ঢাকা ০২:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

বিচারবর্হিভূত সব হত্যাকাণ্ডই অবৈধ: সুলাতানা কামাল

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৩৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫
  • ৩৫৭ বার

শুধু অপারেশন ক্লিন হার্টের সময় নয়, যে সময়ই বিচারবর্হিভূত হত্যাকাণ্ড ঘটুক না কেন, সেটা অবৈধ৷’ আর অবৈধ এ সব হত্যাকাণ্ডকে দায়মুক্তি দিয়ে বিগত সরকার যে আইন করেছিল, এবার সেটাকে অবৈধ ও অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা করল হাইকোর্ট৷ ২০০২ সালের ১৬ই অক্টোবর থেকে ২০০৩ সালের ৯ই জানুয়ারি পর্যন্ত সেনাবাহিনী, তৎকালীন বিডিআর, পুলিশ, আনসার ও বেসরকারি প্রশাসনের সহায়তায় যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়৷ তৎকালীন বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিধান, সন্ত্রাস দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য এই অভিযানের নির্দেশ দেয়৷ পরে ২০০৩ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি যৌথ অভিযানের দায়মুক্তি দিয়ে সংসদে আইন পাশ করে সরকার৷ এরপর গত রবিবার হাইকোর্ট ওই দায়মুক্তিকে অবৈধ ও অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা করে৷ বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে ডয়চে ভেলের মুখোমুখি হন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল৷
ডিডাব্লিউ: এর আগেও কি কখনও এই ধরনের দায়মুক্তিকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে?
সুলতানা কামাল: বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পরও একই ঘটনা ঘটেছিল৷ সেক্ষেত্রে হত্যাকারীদের দায়মুক্তি দেয়া হয়েছিল৷ পরে সেই দায়মুক্তিকে অবৈধ ঘোষণা করে আদালত৷ এরপর অবশ্য বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার হয়৷ আর এক্ষেত্রেও ঐ একই ঘটনা ঘটেছে৷ এটা খুবই স্বাভাবিক যে, এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে আর দায়মুক্তি দেয়া যায় না৷ সেটা তো আইন বর্হিভূত, পাশাপাশি অসাংবিধানিকও বটে৷
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল৷
উচ্চ আদালত সেই কাজটা করেছে৷ যার অর্থ, এখন ওই সময়কার ক্ষতিগ্রস্ত কেউ চাইলে বিচার চাইতে বা ক্ষতিপূরণ চেয়ে আদালতে মামলা করতে পারেন৷
এখনো তো দেশে বিচারবর্হিভূত হত্যাকাণ্ড ঘটছে?
শুধু অপারেশন ক্লিন হার্টের সময় নয়, যে কোনো বিচারবর্হিভূত হত্যাকাণ্ডই অবৈধ৷ এখনো যেসব বিচারবর্হিভূত হত্যাকাণ্ড ঘটছে সেগুলোও অবৈধ৷ আমরা হাজার বার বলছি যে, বিচারবির্হভূত হত্যাকাণ্ড ঘটা উচিত নয়৷ এটা ঘটতে দেয়াও উচিত নয়৷ একটি গণতান্ত্রিক দেশে এভাবে চলতে পারে না৷ এর একটা শেষ হওয়া উচিত৷ আমরা এর অব্যহত প্রতিবাদ করছি৷ আমার মতে, সরকারকে এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে৷ এখানে বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়ার কোনো সুযোগও নেই৷ ।ডচভেলে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

বিচারবর্হিভূত সব হত্যাকাণ্ডই অবৈধ: সুলাতানা কামাল

আপডেট টাইম : ১০:৩৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫

শুধু অপারেশন ক্লিন হার্টের সময় নয়, যে সময়ই বিচারবর্হিভূত হত্যাকাণ্ড ঘটুক না কেন, সেটা অবৈধ৷’ আর অবৈধ এ সব হত্যাকাণ্ডকে দায়মুক্তি দিয়ে বিগত সরকার যে আইন করেছিল, এবার সেটাকে অবৈধ ও অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা করল হাইকোর্ট৷ ২০০২ সালের ১৬ই অক্টোবর থেকে ২০০৩ সালের ৯ই জানুয়ারি পর্যন্ত সেনাবাহিনী, তৎকালীন বিডিআর, পুলিশ, আনসার ও বেসরকারি প্রশাসনের সহায়তায় যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়৷ তৎকালীন বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিধান, সন্ত্রাস দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য এই অভিযানের নির্দেশ দেয়৷ পরে ২০০৩ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি যৌথ অভিযানের দায়মুক্তি দিয়ে সংসদে আইন পাশ করে সরকার৷ এরপর গত রবিবার হাইকোর্ট ওই দায়মুক্তিকে অবৈধ ও অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা করে৷ বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে ডয়চে ভেলের মুখোমুখি হন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল৷
ডিডাব্লিউ: এর আগেও কি কখনও এই ধরনের দায়মুক্তিকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে?
সুলতানা কামাল: বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পরও একই ঘটনা ঘটেছিল৷ সেক্ষেত্রে হত্যাকারীদের দায়মুক্তি দেয়া হয়েছিল৷ পরে সেই দায়মুক্তিকে অবৈধ ঘোষণা করে আদালত৷ এরপর অবশ্য বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার হয়৷ আর এক্ষেত্রেও ঐ একই ঘটনা ঘটেছে৷ এটা খুবই স্বাভাবিক যে, এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে আর দায়মুক্তি দেয়া যায় না৷ সেটা তো আইন বর্হিভূত, পাশাপাশি অসাংবিধানিকও বটে৷
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল৷
উচ্চ আদালত সেই কাজটা করেছে৷ যার অর্থ, এখন ওই সময়কার ক্ষতিগ্রস্ত কেউ চাইলে বিচার চাইতে বা ক্ষতিপূরণ চেয়ে আদালতে মামলা করতে পারেন৷
এখনো তো দেশে বিচারবর্হিভূত হত্যাকাণ্ড ঘটছে?
শুধু অপারেশন ক্লিন হার্টের সময় নয়, যে কোনো বিচারবর্হিভূত হত্যাকাণ্ডই অবৈধ৷ এখনো যেসব বিচারবর্হিভূত হত্যাকাণ্ড ঘটছে সেগুলোও অবৈধ৷ আমরা হাজার বার বলছি যে, বিচারবির্হভূত হত্যাকাণ্ড ঘটা উচিত নয়৷ এটা ঘটতে দেয়াও উচিত নয়৷ একটি গণতান্ত্রিক দেশে এভাবে চলতে পারে না৷ এর একটা শেষ হওয়া উচিত৷ আমরা এর অব্যহত প্রতিবাদ করছি৷ আমার মতে, সরকারকে এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে৷ এখানে বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়ার কোনো সুযোগও নেই৷ ।ডচভেলে।