ঢাকা ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুখবর, বছর শেষ হওয়ার আগেই মিলবে নতুন বই

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:১৩:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫ বার

নতুন বছরের প্রথম দিন নয়, এবার বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিনই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে নতুন পাঠ্যবই। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ২৪ ডিসেম্বর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নতুন বই পাবে। মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদেরও ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহের মধ্যে বই দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এ তথ্য জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

একই দিনে দেশের বিভিন্ন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকেও এ বিষয়ে নোটিশ জারি করা হয়। ফরিদপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম তৈফিকুর রহমানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ডিসেম্বর জেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা ও একই দিনে ২০২৭ সালের নতুন পাঠ্যবই বিতরণের জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের শেষ দিকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা বা মূল্যায়ন থাকলে শিক্ষকেরা ব্যস্ত থাকবেন। এ কারণে ২৪ ডিসেম্বর বই বিতরণের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এরপর শিক্ষার্থীরা বড়দিন ও নতুন বছরের ছুটিতে যাবে। ছুটি শেষে নতুন বই ও নতুন মলাট নিয়ে পড়াশোনা শুরু করবে তারা।

২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাক্‌-প্রাথমিকের জন্য ৫৭ লাখ ৩০ হাজার ৬৪০ কপি বই ছাপানো হবে। প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ছাপা হবে ৭ কোটি ৬২ লাখ ৯৪ হাজার ৭৫৮ কপি। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য তাদের নিজস্ব ভাষায় বই ছাপানো হবে ১ লাখ ৪২ হাজার ৩৩২ কপি। প্রাক্‌-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য মোট বই ছাপানো হবে ৮ কোটি ২১ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩০ কপি। ইবতেদায়ির প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির জন্য ছাপানো হবে ৩ কোটি ৩২ লাখ ৯৬ হাজার ৪০০ কপি।

নিম্নমাধ্যমিকের ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য ৪ কোটি ৩৪ লাখ ৬১ হাজার ৫৭৭, সপ্তম শ্রেণির জন্য ৪ কোটি ৯ লাখ ৬০ হাজার ৬০১ এবং অষ্টম শ্রেণির জন্য ৩ কোটি ৯৩ লাখ ৭৩ হাজার ৫১৫ কপি বই ছাপানো হবে। মাধ্যমিকের নবম শ্রেণির জন্য ছাপানো হবে ৫ কোটি ৫৬ লাখ ২৭ হাজার ২৩৫ কপি। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ব্রেইল বই ছাপানো হবে ৯ হাজার ৪ কপি।

পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এবার চতুর্থ শ্রেণিতে ‘খেলাধুলা’ ও ‘আমাদের সংস্কৃতি’ এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে ‘আনন্দময় শিক্ষা’ ও ‘কারিগরি শিক্ষা’ নামে নতুন চারটি বিষয় চালু হচ্ছে। চতুর্থ শ্রেণির নতুন দুই বিষয়ের বই ছাপানো হবে ৬২ লাখ ৫৯ হাজার ২৮ কপি এবং ষষ্ঠ শ্রেণির নতুন দুই বিষয়ের বই ছাপানো হবে ৭১ লাখ ৫৭ হাজার ৫৯০ কপি। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সব মিলিয়ে ৩০ কোটি ৯২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩৯ কপি পাঠ্যবই ছাপানো হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুখবর, বছর শেষ হওয়ার আগেই মিলবে নতুন বই

আপডেট টাইম : ১২:১৩:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

নতুন বছরের প্রথম দিন নয়, এবার বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিনই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে নতুন পাঠ্যবই। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ২৪ ডিসেম্বর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নতুন বই পাবে। মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদেরও ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহের মধ্যে বই দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এ তথ্য জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

একই দিনে দেশের বিভিন্ন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকেও এ বিষয়ে নোটিশ জারি করা হয়। ফরিদপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম তৈফিকুর রহমানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ডিসেম্বর জেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা ও একই দিনে ২০২৭ সালের নতুন পাঠ্যবই বিতরণের জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের শেষ দিকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা বা মূল্যায়ন থাকলে শিক্ষকেরা ব্যস্ত থাকবেন। এ কারণে ২৪ ডিসেম্বর বই বিতরণের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এরপর শিক্ষার্থীরা বড়দিন ও নতুন বছরের ছুটিতে যাবে। ছুটি শেষে নতুন বই ও নতুন মলাট নিয়ে পড়াশোনা শুরু করবে তারা।

২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাক্‌-প্রাথমিকের জন্য ৫৭ লাখ ৩০ হাজার ৬৪০ কপি বই ছাপানো হবে। প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ছাপা হবে ৭ কোটি ৬২ লাখ ৯৪ হাজার ৭৫৮ কপি। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য তাদের নিজস্ব ভাষায় বই ছাপানো হবে ১ লাখ ৪২ হাজার ৩৩২ কপি। প্রাক্‌-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য মোট বই ছাপানো হবে ৮ কোটি ২১ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩০ কপি। ইবতেদায়ির প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির জন্য ছাপানো হবে ৩ কোটি ৩২ লাখ ৯৬ হাজার ৪০০ কপি।

নিম্নমাধ্যমিকের ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য ৪ কোটি ৩৪ লাখ ৬১ হাজার ৫৭৭, সপ্তম শ্রেণির জন্য ৪ কোটি ৯ লাখ ৬০ হাজার ৬০১ এবং অষ্টম শ্রেণির জন্য ৩ কোটি ৯৩ লাখ ৭৩ হাজার ৫১৫ কপি বই ছাপানো হবে। মাধ্যমিকের নবম শ্রেণির জন্য ছাপানো হবে ৫ কোটি ৫৬ লাখ ২৭ হাজার ২৩৫ কপি। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ব্রেইল বই ছাপানো হবে ৯ হাজার ৪ কপি।

পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এবার চতুর্থ শ্রেণিতে ‘খেলাধুলা’ ও ‘আমাদের সংস্কৃতি’ এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে ‘আনন্দময় শিক্ষা’ ও ‘কারিগরি শিক্ষা’ নামে নতুন চারটি বিষয় চালু হচ্ছে। চতুর্থ শ্রেণির নতুন দুই বিষয়ের বই ছাপানো হবে ৬২ লাখ ৫৯ হাজার ২৮ কপি এবং ষষ্ঠ শ্রেণির নতুন দুই বিষয়ের বই ছাপানো হবে ৭১ লাখ ৫৭ হাজার ৫৯০ কপি। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সব মিলিয়ে ৩০ কোটি ৯২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩৯ কপি পাঠ্যবই ছাপানো হবে।