ঢাকা ১২:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

ইটনা উপজেলার নিজ গ্রাম লাইমপাশায় ‘হাওরভূমি পুত্র’র মরদেহ, দাফন করা হবে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:১৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ জানুয়ারী ২০১৭
  • ৪৫২ বার

কিশোরগঞ্জ থেকে : প্রাণাধিক প্রিয় নিজ গ্রাম লাইমপাশায় পৌছেছে বিশিষ্ট কৃষিবিদ, কৃষি সাংবাদিক ও লেখক ‘হাওরভূমি পুত্র’ ড. নিয়াজউদ্দিন পাশার (নিয়াজ পাশা) মরদেহ। বুধবার সকালে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হবে তাকে।

মঙ্গলবার রাজধানীতে দু’দফা নামাজে জানাজা শেষে দুপুরে সড়কপথে কিশোরগঞ্জ পৌছায় নিয়াজ পাশার মরদেহ। সেখানে কিশোরগঞ্জ প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক ও বিশিষ্ট নাগরিকসহ আপামর জনতা গভীর শ্রদ্ধায় বরণ করেন নিথর নিয়াজ পাশাকে।

প্রেস ক্লাবে বিশিষ্ট এই কৃষিবিদের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. জিল্লুর রহমান, কিশোরগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিশিষ্টজনরা। এসময় এক আবেগঘন পরিবেশের অবতারনা হয়। উপস্থিত বিশিষ্টজনরা অবহেলিত হাওর অঞ্চলের জন্য ও দেশের কৃষি খাতের উন্নয়নে ড. পাশার গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা স্মরণ করেন।

প্রেস ক্লাব চত্বর থেকে সড়কপথে চামড়া বন্দর ও পরে নৌপথে কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার দুর্গম জনপদ লাইমপাশার নিজ বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয় ড. পাশার মরদেহ। এদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে ‘হাওরভূমি পুত্র’র মরদেহ বাড়িতে পৌছালে আশাপাশের অনেক গ্রামের মানুষ ভিড় করেন তাকে দেখতে। এসময় স্বজন ও এলাকাবাসীর কান্নায় ভারী হয়ে উঠে সেখানকার পরিবেশ-যে গ্রামের জন্য সারাজীবন অন্তঃপ্রাাণ ছিলেন ড. নিয়াজ পাশা।

ড. পাশার ছেলে ফাহিম বহুমাত্রিক.কম-কে জানান, শীতকাল ও দুর্গম এলাকা হওয়ায় বহু স্বজন ও পরিচিতজনরা এখনো পৌছাতে পারেননি। তাই বুধবার সকাল ৯টায় নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে বাবার মরদেহ সমাহিত করা হবে। তিনি প্রয়াত বাবার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

ব্রেইন স্ট্রোকে পক্ষাঘাতগ্রস্ত ও বাকশক্তিহীন হয়ে ১৫ দিন চিকিৎসাধীন থেকে সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ১৫ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ’তে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন কৃষিবিদ ড. নিয়াজ পাশা।

রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ড. নিয়াজ পাশার মরদেহ নেওয়া হয় রাজধানীর খিলগাঁওয়ের তিলপাপাড়ার বাসায়। সেখানে মঙ্গলবার বাদ ফজর তাঁর প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

এরপর লাশবাহী এম্বুলেন্সে ড. পাশার মরদেহ আনা হয় তাঁর দীর্ঘদিনের কর্মস্থল ফার্মেগেটের সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টারে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) চত্বরে সহকর্মী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কৃষিবিদরা তাকে শেষবারের মত দেখার সুযোগ পান।

পরে সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে বিএআরসি চত্বরে ড. নিয়াজ পাশার দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার পূর্বে তাঁর একমাত্র ছেলে ফাহিম বাবার জন্য সবার কাছে দোয়া চান।

জানাজায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) সদ্য সাবেক নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. আবুল কালাম আযাদ, সাবেক নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. ওয়ায়েস কবীর, বিএআরসি’র সদস্য পরিচালক ড. আনোয়ার, ড. সুলতান আহমেদ, ড. মনোয়ার করিম, ড. জিকরুল, সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টার, ঢাকার পরিচালক ড. শেখ মো. বখতিয়ার, কটন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক ড. ফরিদ উদ্দিন, বহুমাত্রিক.কম এর প্রধান সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম সহ বিএআরসি ও সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টারের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন। সকাল পৌনে ১০টার দিকে ড. নিয়াজ পাশার মরদেহবাহী গাড়িবহর কিশোরগঞ্জের উদ্দেশ্যে বিএআরসি চত্ত্বর ত্যাগ করে।

গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর রোববার ব্রেইন স্ট্রোক হওয়ার পর সংকটাপন্ন অবস্থায় কৃষিবিদ ড. নিয়াজউদ্দিন পাশাকে প্রথমে বারডেম ও পরে ধানমন্ডির একটি ক্লিনিকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে বুধবার দুপুরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

ব্রেইন স্ট্রোক হওয়ার পর থেকে কোনো কথা বলতে পারেননি বিশিষ্ট এই কৃষিবিদ। তাঁর শরীরের বাম পাশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়ে।

শিক্ষাজীবন থেকেই কৃষি সাংবাদিকতার সাথে ‍যুক্ত নিয়াজ পাশা বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হল ছাত্র সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি (ভিপি) ছিলেন।

সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টার, ঢাকায় কর্মরত থেকেও দেশের কৃষকদের স্বার্থ ও কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে মূলধারার গণমাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিতভাবে লিখে গেছেন ড. পাশা। হাওর অঞ্চলের জন্য অন্তঃপ্রাণ এই কৃষিবিদ ব্যক্তিগতভাবে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান ও বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের স্নেহভাজন ছিলেন।

‘হাওর ভূমিপুত্র’ হিসেবে নিজের পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দবোধ করা নিয়াজ পাশা অনগ্রসর হাওর অঞ্চলের উন্নয়নে নিয়মিত লেখালেখির পাশাপাশি সরকারের উচ্চপর্যাায়ে বিভিন্ন দাবি জানিয়েছেন। বেশ কয়েক বছর ধরে নানা শারীরিক জটিলতার মাঝেও পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি হাওর ও কৃষি বিষয়ক নানা ইস্যুতে অব্যাহতভাবে লিখে গেছেন তিনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

ইটনা উপজেলার নিজ গ্রাম লাইমপাশায় ‘হাওরভূমি পুত্র’র মরদেহ, দাফন করা হবে

আপডেট টাইম : ০১:১৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ জানুয়ারী ২০১৭

কিশোরগঞ্জ থেকে : প্রাণাধিক প্রিয় নিজ গ্রাম লাইমপাশায় পৌছেছে বিশিষ্ট কৃষিবিদ, কৃষি সাংবাদিক ও লেখক ‘হাওরভূমি পুত্র’ ড. নিয়াজউদ্দিন পাশার (নিয়াজ পাশা) মরদেহ। বুধবার সকালে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হবে তাকে।

মঙ্গলবার রাজধানীতে দু’দফা নামাজে জানাজা শেষে দুপুরে সড়কপথে কিশোরগঞ্জ পৌছায় নিয়াজ পাশার মরদেহ। সেখানে কিশোরগঞ্জ প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক ও বিশিষ্ট নাগরিকসহ আপামর জনতা গভীর শ্রদ্ধায় বরণ করেন নিথর নিয়াজ পাশাকে।

প্রেস ক্লাবে বিশিষ্ট এই কৃষিবিদের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. জিল্লুর রহমান, কিশোরগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিশিষ্টজনরা। এসময় এক আবেগঘন পরিবেশের অবতারনা হয়। উপস্থিত বিশিষ্টজনরা অবহেলিত হাওর অঞ্চলের জন্য ও দেশের কৃষি খাতের উন্নয়নে ড. পাশার গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা স্মরণ করেন।

প্রেস ক্লাব চত্বর থেকে সড়কপথে চামড়া বন্দর ও পরে নৌপথে কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার দুর্গম জনপদ লাইমপাশার নিজ বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয় ড. পাশার মরদেহ। এদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে ‘হাওরভূমি পুত্র’র মরদেহ বাড়িতে পৌছালে আশাপাশের অনেক গ্রামের মানুষ ভিড় করেন তাকে দেখতে। এসময় স্বজন ও এলাকাবাসীর কান্নায় ভারী হয়ে উঠে সেখানকার পরিবেশ-যে গ্রামের জন্য সারাজীবন অন্তঃপ্রাাণ ছিলেন ড. নিয়াজ পাশা।

