ঢাকা ১২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

যৌবন ফেরানোর চেষ্টা মার্কিন গবেষকদের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৪২:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ অগাস্ট ২০১৭
  • ৫০৭ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মার্কিন এক গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিশেষভাবে বাছাইকৃত রক্ত সঞ্চালন করে বয়স্ক ব্যক্তিদের আবার তারুণ্য ফিরিয়ে আনা যাবে বলে দাবি করেছে।শুধু দাবিই নয়, এজন্য তারা কাজও শুরু করেছে।

এ কাজে তারা যে রক্ত বিক্রি করছে তার সামান্য প্রতি শটের দাম নেয়া হচ্ছে প্রায় সাড়ে ছয় লাখ টাকা।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্যান ফ্রান্সিসকোতে কাজ শুরু করেছে অ্যামব্রোসিয়া নামে স্টার্ট আপ প্রতিষ্ঠানটি। এ প্রতিষ্ঠান থেকেই দাবি করা হয়েছে রক্ত সঞ্চালনার মাধ্যমে বয়স্কদের তারুণ্য ফিরিয়ে আনার। আর এজন্য তারা ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালও শুরু করেছে। প্রধানত ধনীরাই এ চিকিৎসা পদ্ধতির আশ্রয় নিচ্ছেন।

শতাধিক ব্যক্তিকে চিকিৎসা শুরু করেছে অ্যামব্রোসিয়া। তাদের দাবি তারা ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে তরুণ কারও রক্তের প্লাজমা রোগীর দেহে সঞ্চালিত করবেন। এজন্য প্রায় আড়াই লিটার রক্তের প্লাজমা দেবেন তারা।

চিকিৎসায় কাজ করছেন বিশ্বখ্যাত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রশিক্ষিত চিকিৎসক জেসে কারমাজিন। তিনি জানান, তাদের ট্রায়ালের প্রথম অংশের ফলাফল খুবই ভালো দেখা যাচ্ছে। এটি অনেকটা দেহের ভেতর থেকেই প্লাস্টিক সার্জারি করার মতো। তিনি বলেন, ‘এর ফলে উন্নতি হতে পারে চেহারার, ডায়াবেটিসের, হৃৎযন্ত্রের কিংবা স্মৃতিশক্তির। এগুলো সবই বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হয়ে থাকে। ’

তাহলে এ চিকিৎসা কি মানুষকে বয়স বাড়তে দেবে না? এমন প্রশ্নে ড. কারমাজিন বলেন, ‘আমার এটা প্রচার করার কোনো ইচ্ছা নেই যে, এটা মানুষকে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করবে। তবে আমি মনে করি এটা তার কাছাকাছি।’

অবশ্য বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ এ পদ্ধতি সম্পর্কে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তারা বলেন, এটি অপ্রমাণিত একটি পদ্ধতি। এর ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালও বিষয়টি সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য দেবে না। সূত্র : ইন্ডিপেনডেন্ট

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

যৌবন ফেরানোর চেষ্টা মার্কিন গবেষকদের

আপডেট টাইম : ০৪:৪২:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ অগাস্ট ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মার্কিন এক গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিশেষভাবে বাছাইকৃত রক্ত সঞ্চালন করে বয়স্ক ব্যক্তিদের আবার তারুণ্য ফিরিয়ে আনা যাবে বলে দাবি করেছে।শুধু দাবিই নয়, এজন্য তারা কাজও শুরু করেছে।

এ কাজে তারা যে রক্ত বিক্রি করছে তার সামান্য প্রতি শটের দাম নেয়া হচ্ছে প্রায় সাড়ে ছয় লাখ টাকা।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্যান ফ্রান্সিসকোতে কাজ শুরু করেছে অ্যামব্রোসিয়া নামে স্টার্ট আপ প্রতিষ্ঠানটি। এ প্রতিষ্ঠান থেকেই দাবি করা হয়েছে রক্ত সঞ্চালনার মাধ্যমে বয়স্কদের তারুণ্য ফিরিয়ে আনার। আর এজন্য তারা ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালও শুরু করেছে। প্রধানত ধনীরাই এ চিকিৎসা পদ্ধতির আশ্রয় নিচ্ছেন।

শতাধিক ব্যক্তিকে চিকিৎসা শুরু করেছে অ্যামব্রোসিয়া। তাদের দাবি তারা ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে তরুণ কারও রক্তের প্লাজমা রোগীর দেহে সঞ্চালিত করবেন। এজন্য প্রায় আড়াই লিটার রক্তের প্লাজমা দেবেন তারা।

চিকিৎসায় কাজ করছেন বিশ্বখ্যাত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রশিক্ষিত চিকিৎসক জেসে কারমাজিন। তিনি জানান, তাদের ট্রায়ালের প্রথম অংশের ফলাফল খুবই ভালো দেখা যাচ্ছে। এটি অনেকটা দেহের ভেতর থেকেই প্লাস্টিক সার্জারি করার মতো। তিনি বলেন, ‘এর ফলে উন্নতি হতে পারে চেহারার, ডায়াবেটিসের, হৃৎযন্ত্রের কিংবা স্মৃতিশক্তির। এগুলো সবই বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হয়ে থাকে। ’

তাহলে এ চিকিৎসা কি মানুষকে বয়স বাড়তে দেবে না? এমন প্রশ্নে ড. কারমাজিন বলেন, ‘আমার এটা প্রচার করার কোনো ইচ্ছা নেই যে, এটা মানুষকে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করবে। তবে আমি মনে করি এটা তার কাছাকাছি।’

অবশ্য বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ এ পদ্ধতি সম্পর্কে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তারা বলেন, এটি অপ্রমাণিত একটি পদ্ধতি। এর ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালও বিষয়টি সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য দেবে না। সূত্র : ইন্ডিপেনডেন্ট