ঢাকা ০৭:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ সাড়ে ৩ কেজি ওজনের দুই ইলিশ ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন হচ্ছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী থমকে আছে উন্নয়ন প্রকল্প ও তদারকি, মন্ত্রণালয়ে ঘুরছেন এমপিরা কেন শিশুদের ঘ্রাণবিষয়ক শিক্ষা দিতে বললেন এই বিশেষজ্ঞ নতুন পে-স্কেলে কোন গ্রেডে কত বাড়ল বেতন বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জনগণই বিএনপির রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস: তারেক রহমান নরওয়ের রাজার মৃত্যুতে বাংলাদেশের পক্ষে শোকবইয়ে স্বাক্ষর স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর যশোরে নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিমন্ত্রী ও এমপিসহ ১১৩ জনের নামে মামলা হাদি হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও তার স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

পেঁপের পুষ্টিগুণ অসাধারণ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:১৪:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৭
  • ৩৯০ বার
হাওর বার্তা ডেস্কঃ পেঁপে, খুব সাধারণ এক ফল হলেও এর পুষ্টিগুণ অসাধারণ। বাংলাদেশের মানুষের কাছে পেঁপে অতি পরিচিত একটি ফল। ফলটি অতি গুরুত্বপূর্ণ সহজ পাচ্য, সুস্বাদু, পুষ্টিকর ও রোগ প্রতিরোধক। পেঁপেকে পুষ্টিরাজ ভাণ্ডার বলা হয়। সারা বছর ফলটি ফলে এবং সারাদেশের সব জায়গায় পাওয়া যায়। সবজি ও ফল হিসেবে এর গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা : পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি, সি সোডিয়াম, পটাশিয়ামসহ অন্যান্য উপাদান থাকে। এটি মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং দেহের নানা সমস্যা দূর করে। পেঁপের ভিটামিন ‘এ’ চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় এবং চোখের নানা সমস্যা দূর করে। চোখের লেন্স ও রেটিনা জারন প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হলে পেঁপের ভিটামিন এটিকে প্রতিরোধ করে। চামড়ার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। মানবদেহের ক্যান্সার তৈরির একটি উপাদান হলো ‘নাইট্রোস্যামাইন’।
ভিটামিন ‘সি’ এটিকে প্রতিরোধ করে। ঘন ঘন সর্দি, কাশি, অ্যাজমা ও মানসিক সমস্যা কমিয়ে দেয়। ভিটামিন ‘বি ’বেরিবেরি রোগ, ঠোঁটের ও মুখের ঘা প্রতিরোধ করে। পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। পেঁপে ভিটামিন, পেকটিন এবং ক্যারোটিনয়েডের ভালো উৎস।
পেঁপেতে পেপাইন নাম একটি উপাদান থাকে, যা খাদ্য হজম করতে সহায়তা করে। পেঁপের আঁশ বা ফাইবার শিরা-উপশিরার প্রাচীর হতে কোলেস্টেরল দূর করে। আর এনজা ইম ফ্যাট কোষগুলোকে অক্সিডেশনের মাধ্যমে শিরা-উপশিরায় ব্লক করতে দেয় না। স্যালুবল ফাইবার নামে একটি উপাদান থাকে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
উপকারিতা ও ঔষধি গুণ
>> কাঁচা পেঁপেতে প্যাপেইন ও ক্যাম প্যাপেইন নামক এনজাইম থাকে। তাই যাদের হজমে সমস্যা বা কম হজম হয় তারা কচি পেঁপে সালাদ বা সবজি হিসেবে খান সমস্যা কমে যাবে।
>> দুপুরে খাওয়ার পর ও রাতে খাওয়ার পর দু-একটা পেঁপের টুকরা চিবিয়ে খান এবং এক গ্গ্নাস পানি পান করুন। হজমও হবে, পেটও পরিষ্কার হবে।
>> যাদের কৃমি বেশি যন্ত্রণা দেয় তারা কাঁচা পেঁপের বীজ খান কৃমি মরে যাবে। * পেঁপের পাতা পানিতে সেদ্ধ করে চায়ের মতো খেলে হৃদরোগ বা হার্টের অসুখে খুবই উপকার হয়।
>> কাঁচা বা পাকা পেঁপের যে সাদা রস বের হয় তা খেলে চামড়ার চুলকানি, চর্মরোগ, অনিদ্রা, মাথাব্যথা কমে যায়।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ

