ঢাকা ০৫:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
অননুমোদিত দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ তেলের ঘাটতি নেই, আগের চেয়ে সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে : জ্বালানিমন্ত্রী ঢামেকসহ ৫ মেডিক্যাল কলেজে নতুন অধ্যক্ষ নিয়োগ রাশিয়া থেকে তেল কিনতে যুক্তরাষ্ট্রকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের হারানো ইমেজ উদ্ধারে সক্রিয় সরকার, অস্থিরতা তৈরির চেষ্টায় একটি গ্রুপ আকাশপথের নতুন রাজত্বের পথে পারস্য! ৬.৫ বিলিয়নের রাশিয়ান Kibony সিস্টেমসহ Su-35 এখন ইরানে, তবে কি অকেজো মার্কিন রাডার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার সাক্ষাৎ এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ৭ জুন : শিক্ষামন্ত্রী সংসদে নামাজ পড়তে গিয়ে জুতা খোয়ালেন এমপি ২০ বছর পর ৩৩০ পুলিশ কর্মকর্তার নিয়োগ, স্বাস্থ্য পরীক্ষা মঙ্গলবার শুরু

প্রেমের টানে মুসলিম হয়ে বাংলাদেশে ফিলিপিনো তরুণী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:৫০:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০১৯
  • ৩৪০ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ প্রেম মানে না কোনো জাতপাত, মানে না কোনো ধর্ম-বর্ণ। তারই জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত নালিনি রোজালেস ফোরেন্স নামে এক ফিলিপিনো তরুণী। তিনি প্রেমের টানে সুদূর ফিলিপাইন থেকে বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জে ছুটে এসেছেন। শুধু তাই নয়, ফোরেন্স জন্মভূমি ছেড়ে, তার ধর্ম ত্যাগ করে কিশোরগঞ্জে তার প্রেমিক রাজনকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়েও করেছেন।

রোজালেস ফোরেন্সের বাড়ি ফিলিপাইনের ভিনগেট প্রদেশের ভাগিউ সিটির সেন্ট্রাল ফেয়ারভিউ ভিলেজে। তার বাবার নাম পাপিনিয়ামো সাভান্ডাল ফোরেস এবং মায়ের নাম ক্রিসটিটা রোজালেস ফোরেস। অন্যদিকে তার প্রেমিকের নাম মো. জহিরুল ইসলাম রাজন। রাজন কিশোরগঞ্জ পৌর শহরের পুরোনো কোর্ট রোডের আব্দুর রশিদের ছেলে।

এনালিনি রোজালেস ফোরেসের সঙ্গে রাজনের পরিচয় হয় ফেসবুকে। ফেসবুক, স্কাইপ, ইমোর সৌজন্যে দীর্ঘদিন চলে তাদের প্রেমালাপ। কিন্তু ছবি কী আর মেটাতে পারে হৃদয়ের আকুলতা। তাই ফোরেন্স সব বাধা ডিঙিয়ে ফিলিপাইনের ভিনগেট প্রদেশের ভাগিউ সিটির সেন্ট্রাল ফেয়ারভিউ ভিলেজ থেকে ২৭ জুন প্রেমিক বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পুরোনো কোর্ট রোডের রাজনের সঙ্গে দেখা করতে তার বাসায় চলে আসেন।

রাজনের পরিবারের সব কিছুই ভালোলাগার পর প্রেমিক মো. জহিরুল ইসলাম রাজনের পরিবারের সম্মতিতে শুক্রবার তাদের বিয়ে হয়। শুক্রবার দুপুরে শহরের অতিথি কমিউনিটি সেন্টারে রাজন-ফোরেসের বৌ-ভাত অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়।

বিয়ের আগে ফোরেন্স ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় জান্নাতুল ফেরদৌস জান্নাত।

কিশোরগঞ্জের ছেলের সঙ্গে ফিলিপিনো মেয়ের বিয়ের ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। দূর-দূরান্ত থেকে কৌতূহলী মানুষ ছুটে আসছেন তাদের এক নজর দেখতে।

শহরের ষাটোর্ধ্ব আব্দুল জলিল বলেন, আগে খবরের কাগজে দেখতাম বিদেশি মেয়েরা বাঙালি ছেলের প্রেমের টানে চলে আসে। আজ তা নিজের চোখে দেখলাম।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

অননুমোদিত দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ

প্রেমের টানে মুসলিম হয়ে বাংলাদেশে ফিলিপিনো তরুণী

আপডেট টাইম : ০১:৫০:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ প্রেম মানে না কোনো জাতপাত, মানে না কোনো ধর্ম-বর্ণ। তারই জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত নালিনি রোজালেস ফোরেন্স নামে এক ফিলিপিনো তরুণী। তিনি প্রেমের টানে সুদূর ফিলিপাইন থেকে বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জে ছুটে এসেছেন। শুধু তাই নয়, ফোরেন্স জন্মভূমি ছেড়ে, তার ধর্ম ত্যাগ করে কিশোরগঞ্জে তার প্রেমিক রাজনকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়েও করেছেন।

রোজালেস ফোরেন্সের বাড়ি ফিলিপাইনের ভিনগেট প্রদেশের ভাগিউ সিটির সেন্ট্রাল ফেয়ারভিউ ভিলেজে। তার বাবার নাম পাপিনিয়ামো সাভান্ডাল ফোরেস এবং মায়ের নাম ক্রিসটিটা রোজালেস ফোরেস। অন্যদিকে তার প্রেমিকের নাম মো. জহিরুল ইসলাম রাজন। রাজন কিশোরগঞ্জ পৌর শহরের পুরোনো কোর্ট রোডের আব্দুর রশিদের ছেলে।

এনালিনি রোজালেস ফোরেসের সঙ্গে রাজনের পরিচয় হয় ফেসবুকে। ফেসবুক, স্কাইপ, ইমোর সৌজন্যে দীর্ঘদিন চলে তাদের প্রেমালাপ। কিন্তু ছবি কী আর মেটাতে পারে হৃদয়ের আকুলতা। তাই ফোরেন্স সব বাধা ডিঙিয়ে ফিলিপাইনের ভিনগেট প্রদেশের ভাগিউ সিটির সেন্ট্রাল ফেয়ারভিউ ভিলেজ থেকে ২৭ জুন প্রেমিক বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পুরোনো কোর্ট রোডের রাজনের সঙ্গে দেখা করতে তার বাসায় চলে আসেন।

রাজনের পরিবারের সব কিছুই ভালোলাগার পর প্রেমিক মো. জহিরুল ইসলাম রাজনের পরিবারের সম্মতিতে শুক্রবার তাদের বিয়ে হয়। শুক্রবার দুপুরে শহরের অতিথি কমিউনিটি সেন্টারে রাজন-ফোরেসের বৌ-ভাত অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়।

বিয়ের আগে ফোরেন্স ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় জান্নাতুল ফেরদৌস জান্নাত।

কিশোরগঞ্জের ছেলের সঙ্গে ফিলিপিনো মেয়ের বিয়ের ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। দূর-দূরান্ত থেকে কৌতূহলী মানুষ ছুটে আসছেন তাদের এক নজর দেখতে।

শহরের ষাটোর্ধ্ব আব্দুল জলিল বলেন, আগে খবরের কাগজে দেখতাম বিদেশি মেয়েরা বাঙালি ছেলের প্রেমের টানে চলে আসে। আজ তা নিজের চোখে দেখলাম।