ঢাকা ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

শীতে পায়ের গোড়ালি ফেটে গেলে করণীয়

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১৭:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২০৫ বার

শীতে অনেকেরই পা ফাটে। পা না ফাটলেও ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে, কারও চামড়া ওঠে। তাই সবারই কমবেশি আলাদা করে পায়ের যত্ন নেওয়া উচিত। পায়ের গোড়ালি ফেটে যাওয়া কষ্টকর ও বিব্রতকর সমস্যা।

কারণ

শীতে পানি কম পান করার কারণে শরীর ডিহাইড্রেট থাকে। তা ছাড়া শীতে বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকে। আবার পা নোংরা থাকার কারণেও ফাটতে থাকে। পা ফাটার অন্যান্য কারণ হলো:

খালি পায়ে হাঁটা, দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে কাজ করা, শক্ত জুতা পরা, ধুলাবালুতে কাজ করা, পরিমিত পানি পান না করা। ভিটামিন এ, সি এবং ই–এর অভাব।

কিছু রোগের কারণেও পা ফাটে, যেমন জিনবাহিত রোগ পামোপ্ল্যান্টার কেরাটোডার্মায় রোগীর ত্বক পুরু হয়। মোটা ও পুরু চামড়া সংগত কারণেই খসখসে এবং শক্ত হতে থাকে, যা অত্যধিক শুষ্কতায় ফেটে যায়।

সোরিয়াসিস একধরনের চর্মরোগ; যার প্রকোপ বাড়ে শীতে। এ রোগে হাত–পায়ে চাকা দাগ হয়, চুলকানি দেখা দেয়। চামড়া ওঠাও এ রোগের লক্ষণ। হাত–পায়ের তালুতে সোরিয়াসিস হলে আক্রান্ত স্থান ফেটে গিয়ে লাল মাংস দেখা যায়। শীতে এ ফাটা বেড়ে যায়।

টিরিয়াসিস রুব্রা পাইলারিস জিনবাহিত রোগটি যাঁদের আছে, শীতে তাঁদের হাত–পা প্রচণ্ড শুষ্ক হয়ে যায় এবং পা ফেটে যায়।

পা ফাটা কেন খারাপ

পা ফাটলে গোড়ালিতে যন্ত্রণা হয়। পায়ের ত্বকে ইনফেকশন হতে পারে, পায়ে ব্যথা অনুভূত হয়, পা ফুলে যায় এবং দৈনন্দিন চলাফেরা ব্যাহত হয়। ফাটা স্থানে জীবাণুর সংক্রমণের ফলে ঘা হতে পারে। বিশেষ করে ডায়াবেটিস থাকলে সমস্যা প্রকট হতে পারে।

করণীয়

পা ফাটা সমস্যা প্রতিকারের প্রথম ও প্রধান শর্ত, ত্বক নরম রাখা। তাই শীতের সময় যা করতে হবে তা হলো, খালি পায়ে না হাঁটা। আরামদায়ক নরম জুতা ও সুতি মোজা পরা।

রোজ দুই থেকে আড়াই লিটার পানি পান করা। নিয়মিত পা ধুয়ে–মুছে কিছুটা ভেজা থাকা অবস্থায় লোশন বা ভ্যাসলিন ব্যবহার করা।

পা ফাটা থাকলে ঝামা পাথর বা পিউমিস পাথর দিয়ে ঘষে মরা চামড়া তুলে ফেলা এবং পরে নারকেল তেল মালিশ করা।

আধা বালতি কুসুম গরম পানিতে এক চিমটি লবণ দিয়ে পা আধা ঘণ্টা ডুবিয়ে রাখলে বেশ আরাম পাওয়া যায়। এ ছাড়া সমপরিমাণ গ্লিসারিন ও গোলাপজলের মিশ্রণ পায়ের ফাটা স্থানে লাগিয়ে সারা রাত রেখে দিন। এতে পা ফাটা ও ব্যথা কমবে।

নিয়মিত যত্নের পরও যদি পা ফাটা সমস্যা না কমে, তবে অবশ্যই ত্বক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

