ঢাকা ০২:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘পাহাড়ি কৃষিপণ্য রপ্তানিতে মানসম্মত উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি’ শাহজালালে বিমানের জরুরি অবতরণের পর ছুটে গেলেন মন্ত্রী এআই দিয়ে জামায়াত-শিবির সরকারবিরোধী যে অপপ্রচার ছড়াচ্ছে, তা আ. লীগও করেনি দেশের ৫০৩টি উপজেলার উন্নয়নে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে : এলজিআরডি মন্ত্রী আঙুলের কালির দাগ শুকানোর আগেই সরকার ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ৪ সাবেক মুখ্যমন্ত্রীসহ ৭ হাজারের বেশি আটক: মোদি সরকারকে তীব্র নিন্দা জাতিসংঘ, অ্যামনেস্টিসহ বিরোধীদের আগামী বছরের রমজান শুরু হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি ক্যামেরার ফ্রেমে পরিযায়ী পাখির চোখজুড়ানো দৃশ্য পতনের দ্বারপ্রান্তে মোদির সরকার বিদ্যুৎ বিভাগের ৪১টি উন্নয়ন প্রকল্পে ১০ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকার সহায়তা

ক্যামেরার ফ্রেমে পরিযায়ী পাখির চোখজুড়ানো দৃশ্য

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:২৪:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৭ বার
বাংলাদেশে প্রতিবছর শীতকালে আসে নানা প্রজাতির পরিযায়ী পাখি। সাইবেরিয়ার তুন্দ্রা অঞ্চল, ইউরোপ ও মধ্য এশিয়াসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে এ দেশে আসে এসব পাখি। শীতের কয়েক মাস বাংলাদেশের নদী, হাওর, বিল ও জলাভূমি হয়ে ওঠে তাদের অস্থায়ী আবাস।
বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন সময়ে এসব অতিথি পাখির ছবি তুলেছেন দেশি ফটোগ্রাফাররা। তাদের ক্যামেরায় ধরা পড়া এমন নয়টি পরিযায়ী পাখির পরিচিতি তুলে ধরা হলো।
চকাচকি বা খয়রা চখাচখি
২০২৪ সালে রাজশাহীতে চকাচকি বা খয়রা চখাচখির এই ছবিটি তুলেছেন আসকের ইবনে ফিরোজ (রুশো)
২০২৪ সালে রাজশাহীতে চকাচকি বা খয়রা চখাচখির এই ছবিটি তুলেছেন আসকের ইবনে ফিরোজ (রুশো)

চকাচকি বা খয়রা চখাচখির বিস্তৃতি বিশ্বজুড়ে। এদের আবাসের বিস্তৃতি প্রায় ৮৪ লাখ ১০ হাজার বর্গকিলোমিটার। গত কয়েক দশকে পাখিটির সংখ্যা কমলেও তা এখনো আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছায়নি। শীতকালে এরা পরিযায়ী হয়ে বাংলাদেশে আসে।
নীলগলা ফিদ্দা
ঢাকায় ২০২১ সালে পরিযায়ী এই পাখিটির ছবি তুলেছেন আসকের ইবনে ফিরোজ (রুশো)
ঢাকায় ২০২১ সালে পরিযায়ী এই পাখিটির ছবি তুলেছেন আসকের ইবনে ফিরোজ (রুশো)

নীলগলা ফিদ্দা সাধারণত একাকী বিচরণ করে। হাওর, বিল ও অন্যান্য জলাশয়ের ধারের ঝোপঝাড় কিংবা নলবনে অন্য পাখির সঙ্গে রাত কাটায়। ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে এদের দেখা যায়। শীতকালে বাংলাদেশেও এ পাখির দেখা মেলে।
পরিযায়ী গাঙচিল, স্থানীয় বড় বক ও ছোট বক
ফেনির মুহুরি প্রজেক্টে কিছু পরিযায়ী গাঙচিল, স্থানীয় বড় বক ও ছোট বক। ২০২৬ সালে ছবিটি তুলেছেন ডাক্তার অনীক চন্দ।
ফেনির মুহুরি প্রজেক্টে কিছু পরিযায়ী গাঙচিল, স্থানীয় বড় বক ও ছোট বক। ২০২৬ সালে ছবিটি তুলেছেন ডাক্তার অনীক চন্দ।

শীতকালে বাংলাদেশের বিভিন্ন জলাভূমি ও নদীতীরে পরিযায়ী গাঙচিলের দেখা মেলে। এসব জলাশয়ের আশপাশে স্থানীয় বড় বক ও ছোট বকও বিচরণ করে। জলজ পরিবেশে খাবারের সন্ধানে থাকা পাখিগুলো প্রকৃতির সৌন্দর্য বাড়িয়ে তোলে।
দাগি রাজহাঁস
রাজশাহীতে ২০১৭ সালে দাগি রাজহাঁসের এই ছবিটি তুলেছেন সাইফুদ্দিন সাইফ
রাজশাহীতে ২০১৭ সালে দাগি রাজহাঁসের এই ছবিটি তুলেছেন সাইফুদ্দিন সাইফ

