ঢাকা ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

ভোলার চরফ্যাশনে ইরি-বোরো ধানে রোপনে ব্যস্ত কৃষকরা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৪৭:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৮
  • ৪১১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ইরি-বোরোর চারা লাগানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার কৃষকরা। কেউবা চারা তুলছেন, কেউবা হাল চাষ করছেন, আবার কেউবা রোপণ করছেন কচি কচি চারা।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা নিচু জমিতে আগাম চারা রোপণ করছেন যাতে বর্ষা ও কালবৈশাখীর প্রতিকূলতা কাটিয়ে আগাম ফসল ঘরে তোলা যায় এ জন্য হাইব্রিড:এসিআই- ১,২,৩,৪, সোনার বাংলা: ২,৪,৬, উফশী: বীণা-৮,১০ এবং ব্রি ধান- ২৮,২৯, ৬১, ৬৪ ও ভোজন ধান বেশি পরিমাণে লাগানো হচ্ছে।

গত বছর বাজারমূল্য ভালো থাকায় হাইব্রিড ধানের প্রতি কৃষকদের আগ্রহ বেশী। গত বছর থেকে কৃষকেরা ধানের ন্যায্য মূল্য পাওয়ায়। তারা ধার দেনা করে বুকভরা আশা নিয়ে ধান চাষ করছেন।

এওয়াজপুর গ্রামের কৃষক আবুল কালাম মহাজন জানান, তিন একর জমিতে ভোজন ধান লাগিয়েছেন তিনি। আবহাওয়া অনুকূল থাকলে এবং সরকার গত বছরের মত ধানের ন্যায্য মূল্য দিলে তারা ধান চাষ করে সুখে থাকতে পারবেন। কৃষক আবুল কালাম মহাজনের মত একই কথা বলেন জেলার অন্যান্য কৃষকরাও।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মনোতোষ সিকদার জানান, এ বছর চরফ্যাসন উপজেলায় ২৬ হাজার ৯ শ’ একর জমিতে বোরো ধান চাষের ল্যমাত্রা ধরা হয়েছে। কৃষকদের রাসায়নিক সারের পরিবর্তে জৈব ও সুষম সার ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চরফ্যাশনে ধানের ভালো ফলনের সম্ভবনা রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনসচেতনতা বাড়লে সড়ক দুর্ঘটনা কমে আসবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ভোলার চরফ্যাশনে ইরি-বোরো ধানে রোপনে ব্যস্ত কৃষকরা

আপডেট টাইম : ০৫:৪৭:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ইরি-বোরোর চারা লাগানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার কৃষকরা। কেউবা চারা তুলছেন, কেউবা হাল চাষ করছেন, আবার কেউবা রোপণ করছেন কচি কচি চারা।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা নিচু জমিতে আগাম চারা রোপণ করছেন যাতে বর্ষা ও কালবৈশাখীর প্রতিকূলতা কাটিয়ে আগাম ফসল ঘরে তোলা যায় এ জন্য হাইব্রিড:এসিআই- ১,২,৩,৪, সোনার বাংলা: ২,৪,৬, উফশী: বীণা-৮,১০ এবং ব্রি ধান- ২৮,২৯, ৬১, ৬৪ ও ভোজন ধান বেশি পরিমাণে লাগানো হচ্ছে।

গত বছর বাজারমূল্য ভালো থাকায় হাইব্রিড ধানের প্রতি কৃষকদের আগ্রহ বেশী। গত বছর থেকে কৃষকেরা ধানের ন্যায্য মূল্য পাওয়ায়। তারা ধার দেনা করে বুকভরা আশা নিয়ে ধান চাষ করছেন।

এওয়াজপুর গ্রামের কৃষক আবুল কালাম মহাজন জানান, তিন একর জমিতে ভোজন ধান লাগিয়েছেন তিনি। আবহাওয়া অনুকূল থাকলে এবং সরকার গত বছরের মত ধানের ন্যায্য মূল্য দিলে তারা ধান চাষ করে সুখে থাকতে পারবেন। কৃষক আবুল কালাম মহাজনের মত একই কথা বলেন জেলার অন্যান্য কৃষকরাও।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মনোতোষ সিকদার জানান, এ বছর চরফ্যাসন উপজেলায় ২৬ হাজার ৯ শ’ একর জমিতে বোরো ধান চাষের ল্যমাত্রা ধরা হয়েছে। কৃষকদের রাসায়নিক সারের পরিবর্তে জৈব ও সুষম সার ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চরফ্যাশনে ধানের ভালো ফলনের সম্ভবনা রয়েছে।