ঢাকা ০২:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

পূজায় যা করলে মুসলমান থাকে না : আল্লামা শফী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১১:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০১৫
  • ৫৬৪ বার

‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’ এমন উক্তির বিরোধিতা করেছেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা আহমদ শফী। তিনি বলেছেন, ভিন্ন ধর্মালম্বীদের প্রার্থনা বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মুসলমানের শরীক হওয়াকে সমর্থন ও উৎসাহিত করে দেয়া বক্তব্য সম্পূর্ণ ইসলামবিরোধী। রোববার বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলামের প্রেস সচিব মুনীর আহমদ স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা জানানো হয়। বিবৃতিতে আল্লামা শফী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের দায়িত্বশীল পর্যায়সহ একটি মহল থেকে ‌‌ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’ বলে যে আওয়াজ তোলা হচ্ছে তা কুফরী। এমন স্রোগান মুসলমানদের ঈমানী চেতনাবোধ ধ্বংস করার নানামুখি ষড়যন্ত্রেরই একটা অংশ। তিনি বলেন, ঈদ বা পূজা জাতীয় বা সামাজিক কোনো রীতি বা অনুষ্ঠান নয়, এটা একান্তই ধর্মীয় অনুষ্ঠান। তাই ধর্মীয় যেকোনো আয়োজন-অনুষ্ঠানে স্ব-স্ব ধর্মাবলম্বীদের স্বাতন্ত্রবোধ থাকতে হবে। আল্লামা শফী বলেন, একটি বিষয় মুসলমানদের জেনে রাখা জরুরি যে, অমুসলিমদের প্রতি ইনসাফভিত্তিক নাগরিক আচরণ ও সম্প্রীতিপূর্ণ মনোভাব রাখা ইসলামের শিক্ষা। অমুসলিমদের সব ধরনের সামাজিক ও মানবিক সহযোগিতা করা যাবে। এতে ইসলাম কোনোরূপ বাধা দেয় না। কিন্তু তাদের ধর্মীয় উপাসনা, পূজা বা আরাধনায় কোনোরূপ অংশ নেয়া মুসলমানের জন্য হারাম। তিনি বলেন, নিজে পূজা করা যাবে না, প্রতিমা তৈরিতে ব্যক্তিগত অর্থ সাহায্য করা যাবে না, যেকোনো ধরনের উপাসনায় দৈহিক, মানসিক, আর্থিক কোনো ধরনের সহায়তা দেয়া যাবে না। যদি কোনো মুসলমান ব্যক্তিগত পর্যায়ে অমুসলিমদের পূজা অর্চনায় শরীক হয়, পূজা অনুষ্ঠান উপভোগ করে, দেবীর কাছে সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে, দেবীর গুণকীর্তন করে তাহলে কোনোভাবেই সে আর মুসলমান থাকে না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

পূজায় যা করলে মুসলমান থাকে না : আল্লামা শফী

আপডেট টাইম : ১১:১১:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০১৫

‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’ এমন উক্তির বিরোধিতা করেছেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা আহমদ শফী। তিনি বলেছেন, ভিন্ন ধর্মালম্বীদের প্রার্থনা বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মুসলমানের শরীক হওয়াকে সমর্থন ও উৎসাহিত করে দেয়া বক্তব্য সম্পূর্ণ ইসলামবিরোধী। রোববার বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলামের প্রেস সচিব মুনীর আহমদ স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা জানানো হয়। বিবৃতিতে আল্লামা শফী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের দায়িত্বশীল পর্যায়সহ একটি মহল থেকে ‌‌ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’ বলে যে আওয়াজ তোলা হচ্ছে তা কুফরী। এমন স্রোগান মুসলমানদের ঈমানী চেতনাবোধ ধ্বংস করার নানামুখি ষড়যন্ত্রেরই একটা অংশ। তিনি বলেন, ঈদ বা পূজা জাতীয় বা সামাজিক কোনো রীতি বা অনুষ্ঠান নয়, এটা একান্তই ধর্মীয় অনুষ্ঠান। তাই ধর্মীয় যেকোনো আয়োজন-অনুষ্ঠানে স্ব-স্ব ধর্মাবলম্বীদের স্বাতন্ত্রবোধ থাকতে হবে। আল্লামা শফী বলেন, একটি বিষয় মুসলমানদের জেনে রাখা জরুরি যে, অমুসলিমদের প্রতি ইনসাফভিত্তিক নাগরিক আচরণ ও সম্প্রীতিপূর্ণ মনোভাব রাখা ইসলামের শিক্ষা। অমুসলিমদের সব ধরনের সামাজিক ও মানবিক সহযোগিতা করা যাবে। এতে ইসলাম কোনোরূপ বাধা দেয় না। কিন্তু তাদের ধর্মীয় উপাসনা, পূজা বা আরাধনায় কোনোরূপ অংশ নেয়া মুসলমানের জন্য হারাম। তিনি বলেন, নিজে পূজা করা যাবে না, প্রতিমা তৈরিতে ব্যক্তিগত অর্থ সাহায্য করা যাবে না, যেকোনো ধরনের উপাসনায় দৈহিক, মানসিক, আর্থিক কোনো ধরনের সহায়তা দেয়া যাবে না। যদি কোনো মুসলমান ব্যক্তিগত পর্যায়ে অমুসলিমদের পূজা অর্চনায় শরীক হয়, পূজা অনুষ্ঠান উপভোগ করে, দেবীর কাছে সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে, দেবীর গুণকীর্তন করে তাহলে কোনোভাবেই সে আর মুসলমান থাকে না।