ঢাকা ১০:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

নির্ধারিত সময়ের আগেই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ, পলক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:২৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯
  • ৩০৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যতদিন মানুষের সেবা করার সুযোগ পাবে এবং সজিব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে যতদিন আইসিটি সেক্টর থাকবে ততদিন তরুণরা নির্ধারিত সময়ের আগে এগিয়ে যাবে।

শনিবার দুপুরে হোটেল সোনাগাঁওয়ে ‘বিজনেস প্রোসেসিং আউটসোর্সিং (বিপিও) চতুর্থ সামিট’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। পলক বলেন, আমাদের অনুষ্ঠানের সময় ছিল সকাল ১০টা কিন্তু প্রধান অতিথি এসেছেন ১৫ মিনি আগে, আমরা অনুষ্ঠানও শুরু করেছি ১০ মিটিন আগে। আর এভাবেই আওয়ামী লীগের হাত ধরে নির্ধারিত সময়ের আগেই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিপিও সেক্টর শুরু হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, লাইসেন্সসহ বিপিও’র সকল কাজ শুরু হয় ২০০৯ সালে। তখন মাত্র ৩শ জন কর্মী নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল এই প্রতিষ্ঠানটি। আজকে আমরা গর্বিত যে, এই প্রসেসের মাধ্যমে প্রায় ৫০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে, তরুণদের কর্মসংস্থান হয়েছে আউট আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে। এখানে শুধু বাংলাদেশের সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানই নয়, ইউরোপ, আমেরিকাসহ অনেক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের সেবা গ্রহণ করছে। বাংলাদেশের তরুণরা প্রমাণ করেছে, তারা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ করতে পারে।

তিনি বলেন, সবাই মিলে সরকারের যে ভিশন, তা বাস্তবায়ন করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। বাংলাদেশের তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত কতে বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। প্রথমত পলিসি সাপোর্ট, একটি দেশ যদি তার পলিসি সাপোর্ট না দেয়, কখনই বেসরকারি খাত বিকশিত হয় না। আজকে যে আইসিটি সেক্টরের উন্নয়ন হয়েছে, তা এমনি এমনি হয়নি। এজন্য ইলেক্ট্রিসিটি, ইন্টারনেট, একোমোডেশন, পলিসি এবং হিউম্যান রিসোর্সে ৫টি বিষয় সরকার যদি নিশ্চত করতে না পারে, তাহলে কিন্তু বিপিও সেক্টর এগিয়ে যেতে পারে না।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য) আয়োজিত বিপিও সামিটের চতুর্থ আসরের উদ্বোধনী দিনে এসেছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব এন এম জিয়াউল আলম, ডাক ও টেলিকম সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস, বিটিআরসি চেয়ারম্যান জহুরুল হক, হাইটেক পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম ও বাক্যর সভাপতি ওয়াহিদ শরীফ।

এ আয়োজনে সহযোগিতা করছে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি অধিদপ্তর। আয়োজনে অংশীদার হিসেবে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস), বাংলাদেশ উইমেন ইন টেকনোলজি (বিডব্লিউআইটি), আইএসপি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি), বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইমপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশন (বিএমপিআইএ)।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

নির্ধারিত সময়ের আগেই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ, পলক

আপডেট টাইম : ১১:২৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যতদিন মানুষের সেবা করার সুযোগ পাবে এবং সজিব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে যতদিন আইসিটি সেক্টর থাকবে ততদিন তরুণরা নির্ধারিত সময়ের আগে এগিয়ে যাবে।

শনিবার দুপুরে হোটেল সোনাগাঁওয়ে ‘বিজনেস প্রোসেসিং আউটসোর্সিং (বিপিও) চতুর্থ সামিট’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। পলক বলেন, আমাদের অনুষ্ঠানের সময় ছিল সকাল ১০টা কিন্তু প্রধান অতিথি এসেছেন ১৫ মিনি আগে, আমরা অনুষ্ঠানও শুরু করেছি ১০ মিটিন আগে। আর এভাবেই আওয়ামী লীগের হাত ধরে নির্ধারিত সময়ের আগেই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিপিও সেক্টর শুরু হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, লাইসেন্সসহ বিপিও’র সকল কাজ শুরু হয় ২০০৯ সালে। তখন মাত্র ৩শ জন কর্মী নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল এই প্রতিষ্ঠানটি। আজকে আমরা গর্বিত যে, এই প্রসেসের মাধ্যমে প্রায় ৫০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে, তরুণদের কর্মসংস্থান হয়েছে আউট আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে। এখানে শুধু বাংলাদেশের সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানই নয়, ইউরোপ, আমেরিকাসহ অনেক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের সেবা গ্রহণ করছে। বাংলাদেশের তরুণরা প্রমাণ করেছে, তারা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ করতে পারে।

তিনি বলেন, সবাই মিলে সরকারের যে ভিশন, তা বাস্তবায়ন করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। বাংলাদেশের তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত কতে বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। প্রথমত পলিসি সাপোর্ট, একটি দেশ যদি তার পলিসি সাপোর্ট না দেয়, কখনই বেসরকারি খাত বিকশিত হয় না। আজকে যে আইসিটি সেক্টরের উন্নয়ন হয়েছে, তা এমনি এমনি হয়নি। এজন্য ইলেক্ট্রিসিটি, ইন্টারনেট, একোমোডেশন, পলিসি এবং হিউম্যান রিসোর্সে ৫টি বিষয় সরকার যদি নিশ্চত করতে না পারে, তাহলে কিন্তু বিপিও সেক্টর এগিয়ে যেতে পারে না।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য) আয়োজিত বিপিও সামিটের চতুর্থ আসরের উদ্বোধনী দিনে এসেছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব এন এম জিয়াউল আলম, ডাক ও টেলিকম সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস, বিটিআরসি চেয়ারম্যান জহুরুল হক, হাইটেক পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম ও বাক্যর সভাপতি ওয়াহিদ শরীফ।

এ আয়োজনে সহযোগিতা করছে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি অধিদপ্তর। আয়োজনে অংশীদার হিসেবে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস), বাংলাদেশ উইমেন ইন টেকনোলজি (বিডব্লিউআইটি), আইএসপি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি), বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইমপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশন (বিএমপিআইএ)।