকার সাইজ অনুযায়ী ভাড়া খুব একটা কম-বেশি হয় না। তাই বড় নৌকা নেওয়াই ভালো।

নিকলীতে খাবারের তেমন ব্যবস্থা নেই। বাজারে কয়েকটি রেস্তোরাঁ আছে। এছাড়া বেড়িবাঁধে ঢোকার সময় একটি রেস্তোরাঁ আছে। খাবার ব্যবস্থা হলে পূর্ণিমা রাতে নৌকার ছাদে কাটিয়ে দিতে পারেন রাত। তবে নিরাপত্তার জন্য নিকলী থানায় জানাতে হবে। রাতে অবশ্যই বেড়িবাঁধের কাছাকাছি জায়গায় থাকতে হবে। এছাড়া নিকলী থানা পুলিশের একটি ডাকবাংলো আছে। সেখানে ব্যবস্থা করতে পারেন। তবে সেটা না হলে কিশোরগঞ্জ শহরে থাকতে পারবেন।

ঢাকার সায়েদাবাদের পাশে গোলাপবাগ বাসস্ট্যান্ড থেকে বাসে সোজা পুলেরঘাট যাবেন। পুলেরঘাট থেকে অটোরিকশা দিয়ে নিকলী বেড়িবাঁধ পৌঁছে যাবেন। এছাড়া ঢাকা থেকে সোজা কিশোরগঞ্জ যেতে পারেন। সেখান থেকে নিকলী যাওয়া যায়। কেননা নিকলীর চেয়ে কিশোরগঞ্জ শহরে থাকা-খাওয়ার সুবিধা তুলনামূলক বেশি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

পর্যটকদের মন কেড়েছে কিশোরগঞ্জের নিকলী হাওর

আপডেট টাইম : ১২:০৫:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

কিশোরগঞ্জের নিকলী হাওর ইতোমধ্যে পর্যটকদের মন কেড়ে নিয়েছে। বিশাল জলরাশির ওপর নীল আকাশের দিকে তাকিয়ে উদাস হয়েছেন অনেকেই। এমন অপ্রসিদ্ধ জায়গায় নিজের মতো করে ঘুরতে পেরে খুশি তারা। চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে নিকলী হাওরের সুনাম। তাই সুযোগ পেলেই ভ্রমণপিপাসুরা ছুটছেন সেখানে।

হাওরে ঘুরতে ঘুরতে চোখে পড়বে ছোট ছোট সবুজ গ্রাম। গ্রামের বাজার থেকে কিনে নিতে পারবেন হালকা নাস্তা। খোলা আকাশের নিচে নৌকার ছাদে বসলে পাবেন অদ্ভুত আনন্দ। ঘুরতে ঘুরতে চলে যাবেন ছাতিরচরে। নিকলী বেড়িবাঁধ থেকে নৌকায় সরাসরি ছাতিরচর যেতে ঘণ্টাখানেক সময় লাগে। নৌকাযোগে ৩ ঘণ্টায় অনেক জায়গা ঘুরতে পারবেন।

এখানে সাধারণত ১ ঘণ্টার জন্য ৭০০-৮০০ টাকা ভাড়া নেয়। অবশ্যই ভাড়া করার সময় দামাদামি করে নেবেন। ১৫-২০ জন অনায়াসে নাচানাচি করে ঘুরতে পারবেন এসব নৌকায়। নৌকার সাইজ অনুযায়ী ভাড়া খুব একটা কম-বেশি হয় না। তাই বড় নৌকা নেওয়াই ভালো।

নিকলীতে খাবারের তেমন ব্যবস্থা নেই। বাজারে কয়েকটি রেস্তোরাঁ আছে। এছাড়া বেড়িবাঁধে ঢোকার সময় একটি রেস্তোরাঁ আছে। খাবার ব্যবস্থা হলে পূর্ণিমা রাতে নৌকার ছাদে কাটিয়ে দিতে পারেন রাত। তবে নিরাপত্তার জন্য নিকলী থানায় জানাতে হবে। রাতে অবশ্যই বেড়িবাঁধের কাছাকাছি জায়গায় থাকতে হবে। এছাড়া নিকলী থানা পুলিশের একটি ডাকবাংলো আছে। সেখানে ব্যবস্থা করতে পারেন। তবে সেটা না হলে কিশোরগঞ্জ শহরে থাকতে পারবেন।

ঢাকার সায়েদাবাদের পাশে গোলাপবাগ বাসস্ট্যান্ড থেকে বাসে সোজা পুলেরঘাট যাবেন। পুলেরঘাট থেকে অটোরিকশা দিয়ে নিকলী বেড়িবাঁধ পৌঁছে যাবেন। এছাড়া ঢাকা থেকে সোজা কিশোরগঞ্জ যেতে পারেন। সেখান থেকে নিকলী যাওয়া যায়। কেননা নিকলীর চেয়ে কিশোরগঞ্জ শহরে থাকা-খাওয়ার সুবিধা তুলনামূলক বেশি।