পেঁপের পুষ্টিগুণ অসাধারণ

আপডেট টাইম : ০৪:১৪:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৭
হাওর বার্তা ডেস্কঃ পেঁপে, খুব সাধারণ এক ফল হলেও এর পুষ্টিগুণ অসাধারণ। বাংলাদেশের মানুষের কাছে পেঁপে অতি পরিচিত একটি ফল। ফলটি অতি গুরুত্বপূর্ণ সহজ পাচ্য, সুস্বাদু, পুষ্টিকর ও রোগ প্রতিরোধক। পেঁপেকে পুষ্টিরাজ ভাণ্ডার বলা হয়। সারা বছর ফলটি ফলে এবং সারাদেশের সব জায়গায় পাওয়া যায়। সবজি ও ফল হিসেবে এর গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা : পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি, সি সোডিয়াম, পটাশিয়ামসহ অন্যান্য উপাদান থাকে। এটি মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং দেহের নানা সমস্যা দূর করে। পেঁপের ভিটামিন ‘এ’ চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় এবং চোখের নানা সমস্যা দূর করে। চোখের লেন্স ও রেটিনা জারন প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হলে পেঁপের ভিটামিন এটিকে প্রতিরোধ করে। চামড়ার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। মানবদেহের ক্যান্সার তৈরির একটি উপাদান হলো ‘নাইট্রোস্যামাইন’।
ভিটামিন ‘সি’ এটিকে প্রতিরোধ করে। ঘন ঘন সর্দি, কাশি, অ্যাজমা ও মানসিক সমস্যা কমিয়ে দেয়। ভিটামিন ‘বি ’বেরিবেরি রোগ, ঠোঁটের ও মুখের ঘা প্রতিরোধ করে। পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। পেঁপে ভিটামিন, পেকটিন এবং ক্যারোটিনয়েডের ভালো উৎস।
পেঁপেতে পেপাইন নাম একটি উপাদান থাকে, যা খাদ্য হজম করতে সহায়তা করে। পেঁপের আঁশ বা ফাইবার শিরা-উপশিরার প্রাচীর হতে কোলেস্টেরল দূর করে। আর এনজা ইম ফ্যাট কোষগুলোকে অক্সিডেশনের মাধ্যমে শিরা-উপশিরায় ব্লক করতে দেয় না। স্যালুবল ফাইবার নামে একটি উপাদান থাকে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
উপকারিতা ও ঔষধি গুণ
>> কাঁচা পেঁপেতে প্যাপেইন ও ক্যাম প্যাপেইন নামক এনজাইম থাকে। তাই যাদের হজমে সমস্যা বা কম হজম হয় তারা কচি পেঁপে সালাদ বা সবজি হিসেবে খান সমস্যা কমে যাবে।
>> দুপুরে খাওয়ার পর ও রাতে খাওয়ার পর দু-একটা পেঁপের টুকরা চিবিয়ে খান এবং এক গ্গ্নাস পানি পান করুন। হজমও হবে, পেটও পরিষ্কার হবে।
>> যাদের কৃমি বেশি যন্ত্রণা দেয় তারা কাঁচা পেঁপের বীজ খান কৃমি মরে যাবে। * পেঁপের পাতা পানিতে সেদ্ধ করে চায়ের মতো খেলে হৃদরোগ বা হার্টের অসুখে খুবই উপকার হয়।
>> কাঁচা বা পাকা পেঁপের যে সাদা রস বের হয় তা খেলে চামড়ার চুলকানি, চর্মরোগ, অনিদ্রা, মাথাব্যথা কমে যায়।