শীতে পায়ের গোড়ালি ফেটে গেলে করণীয়

আপডেট টাইম : ১১:১৭:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৫

শীতে অনেকেরই পা ফাটে। পা না ফাটলেও ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে, কারও চামড়া ওঠে। তাই সবারই কমবেশি আলাদা করে পায়ের যত্ন নেওয়া উচিত। পায়ের গোড়ালি ফেটে যাওয়া কষ্টকর ও বিব্রতকর সমস্যা।

কারণ

শীতে পানি কম পান করার কারণে শরীর ডিহাইড্রেট থাকে। তা ছাড়া শীতে বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকে। আবার পা নোংরা থাকার কারণেও ফাটতে থাকে। পা ফাটার অন্যান্য কারণ হলো:

খালি পায়ে হাঁটা, দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে কাজ করা, শক্ত জুতা পরা, ধুলাবালুতে কাজ করা, পরিমিত পানি পান না করা। ভিটামিন এ, সি এবং ই–এর অভাব।

কিছু রোগের কারণেও পা ফাটে, যেমন জিনবাহিত রোগ পামোপ্ল্যান্টার কেরাটোডার্মায় রোগীর ত্বক পুরু হয়। মোটা ও পুরু চামড়া সংগত কারণেই খসখসে এবং শক্ত হতে থাকে, যা অত্যধিক শুষ্কতায় ফেটে যায়।

সোরিয়াসিস একধরনের চর্মরোগ; যার প্রকোপ বাড়ে শীতে। এ রোগে হাত–পায়ে চাকা দাগ হয়, চুলকানি দেখা দেয়। চামড়া ওঠাও এ রোগের লক্ষণ। হাত–পায়ের তালুতে সোরিয়াসিস হলে আক্রান্ত স্থান ফেটে গিয়ে লাল মাংস দেখা যায়। শীতে এ ফাটা বেড়ে যায়।

টিরিয়াসিস রুব্রা পাইলারিস জিনবাহিত রোগটি যাঁদের আছে, শীতে তাঁদের হাত–পা প্রচণ্ড শুষ্ক হয়ে যায় এবং পা ফেটে যায়।

পা ফাটা কেন খারাপ

পা ফাটলে গোড়ালিতে যন্ত্রণা হয়। পায়ের ত্বকে ইনফেকশন হতে পারে, পায়ে ব্যথা অনুভূত হয়, পা ফুলে যায় এবং দৈনন্দিন চলাফেরা ব্যাহত হয়। ফাটা স্থানে জীবাণুর সংক্রমণের ফলে ঘা হতে পারে। বিশেষ করে ডায়াবেটিস থাকলে সমস্যা প্রকট হতে পারে।

করণীয়

পা ফাটা সমস্যা প্রতিকারের প্রথম ও প্রধান শর্ত, ত্বক নরম রাখা। তাই শীতের সময় যা করতে হবে তা হলো, খালি পায়ে না হাঁটা। আরামদায়ক নরম জুতা ও সুতি মোজা পরা।

রোজ দুই থেকে আড়াই লিটার পানি পান করা। নিয়মিত পা ধুয়ে–মুছে কিছুটা ভেজা থাকা অবস্থায় লোশন বা ভ্যাসলিন ব্যবহার করা।

পা ফাটা থাকলে ঝামা পাথর বা পিউমিস পাথর দিয়ে ঘষে মরা চামড়া তুলে ফেলা এবং পরে নারকেল তেল মালিশ করা।

আধা বালতি কুসুম গরম পানিতে এক চিমটি লবণ দিয়ে পা আধা ঘণ্টা ডুবিয়ে রাখলে বেশ আরাম পাওয়া যায়। এ ছাড়া সমপরিমাণ গ্লিসারিন ও গোলাপজলের মিশ্রণ পায়ের ফাটা স্থানে লাগিয়ে সারা রাত রেখে দিন। এতে পা ফাটা ও ব্যথা কমবে।

নিয়মিত যত্নের পরও যদি পা ফাটা সমস্যা না কমে, তবে অবশ্যই ত্বক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।