ড. পাশার ছেলে ফাহিম বহুমাত্রিক.কম-কে জানান, শীতকাল ও দুর্গম এলাকা হওয়ায় বহু স্বজন ও পরিচিতজনরা এখনো পৌছাতে পারেননি। তাই বুধবার সকাল ৯টায় নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে বাবার মরদেহ সমাহিত করা হবে। তিনি প্রয়াত বাবার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

ব্রেইন স্ট্রোকে পক্ষাঘাতগ্রস্ত ও বাকশক্তিহীন হয়ে ১৫ দিন চিকিৎসাধীন থেকে সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ১৫ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ’তে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন কৃষিবিদ ড. নিয়াজ পাশা।

রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ড. নিয়াজ পাশার মরদেহ নেওয়া হয় রাজধানীর খিলগাঁওয়ের তিলপাপাড়ার বাসায়। সেখানে মঙ্গলবার বাদ ফজর তাঁর প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

এরপর লাশবাহী এম্বুলেন্সে ড. পাশার মরদেহ আনা হয় তাঁর দীর্ঘদিনের কর্মস্থল ফার্মেগেটের সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টারে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) চত্বরে সহকর্মী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কৃষিবিদরা তাকে শেষবারের মত দেখার সুযোগ পান।

পরে সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে বিএআরসি চত্বরে ড. নিয়াজ পাশার দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার পূর্বে তাঁর একমাত্র ছেলে ফাহিম বাবার জন্য সবার কাছে দোয়া চান।

জানাজায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) সদ্য সাবেক নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. আবুল কালাম আযাদ, সাবেক নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. ওয়ায়েস কবীর, বিএআরসি’র সদস্য পরিচালক ড. আনোয়ার, ড. সুলতান আহমেদ, ড. মনোয়ার করিম, ড. জিকরুল, সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টার, ঢাকার পরিচালক ড. শেখ মো. বখতিয়ার, কটন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক ড. ফরিদ উদ্দিন, বহুমাত্রিক.কম এর প্রধান সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম সহ বিএআরসি ও সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টারের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন। সকাল পৌনে ১০টার দিকে ড. নিয়াজ পাশার মরদেহবাহী গাড়িবহর কিশোরগঞ্জের উদ্দেশ্যে বিএআরসি চত্ত্বর ত্যাগ করে।

গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর রোববার ব্রেইন স্ট্রোক হওয়ার পর সংকটাপন্ন অবস্থায় কৃষিবিদ ড. নিয়াজউদ্দিন পাশাকে প্রথমে বারডেম ও পরে ধানমন্ডির একটি ক্লিনিকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে বুধবার দুপুরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

ব্রেইন স্ট্রোক হওয়ার পর থেকে কোনো কথা বলতে পারেননি বিশিষ্ট এই কৃষিবিদ। তাঁর শরীরের বাম পাশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়ে।

শিক্ষাজীবন থেকেই কৃষি সাংবাদিকতার সাথে ‍যুক্ত নিয়াজ পাশা বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হল ছাত্র সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি (ভিপি) ছিলেন।

সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টার, ঢাকায় কর্মরত থেকেও দেশের কৃষকদের স্বার্থ ও কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে মূলধারার গণমাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিতভাবে লিখে গেছেন ড. পাশা। হাওর অঞ্চলের জন্য অন্তঃপ্রাণ এই কৃষিবিদ ব্যক্তিগতভাবে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান ও বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের স্নেহভাজন ছিলেন।

‘হাওর ভূমিপুত্র’ হিসেবে নিজের পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দবোধ করা নিয়াজ পাশা অনগ্রসর হাওর অঞ্চলের উন্নয়নে নিয়মিত লেখালেখির পাশাপাশি সরকারের উচ্চপর্যাায়ে বিভিন্ন দাবি জানিয়েছেন। বেশ কয়েক বছর ধরে নানা শারীরিক জটিলতার মাঝেও পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি হাওর ও কৃষি বিষয়ক নানা ইস্যুতে অব্যাহতভাবে লিখে গেছেন তিনি।