ঢাকা ১১:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

রক্তশূণ্যতা দূর করে মূলা শাক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৫৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অগাস্ট ২০১৮
  • ৪০১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মূলা শীতকালীন সবজি হলেও এখন প্রায় সারাবছরই পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূলার চেয়ে এর শাক বেশি উপকারী। এই শাকও এখন প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায়।

মূলায় যে পরিমাণ পুষ্টি উপাদান আছে তার তুলনায় এর শাকে পুষ্টি বেশি থাকে। এতে বিভিন্ন ধরনের খনিজ যেমন-আয়রণ, ক্যালসিয়াম, ফলিক এসিড, ফসফরাস এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে।

মূলা শাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে যা কোষ্টকাঠিন্য কমায়, পাকস্থলী ভালো রাখে।

এই শাক আয়রণের জন্য আদর্শ। এটি রক্তশূণ্যতা দূর করতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে মুলা শাকে থাকা আয়রণ এবং ফসফরাস ফাটিগো কমায়, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

মূলা শাকের জুস প্রাকৃতিকভাবে ইউরিনারি ব্লাডার পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

মূলা শাকে অবিশ্বাস্য পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। এটি স্কার্ভি নামক চর্মরোগ সারাতে সাহায্য করে। মূলা শাকে মুলার চেয়ে বেশি এন্টিসারব্যাটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, মূলা শাক পাইলসের ব্যথা সারাতে বেশ কার্যকরী। এছাড়া পাইলসের প্রদাহ সারাতেও এই শাক ভূমিকা রাখে।

মূলা শাক জন্ডিসের চিকিৎসাতেও ভাল কাজ করে। জন্ডিস হলে এই শাকের জুস যদি প্রতিদিন খাওয়া হয় তাহলে উপকার পাওয়া যায়।

হাঁটুর ব্যথা কমাতে মুলা শাক বিশেষ ভূমিকা রাখে। এজন্য শাক ভালোভাবে পিষে তাতে সম পরিমাণে চিনি আর সামান্য পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। তারপর আক্রান্ত স্থানে তা লাগান। তাহলে হাঁটুর ব্যথায় আরাম পাওয়া যাবে।

ডায়াবেটিসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতেও মূলা শাক বেশ কার্যকরী । এছাড়া শরীর থেকে টক্সিন বের করতেও মুলা শাক বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সূত্র :  স্টাইলক্রেজ

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

রক্তশূণ্যতা দূর করে মূলা শাক

আপডেট টাইম : ০৪:৫৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অগাস্ট ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মূলা শীতকালীন সবজি হলেও এখন প্রায় সারাবছরই পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূলার চেয়ে এর শাক বেশি উপকারী। এই শাকও এখন প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায়।

মূলায় যে পরিমাণ পুষ্টি উপাদান আছে তার তুলনায় এর শাকে পুষ্টি বেশি থাকে। এতে বিভিন্ন ধরনের খনিজ যেমন-আয়রণ, ক্যালসিয়াম, ফলিক এসিড, ফসফরাস এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে।

মূলা শাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে যা কোষ্টকাঠিন্য কমায়, পাকস্থলী ভালো রাখে।

এই শাক আয়রণের জন্য আদর্শ। এটি রক্তশূণ্যতা দূর করতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে মুলা শাকে থাকা আয়রণ এবং ফসফরাস ফাটিগো কমায়, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

মূলা শাকের জুস প্রাকৃতিকভাবে ইউরিনারি ব্লাডার পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

মূলা শাকে অবিশ্বাস্য পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। এটি স্কার্ভি নামক চর্মরোগ সারাতে সাহায্য করে। মূলা শাকে মুলার চেয়ে বেশি এন্টিসারব্যাটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, মূলা শাক পাইলসের ব্যথা সারাতে বেশ কার্যকরী। এছাড়া পাইলসের প্রদাহ সারাতেও এই শাক ভূমিকা রাখে।

মূলা শাক জন্ডিসের চিকিৎসাতেও ভাল কাজ করে। জন্ডিস হলে এই শাকের জুস যদি প্রতিদিন খাওয়া হয় তাহলে উপকার পাওয়া যায়।

হাঁটুর ব্যথা কমাতে মুলা শাক বিশেষ ভূমিকা রাখে। এজন্য শাক ভালোভাবে পিষে তাতে সম পরিমাণে চিনি আর সামান্য পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। তারপর আক্রান্ত স্থানে তা লাগান। তাহলে হাঁটুর ব্যথায় আরাম পাওয়া যাবে।

ডায়াবেটিসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতেও মূলা শাক বেশ কার্যকরী । এছাড়া শরীর থেকে টক্সিন বের করতেও মুলা শাক বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সূত্র :  স্টাইলক্রেজ