ঢাকা ০৩:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

রোহিঙ্গার বাংলাদেশে আসা সংখ্যা চার লাখের কাছাকাছি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:২৮:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭
  • ৪২২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মিয়ানমারের রাখাইনে সহিংসতার মুখে পালিয়ে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা তিন লাখ ৭০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের মুখপাত্র ভিভিয়ান তান। মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

গত কয়েক দশক ধরে ৪ লাখের বেশি রোহিঙ্গার ভার বহন করে আসা বাংলাদেশে এই দফায় আরও তিন লাখের মতো রোহিঙ্গা আসতে পারে বলে গত ৬ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের পক্ষ থেকে ধারণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এক সপ্তাহের মাথায় জাতিসংঘ যে হিসাব দিল তা তাদের আগের ওই ধারণার চেয়েও পৌনে এক লাখ বেশি।

রাখাইনের কয়েকটি পুলিশ ফাঁড়ি এবং একটি সেনা ক্যাম্পে গত ২৪ অগাস্ট রাতে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের হামলার পর সেখানে নতুন করে সেনা অভিযান শুরু হয়। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ সীমান্তে শুরু হয় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্রোত। এরপর রোহিঙ্গা ইস্যুতে সোচ্চার হয় বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশ। রোহিঙ্গা সংকট ঘনীভূত হওয়ার প্রেক্ষাপটে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপও ক্রমশ বাড়ছে। বুধবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমার পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি বৈঠকও ডাকা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর প্রতি সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে এবং সুইডেন ও যুক্তরাজ্য রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে আলোচনার জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক ডাকার আহ্বান জানায়।

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের ওপর কূটনৈতিক চাপ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের জাতীয় সংসদেও একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে।

মঙ্গলবার কক্সবাজারের কুতুপালং আশ্রয় শিবিরে গিয়ে ত্রাণ বিতরণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বলেছেন, এই শরণার্থীদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নিতে হবে। নিরাপত্তা দিতে হবে, যেন তারা নাগরিক হিসেবে অধিকার নিয়ে বাঁচতে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

রোহিঙ্গার বাংলাদেশে আসা সংখ্যা চার লাখের কাছাকাছি

আপডেট টাইম : ০৮:২৮:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মিয়ানমারের রাখাইনে সহিংসতার মুখে পালিয়ে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা তিন লাখ ৭০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের মুখপাত্র ভিভিয়ান তান। মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

গত কয়েক দশক ধরে ৪ লাখের বেশি রোহিঙ্গার ভার বহন করে আসা বাংলাদেশে এই দফায় আরও তিন লাখের মতো রোহিঙ্গা আসতে পারে বলে গত ৬ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের পক্ষ থেকে ধারণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এক সপ্তাহের মাথায় জাতিসংঘ যে হিসাব দিল তা তাদের আগের ওই ধারণার চেয়েও পৌনে এক লাখ বেশি।

রাখাইনের কয়েকটি পুলিশ ফাঁড়ি এবং একটি সেনা ক্যাম্পে গত ২৪ অগাস্ট রাতে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের হামলার পর সেখানে নতুন করে সেনা অভিযান শুরু হয়। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ সীমান্তে শুরু হয় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্রোত। এরপর রোহিঙ্গা ইস্যুতে সোচ্চার হয় বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশ। রোহিঙ্গা সংকট ঘনীভূত হওয়ার প্রেক্ষাপটে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপও ক্রমশ বাড়ছে। বুধবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমার পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি বৈঠকও ডাকা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর প্রতি সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে এবং সুইডেন ও যুক্তরাজ্য রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে আলোচনার জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক ডাকার আহ্বান জানায়।

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের ওপর কূটনৈতিক চাপ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের জাতীয় সংসদেও একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে।

মঙ্গলবার কক্সবাজারের কুতুপালং আশ্রয় শিবিরে গিয়ে ত্রাণ বিতরণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বলেছেন, এই শরণার্থীদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নিতে হবে। নিরাপত্তা দিতে হবে, যেন তারা নাগরিক হিসেবে অধিকার নিয়ে বাঁচতে পারে।