ঢাকা ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্তে ডিএমপির কড়াকড়ি, না সরালে আইনি ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর নতুন পে-স্কেল নিয়ে যা বললেন অর্থ উপদেষ্টা গুমের সঙ্গে জড়িত কেউ আইনের ফাঁক দিয়ে বের হতে পারবে না: আইনমন্ত্রী পাইলটকে উদ্ধারে মার্কিন অভিযান পুরোপুরি ব্যর্থ: ইরান স্পিকারের সহধর্মিণীর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিয়ে সংবিধানের সমালোচনাকারীরা স্ব-বিরোধিতায় ভুগছেন সংসদে আহত জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে আবেগঘন পরিবেশে প্রধানমন্ত্রী বাধ্যতামূলক অবসর-চাকরিচ্যুতির বিধান রেখে সরকারি চাকরি সংশোধন বিল পাস ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন পেলেন নোবেল ২০২৫ সালে ১১ লাখ ৩২ হাজার কর্মী বিদেশে কর্মসংস্থান হয়েছে: আরিফুল হক চৌধুরী

কমলগঞ্জ উপজেলার ১৫টি চা শ্রমিকের জন্য পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে ১টি প্রকল্প

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:১৬:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০১৯
  • ৩৬৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বিশুদ্ধ খাবার পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ১৫টি চা-বাগানে পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার। সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে জোগান দেওয়া এ অর্থ স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর সূত্র জানিয়েছে, কমলগঞ্জ উপজেলার ১৫টি চা-বাগানে প্রায় ৫২ হাজার ৫০০ জন শ্রমিক কাজ করেন।

এদের মধ্যে ৭৫ শতাংশই নারী। এসব চা-বাগানে পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা নাজুক ও অপ্রতুল। তাই মানবিক দিক বিবেচনায় পরিবেশ রক্ষার মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতে উন্নতির জন্য বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশনের ওপর গুরুত্বারোপ করে ‘চা-বাগান কর্মীদের জন্য নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন’ শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর এটি বাস্তবায়ন করবে। ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পের আওতায় চা-বাগানে বিশুদ্ধ পানি সংরক্ষণে বাগানগুলোতে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং সিস্টেম ১১টি, রিং ওয়েল ১৩৬টি, অগভীর নলকূপ ১০৪টি, গভীর নলকূপ ১৮৩টি, অগভীর ও গভীর তারা নলকূপ স্থাপন করা হবে ৮১টি। এ ছাড়া কমিউনিটি ল্যাট্রিন স্থাপিত হবে ১৫টি ও ইমপ্রোভড ল্যাট্রিন ১৩৪৬টি স্থাপন করা হবে। এ ছাড়াও প্রকল্পের আওতায় বাগানের কর্মী ও তত্ত্বাবধায়নকারীদের জন্য কারিগরি, স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও হাইজিন প্রমোশন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

কমলগঞ্জ উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. পনিরুজ্জামান জানান, দীর্ঘদিন ধরে চা-বাগানগুলোয় নিয়োজিত শ্রমিকদের জন্য বিশুদ্ধ পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা ছিল না। এতে শ্রমিকরা মানবেতর জীবনযাপন করত। বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশনের অভাবে তারা নানা রোগে আক্রান্ত হতো। বিষয়টি মানবিক বিধায় সরকার এ প্রকল্পটি গ্রহণ করেছে। এটি বাস্তবায়িত হলে চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমান উন্নত হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। চা-বাগান ব্যবস্থাপকদের কাছে সাইট সিলেকশনের জন্য পত্র দেওয়া হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্তে ডিএমপির কড়াকড়ি, না সরালে আইনি ব্যবস্থা

কমলগঞ্জ উপজেলার ১৫টি চা শ্রমিকের জন্য পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে ১টি প্রকল্প

আপডেট টাইম : ০৪:১৬:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বিশুদ্ধ খাবার পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ১৫টি চা-বাগানে পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার। সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে জোগান দেওয়া এ অর্থ স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর সূত্র জানিয়েছে, কমলগঞ্জ উপজেলার ১৫টি চা-বাগানে প্রায় ৫২ হাজার ৫০০ জন শ্রমিক কাজ করেন।

এদের মধ্যে ৭৫ শতাংশই নারী। এসব চা-বাগানে পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা নাজুক ও অপ্রতুল। তাই মানবিক দিক বিবেচনায় পরিবেশ রক্ষার মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতে উন্নতির জন্য বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশনের ওপর গুরুত্বারোপ করে ‘চা-বাগান কর্মীদের জন্য নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন’ শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর এটি বাস্তবায়ন করবে। ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পের আওতায় চা-বাগানে বিশুদ্ধ পানি সংরক্ষণে বাগানগুলোতে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং সিস্টেম ১১টি, রিং ওয়েল ১৩৬টি, অগভীর নলকূপ ১০৪টি, গভীর নলকূপ ১৮৩টি, অগভীর ও গভীর তারা নলকূপ স্থাপন করা হবে ৮১টি। এ ছাড়া কমিউনিটি ল্যাট্রিন স্থাপিত হবে ১৫টি ও ইমপ্রোভড ল্যাট্রিন ১৩৪৬টি স্থাপন করা হবে। এ ছাড়াও প্রকল্পের আওতায় বাগানের কর্মী ও তত্ত্বাবধায়নকারীদের জন্য কারিগরি, স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও হাইজিন প্রমোশন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

কমলগঞ্জ উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. পনিরুজ্জামান জানান, দীর্ঘদিন ধরে চা-বাগানগুলোয় নিয়োজিত শ্রমিকদের জন্য বিশুদ্ধ পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা ছিল না। এতে শ্রমিকরা মানবেতর জীবনযাপন করত। বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশনের অভাবে তারা নানা রোগে আক্রান্ত হতো। বিষয়টি মানবিক বিধায় সরকার এ প্রকল্পটি গ্রহণ করেছে। এটি বাস্তবায়িত হলে চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমান উন্নত হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। চা-বাগান ব্যবস্থাপকদের কাছে সাইট সিলেকশনের জন্য পত্র দেওয়া হয়েছে।