ঢাকা ০৬:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

অনির্দিষ্ট সংখ্যক অভিবাসী গ্রহণের বিপক্ষে স্লোভেনিয়া

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৪৩:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৫
  • ৬৭৪ বার

স্লোভেনিয়া সতর্ক করে দিয়ে বলেছে যে তাদের পক্ষে অনির্দিষ্ট সংখ্যক অভিবাসী গ্রহণ করা সম্ভব না, যদি না দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় প্রতিবেশী অস্ট্রিয়া বলে যে এদের ঢুকতে দেয়া হবে। অন্যদিকে হাঙ্গেরী অভিবাসীদের জন্যে তাদের সীমান্ত বন্ধ করার পর দক্ষিণের প্রতিবেশী ক্রোয়েশিয়া প্রতিদিন পাঁচ হাজার অভিবাসীকে গ্রহণ করতে স্লোভেনিয়ার প্রতি আহবান জানিয়েছে।
স্লোভেনিয়া বলছে, এর অর্ধেক পরিমাণ অভিবাসীকে তারা গ্রহণ করবে। দেশটি বলেছে, এখন থেকে রোজ সর্বোচ্চ আড়াই হাজার অভিবাসীকে সীমানা অতিক্রম করার অনুমতি দেয়া হবে।
তবে প্রতিদিন সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার শরণার্থীকে স্লোভেনিয়ার সীমানায় প্রবেশের অনুমতি দিতে একসময় স্লোভেনিয়াকে অনুরোধ জানিয়েছিল প্রতিবেশী রাষ্ট্র ক্রোয়েশিয়া। কিন্তু স্লোভেনিয়ার পক্ষে ক্রোয়েশিয়ার অনুরোধ রাখা আর সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
কারণ হিসেবে তাঁরা বলেন, অস্ট্রিয়া দৈনিক দেড় হাজার অভিবাসী নেবে বলে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা বেঁধে দিয়েছে। সুতরাং তাদের পক্ষে রোজ পাঁচ হাজার করে অভিবাসী গ্রহণ সম্ভব নয়। স্লোভেনিয়া ও ক্রোয়েশিয়ায় অভিবাসী হিসেবে যারা আসছেন, তাদের অধিকাংশই আফগানিস্তান, সিরিয়া ও ইরাকের নাগরিক।
আর তাঁরা জার্মানী, নরওয়ে ও অস্ট্রিয়ার মত পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোতে পৌঁছানোর উদ্দেশ্যেই স্লোভেনিয়া ও ক্রোয়েশিয়াকে মূলত ট্রানজিট হিসেবেই ব্যবহার করছে।
এদিকে, তুরস্ক বলেছে যে ইউরোপে শরনার্থীর ঢল কিভাবে বন্ধ করা যায় তা নিয়ে জামার্নীর সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে।
আরো কয়েকে হাজার মানুষ এখন তুরস্ক হয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে ঢোকার চেষ্টা করছে। ইস্তানবুলে জামার্নীর চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের সঙ্গে বৈঠকের পর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইইপ এরদোয়ান বলেন, তাঁরা আরো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে রাজী হয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

অনির্দিষ্ট সংখ্যক অভিবাসী গ্রহণের বিপক্ষে স্লোভেনিয়া

আপডেট টাইম : ০৯:৪৩:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৫

স্লোভেনিয়া সতর্ক করে দিয়ে বলেছে যে তাদের পক্ষে অনির্দিষ্ট সংখ্যক অভিবাসী গ্রহণ করা সম্ভব না, যদি না দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় প্রতিবেশী অস্ট্রিয়া বলে যে এদের ঢুকতে দেয়া হবে। অন্যদিকে হাঙ্গেরী অভিবাসীদের জন্যে তাদের সীমান্ত বন্ধ করার পর দক্ষিণের প্রতিবেশী ক্রোয়েশিয়া প্রতিদিন পাঁচ হাজার অভিবাসীকে গ্রহণ করতে স্লোভেনিয়ার প্রতি আহবান জানিয়েছে।
স্লোভেনিয়া বলছে, এর অর্ধেক পরিমাণ অভিবাসীকে তারা গ্রহণ করবে। দেশটি বলেছে, এখন থেকে রোজ সর্বোচ্চ আড়াই হাজার অভিবাসীকে সীমানা অতিক্রম করার অনুমতি দেয়া হবে।
তবে প্রতিদিন সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার শরণার্থীকে স্লোভেনিয়ার সীমানায় প্রবেশের অনুমতি দিতে একসময় স্লোভেনিয়াকে অনুরোধ জানিয়েছিল প্রতিবেশী রাষ্ট্র ক্রোয়েশিয়া। কিন্তু স্লোভেনিয়ার পক্ষে ক্রোয়েশিয়ার অনুরোধ রাখা আর সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
কারণ হিসেবে তাঁরা বলেন, অস্ট্রিয়া দৈনিক দেড় হাজার অভিবাসী নেবে বলে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা বেঁধে দিয়েছে। সুতরাং তাদের পক্ষে রোজ পাঁচ হাজার করে অভিবাসী গ্রহণ সম্ভব নয়। স্লোভেনিয়া ও ক্রোয়েশিয়ায় অভিবাসী হিসেবে যারা আসছেন, তাদের অধিকাংশই আফগানিস্তান, সিরিয়া ও ইরাকের নাগরিক।
আর তাঁরা জার্মানী, নরওয়ে ও অস্ট্রিয়ার মত পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোতে পৌঁছানোর উদ্দেশ্যেই স্লোভেনিয়া ও ক্রোয়েশিয়াকে মূলত ট্রানজিট হিসেবেই ব্যবহার করছে।
এদিকে, তুরস্ক বলেছে যে ইউরোপে শরনার্থীর ঢল কিভাবে বন্ধ করা যায় তা নিয়ে জামার্নীর সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে।
আরো কয়েকে হাজার মানুষ এখন তুরস্ক হয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে ঢোকার চেষ্টা করছে। ইস্তানবুলে জামার্নীর চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের সঙ্গে বৈঠকের পর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইইপ এরদোয়ান বলেন, তাঁরা আরো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে রাজী হয়েছেন।