ঢাকা ১১:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রেন চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি শিশুর

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৫৫:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুলাই ২০১৯
  • ৩৫৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কুষ্টিয়ার মিরপুর থেকে নানাবাড়ি গোপালগঞ্জে যাওয়ার জন্য একটি ট্রেন চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি লিখেছে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী তোয়াশ জোয়ার্দার। সে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার সুলতানপুরের মহাম্মদ আলী জোয়ার্দারের ছেলে এবং ‘আমরা নতুন শিক্ষা নিকেতন’র ছাত্র। গতকাল শনিবার তোয়াশের বাবা মহাম্মদ আলী জোয়ার্দার প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি লেখার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। খোলা কাগজের পাঠকদের জন্য চিঠিটি তুলে ধরা হলো ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পত্রের প্রথমে আমার সালাম নেবেন। আশা করি আপনি আল্লাহর রহমতে খুব ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমাদের প্রিয় মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কবুতরকে খুবই ভালোবাসতেন। আমিও কবুতরকে খুবই ভালোবাসি। আমি গত ২২ জানুয়ারি, ২০১৯ তারিখে আমার বাবা, মা, বড়ভাই, চাচা ও চাচিসহ ছয়জন মিলে পবিত্র ওমরাহ হজ পালন করতে মক্কা ও মদিনায় গিয়েছিলাম।

মদিনায় আমি ও আমার বড়ভাই কবুতরকে গম খেতে দিয়েছি। সে কারণে আপনার কাছে আমার আকুল আবেদন, আমাদের মহানবী (সা.) ও বঙ্গবন্ধুসহ সবার প্রিয় ‘কবুতর এক্সপ্রেস’ নামে একটি আন্তঃনগর ট্রেন গোপালগঞ্জ থেকে ঈশ্বরদীগামী দ্রুত চালু করবেন। যাতে করে আমি ও আমার পরিবার সবাই মিলে মিরপুর স্টেশন থেকে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর ধনগ্রামে নানুর বাড়ি যেতে পারি। আপনি আমার নানুর মতো। প্লিজ, দয়া করে আমার অনুরোধটি রাখবেন। আমি “আমরা নতুন শিক্ষা নিকেতন”-এর ২য় শ্রেণির ছাত্র। আমার রোল নম্বর ১।’

তোয়াশের বাবা মহাম্মদ আলী জোয়ার্দার জানান, ছোটবেলা থেকে সে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শোনে। ৭ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে উপজেলা পরিষদের অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ দেয় তোয়াশ। এ ছাড়া ২০১৮ সালে মহান বিজয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানেও বঙ্গবন্ধুর ভাষণ দেয় সে।

তোয়াশের নানাবাড়ি গোপালগঞ্জে। তার খুব ইচ্ছা ট্রেনে করে গোপালগঞ্জে নানাবাড়ি যাবে। তাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি লিখেছে। চিঠিটি গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর দফতর বরাবর পাঠানো হয়েছে বলে জানান শিশু তোয়াশের বাবা।

সূত্র: খোলা কাগজ

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রেন চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি শিশুর

আপডেট টাইম : ১২:৫৫:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুলাই ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কুষ্টিয়ার মিরপুর থেকে নানাবাড়ি গোপালগঞ্জে যাওয়ার জন্য একটি ট্রেন চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি লিখেছে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী তোয়াশ জোয়ার্দার। সে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার সুলতানপুরের মহাম্মদ আলী জোয়ার্দারের ছেলে এবং ‘আমরা নতুন শিক্ষা নিকেতন’র ছাত্র। গতকাল শনিবার তোয়াশের বাবা মহাম্মদ আলী জোয়ার্দার প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি লেখার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। খোলা কাগজের পাঠকদের জন্য চিঠিটি তুলে ধরা হলো ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পত্রের প্রথমে আমার সালাম নেবেন। আশা করি আপনি আল্লাহর রহমতে খুব ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমাদের প্রিয় মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কবুতরকে খুবই ভালোবাসতেন। আমিও কবুতরকে খুবই ভালোবাসি। আমি গত ২২ জানুয়ারি, ২০১৯ তারিখে আমার বাবা, মা, বড়ভাই, চাচা ও চাচিসহ ছয়জন মিলে পবিত্র ওমরাহ হজ পালন করতে মক্কা ও মদিনায় গিয়েছিলাম।

মদিনায় আমি ও আমার বড়ভাই কবুতরকে গম খেতে দিয়েছি। সে কারণে আপনার কাছে আমার আকুল আবেদন, আমাদের মহানবী (সা.) ও বঙ্গবন্ধুসহ সবার প্রিয় ‘কবুতর এক্সপ্রেস’ নামে একটি আন্তঃনগর ট্রেন গোপালগঞ্জ থেকে ঈশ্বরদীগামী দ্রুত চালু করবেন। যাতে করে আমি ও আমার পরিবার সবাই মিলে মিরপুর স্টেশন থেকে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর ধনগ্রামে নানুর বাড়ি যেতে পারি। আপনি আমার নানুর মতো। প্লিজ, দয়া করে আমার অনুরোধটি রাখবেন। আমি “আমরা নতুন শিক্ষা নিকেতন”-এর ২য় শ্রেণির ছাত্র। আমার রোল নম্বর ১।’

তোয়াশের বাবা মহাম্মদ আলী জোয়ার্দার জানান, ছোটবেলা থেকে সে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শোনে। ৭ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে উপজেলা পরিষদের অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ দেয় তোয়াশ। এ ছাড়া ২০১৮ সালে মহান বিজয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানেও বঙ্গবন্ধুর ভাষণ দেয় সে।

তোয়াশের নানাবাড়ি গোপালগঞ্জে। তার খুব ইচ্ছা ট্রেনে করে গোপালগঞ্জে নানাবাড়ি যাবে। তাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি লিখেছে। চিঠিটি গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর দফতর বরাবর পাঠানো হয়েছে বলে জানান শিশু তোয়াশের বাবা।

সূত্র: খোলা কাগজ