ঢাকা ০১:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্যাংকে পুরোনো মালিকদের ফেরার পথ বন্ধ চায় সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রীকে দুই বিষয়ে সতর্ক থাকতে বললেন মির্জা আব্বাস ১১ দলীয় ঐক্যের বিশাল সমাবেশ জনগণের প্রয়োজনে যেকোনো সময় আন্দোলনের ডাক: ডা. শফিকুর রহমান ইতিহাসের সেরা ২ নারী গোয়েন্দা ৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র, লক্ষ্য কী দক্ষিণখানে অস্ত্র-মাদকসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

ধূমপানের চেয়েও ক্ষতিকর যেসব খাবার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৬:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯
  • ৩৫৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আমরা খাবার খাই বাঁচার জন্য। তবে যদি বলা হয় এ খাবারই মৃত্যুর জন্য দায়ী, তাহলে কী বললেন? এজন্য সুস্থ থাকতে হলে বেছে বেছে খাওয়া জরুরি। কারণ শুধু ডায়েটের কারণেই প্রতি পাঁচজনে একজনের জীবনের আয়ু কমে যাচ্ছে। এক সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, প্রতি বছর এক কোটিরও বেশি মানুষ মারা যাচ্ছে শুধু খাবারের কারণেই। আর এ তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক জনস্বাস্থ্য ও চিকিৎসাবিষয়ক সাময়িকী ল্যানসেট।

ল্যানসেটে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, দৈনন্দিন যে খাদ্য তালিকা সেটিই ধূমপানের চেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটায় এবং বিশ্বব্যাপী প্রতি পাঁচটি মৃত্যুর মধ্যে একটির জন্য এই ডায়েট বা খাবারই দায়ী।

গবেষকরা বলছেন, এই গবেষণা শুধু মাত্র স্থূলতার বিষয়ে নয় বরং দেখা হয়েছে কীভাবে নিম্নমানের খাদ্যাভ্যাস (পুওর কোয়ালিটি) হৃদযন্ত্রের ক্ষতি করছে বা ক্যানসারের কারণ হচ্ছে।

দ্য গ্লোবাল বার্ডেন অব ডিজেস স্টাডি হলো গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যবেক্ষণ যেখানে দেখা হয়েছে কীভাবে বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে মানুষ মারা যাচ্ছে। এতে বিপদজনক খাদ্য হিসেবে যেসব উপাদানের কথা বলা হচ্ছে তা হলো-

১. অতিরিক্ত লবণ- ৩০লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ।
২. কম দানাদার শস্য খাওয়া-৩০ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ।
৩. ফলমূল কম খাওয়া-২০ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ।

এ ছাড়া বাদাম, বীজ, শাক-সবজি, সামুদ্রিক থেকে পাওয়া ওমেগা-৩ এবং আঁশ জাতীয় খাবারের পরিমাণ কম হওয়াটাও মৃত্যুর বড় কারণগুলোর অন্যতম।

ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ক্রিস্টোফার মুরে বলছেন, ‘ডায়েটকেই আমরা স্বাস্থ্যের অন্যতম প্রধান পরিচালক হিসেবে পেয়েছি। এটা সত্যিই অনেক গভীর।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ধূমপানের চেয়েও ক্ষতিকর যেসব খাবার

আপডেট টাইম : ১১:০৬:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আমরা খাবার খাই বাঁচার জন্য। তবে যদি বলা হয় এ খাবারই মৃত্যুর জন্য দায়ী, তাহলে কী বললেন? এজন্য সুস্থ থাকতে হলে বেছে বেছে খাওয়া জরুরি। কারণ শুধু ডায়েটের কারণেই প্রতি পাঁচজনে একজনের জীবনের আয়ু কমে যাচ্ছে। এক সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, প্রতি বছর এক কোটিরও বেশি মানুষ মারা যাচ্ছে শুধু খাবারের কারণেই। আর এ তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক জনস্বাস্থ্য ও চিকিৎসাবিষয়ক সাময়িকী ল্যানসেট।

ল্যানসেটে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, দৈনন্দিন যে খাদ্য তালিকা সেটিই ধূমপানের চেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটায় এবং বিশ্বব্যাপী প্রতি পাঁচটি মৃত্যুর মধ্যে একটির জন্য এই ডায়েট বা খাবারই দায়ী।

গবেষকরা বলছেন, এই গবেষণা শুধু মাত্র স্থূলতার বিষয়ে নয় বরং দেখা হয়েছে কীভাবে নিম্নমানের খাদ্যাভ্যাস (পুওর কোয়ালিটি) হৃদযন্ত্রের ক্ষতি করছে বা ক্যানসারের কারণ হচ্ছে।

দ্য গ্লোবাল বার্ডেন অব ডিজেস স্টাডি হলো গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যবেক্ষণ যেখানে দেখা হয়েছে কীভাবে বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে মানুষ মারা যাচ্ছে। এতে বিপদজনক খাদ্য হিসেবে যেসব উপাদানের কথা বলা হচ্ছে তা হলো-

১. অতিরিক্ত লবণ- ৩০লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ।
২. কম দানাদার শস্য খাওয়া-৩০ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ।
৩. ফলমূল কম খাওয়া-২০ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ।

এ ছাড়া বাদাম, বীজ, শাক-সবজি, সামুদ্রিক থেকে পাওয়া ওমেগা-৩ এবং আঁশ জাতীয় খাবারের পরিমাণ কম হওয়াটাও মৃত্যুর বড় কারণগুলোর অন্যতম।

ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ক্রিস্টোফার মুরে বলছেন, ‘ডায়েটকেই আমরা স্বাস্থ্যের অন্যতম প্রধান পরিচালক হিসেবে পেয়েছি। এটা সত্যিই অনেক গভীর।’