ঢাকা ১০:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

ঝটিকা আক্রমণ চালিয়ে কিমকে সরিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৭:২৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অগাস্ট ২০১৭
  • ৪৩২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  দক্ষিণ কোরিয়ার সমরকৌশলীরা পিইয়ংইয়ংয়ের বিরুদ্ধে ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ বা ‘ঝটিকা আক্রমণের’ পরিকল্পনা করছেন। যুদ্ধ চালাতে সক্ষম উত্তর কোরিয়ার পুরো নেতৃত্বকে ধ্বংস করে দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে এমন হামলা পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে খবর দিয়েছে সিউলের সংবাদপত্র মুনওয়া ইলবো।

এতে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়ার কমান্ড, পরমাণু এবং ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোর বিরুদ্ধে ‘ঝটিকা আক্রমণ’ করা হবে। জরুরি পরিস্থিতিতে এ হামলা শুরু করবে প্রেসিডেন্ট মুন জাই-ইনের বিশেষ বাহিনী । দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা দফতর বা এনএসও এবং মারণাস্ত্র ধ্বংস দফতর বা ডব্লিউএমডির বদলে হামলা পরিকল্পনা করছে দেশটির জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ এবং দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

উত্তর কোরিয়ার সন্দেহজনক দ্বিতীয় আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার মাত্র তিন দিন পরই ঝটিকা আক্রমণ সংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়েছে, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে পৃথক হামলা পরিকল্পনা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে এনএসও এবং ডব্লিউএমডিকে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সামরিক সূত্র থেকে সংবাদপত্রকে বলা হয়েছে যে, ৩১ মার্চের দিকে এ হামলা পরিকল্পনার খসড়া করা হয়। উত্তর কোরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড সেন্টারগুলোতে হামলার জন্য এফ-১৫ জঙ্গিবিমান বহর পাঠানো হবে। এ ছাড়া, উত্তর কোরিয়ার শ্রমিক দলের প্রধান, কিম জং-উনের দফতরসহ পিয়ংইয়ং শ্রমিক দলের সদর দফতরেও হানা হবে আঘাত।

খবরে দাবি করা হয়েছে, বিশেষ বাহিনীর নতুন বিগ্রেড গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মুন। এ বাহিনীর সদস্য সংখ্যা হবে এক থেকে দুই হাজার। জরুরি পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে যুদ্ধে চালাতে সক্ষম উত্তর কোরিয়ার পুরো নেতৃত্বকে ধ্বংস করে দেবে এ বাহিনী । পাশাপাশি নিষ্ক্রিয় করে দেবে দেশটির সকল কমান্ড স্থাপনা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

ঝটিকা আক্রমণ চালিয়ে কিমকে সরিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা

আপডেট টাইম : ০৭:২৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অগাস্ট ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  দক্ষিণ কোরিয়ার সমরকৌশলীরা পিইয়ংইয়ংয়ের বিরুদ্ধে ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ বা ‘ঝটিকা আক্রমণের’ পরিকল্পনা করছেন। যুদ্ধ চালাতে সক্ষম উত্তর কোরিয়ার পুরো নেতৃত্বকে ধ্বংস করে দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে এমন হামলা পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে খবর দিয়েছে সিউলের সংবাদপত্র মুনওয়া ইলবো।

এতে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়ার কমান্ড, পরমাণু এবং ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোর বিরুদ্ধে ‘ঝটিকা আক্রমণ’ করা হবে। জরুরি পরিস্থিতিতে এ হামলা শুরু করবে প্রেসিডেন্ট মুন জাই-ইনের বিশেষ বাহিনী । দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা দফতর বা এনএসও এবং মারণাস্ত্র ধ্বংস দফতর বা ডব্লিউএমডির বদলে হামলা পরিকল্পনা করছে দেশটির জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ এবং দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

উত্তর কোরিয়ার সন্দেহজনক দ্বিতীয় আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার মাত্র তিন দিন পরই ঝটিকা আক্রমণ সংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়েছে, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে পৃথক হামলা পরিকল্পনা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে এনএসও এবং ডব্লিউএমডিকে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সামরিক সূত্র থেকে সংবাদপত্রকে বলা হয়েছে যে, ৩১ মার্চের দিকে এ হামলা পরিকল্পনার খসড়া করা হয়। উত্তর কোরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড সেন্টারগুলোতে হামলার জন্য এফ-১৫ জঙ্গিবিমান বহর পাঠানো হবে। এ ছাড়া, উত্তর কোরিয়ার শ্রমিক দলের প্রধান, কিম জং-উনের দফতরসহ পিয়ংইয়ং শ্রমিক দলের সদর দফতরেও হানা হবে আঘাত।

খবরে দাবি করা হয়েছে, বিশেষ বাহিনীর নতুন বিগ্রেড গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মুন। এ বাহিনীর সদস্য সংখ্যা হবে এক থেকে দুই হাজার। জরুরি পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে যুদ্ধে চালাতে সক্ষম উত্তর কোরিয়ার পুরো নেতৃত্বকে ধ্বংস করে দেবে এ বাহিনী । পাশাপাশি নিষ্ক্রিয় করে দেবে দেশটির সকল কমান্ড স্থাপনা।