দাগি রাজহাঁস বাংলাদেশ, ভারতসহ দক্ষিণ, মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে দেখা যায়। শীতকালে এরা মধ্য এশিয়া থেকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পরিযায়ী হয়ে আসে। শীত শেষে আবার প্রজননক্ষেত্রে ফিরে যায়। এ সময় পার্বত্য হ্রদগুলোতে বিচরণ ও প্রজনন করে। বিশ্বজুড়ে পাখিটির বিস্তৃতি প্রায় ২০ লাখ ২০ হাজার বর্গকিলোমিটার।
চিতিপাখ শালিক
হবিগঞ্জে ২০২০ সালে ছবিটি তুলেছেন বাংলাদেশি ফটোগ্রাফার সাইফুদ্দিন সাইফ
হবিগঞ্জে ২০২০ সালে ছবিটি তুলেছেন বাংলাদেশি ফটোগ্রাফার সাইফুদ্দিন সাইফ

চিতিপাখ শালিক উত্তর ভারত ও পশ্চিম নেপালে বংশবৃদ্ধি করে। শীতকালে এরা উত্তর-পূর্ব ভারত, উত্তর-পূর্ব বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে পরিযায়ী হয়ে আসে। নিচু এলাকার বন এবং আর্দ্র পাহাড়ি বন এদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল।
সাইবেরীয় চুনিকণ্ঠী
চট্টগ্রামের অনন্যা আবাসিক এলাকায় ২০২৫ সালে ছবিটি তুলেছেন রিজওয়ানুল আলম
চট্টগ্রামের অনন্যা আবাসিক এলাকায় ২০২৫ সালে ছবিটি তুলেছেন রিজওয়ানুল আলম

সাইবেরীয় চুনিকণ্ঠীর প্রধান খাবার পোকামাকড় ও অন্যান্য ছোট কীটপতঙ্গ। এরা সাইবেরিয়ার তাইগা অঞ্চলে বাসা বাঁধে। শীতকালে পরিযায়ী হয়ে বাংলাদেশে আসে। এ সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে নলখাগড়ার ঝাড়, ঝোপঝাড়, ঘন গুল্ম, বেড়া এবং জলাভূমি ও জলাশয়ের আশপাশে এদের দেখা যায়।
নীলশীর বা নীলমাথা হাঁস
সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে ২০২৬ সালে ছবিটি তুলেছেন বাংলাদেশি ফটোগ্রাফার মাইনুল এইচ তানভীর
সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে ২০২৬ সালে ছবিটি তুলেছেন বাংলাদেশি ফটোগ্রাফার মাইনুল এইচ তানভীর

নীলশীর বা নীলমাথা হাঁস ইউরেশিয়া ও উত্তর আফ্রিকার নাতিশীতোষ্ণ এবং উপক্রান্তীয় অঞ্চলে প্রজনন করে। এরা জলাভূমিতে বসবাস করে এবং জলজ উদ্ভিদ ও ছোট প্রাণী খায়। সাধারণত দলবদ্ধভাবে বা বিভিন্ন আকারের ঝাঁকে থাকতে পছন্দ করে। শীতের শুরুতে এরা পরিযায়ী হয়ে বাংলাদেশে আসে।
রাঙ্গামুড়ি বা লালঝুঁটি ভুতিহাঁস
সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে ২০২৩ সালে ছবিটি তুলেছেন বাংলাদেশি ফটোগ্রাফার ডাক্তার বাসিত-উর-রশিদ
সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে ২০২৩ সালে ছবিটি তুলেছেন বাংলাদেশি ফটোগ্রাফার ডাক্তার বাসিত-উর-রশিদ

রাঙ্গামুড়ি বা লালঝুঁটি ভুতিহাঁস ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যায়। বিশ্বজুড়ে পাখিটির বিস্তৃতি প্রায় ৩০ লাখ ৬০ হাজার বর্গকিলোমিটার। শীতকালে এরা পরিযায়ী হয়ে বাংলাদেশে আসে এবং বিভিন্ন জলাভূমিতে বিচরণ করে।
ইউরেশীয় মেঠো কাঠঠোকরা
ঢাকায় ২০২০ সালে ইউরেশীয় মেঠো কাঠঠোকরার ছবিটি তুলেছেন ডাক্তার বাসিত-উর-রশিদ
ঢাকায় ২০২০ সালে ইউরেশীয় মেঠো কাঠঠোকরার ছবিটি তুলেছেন ডাক্তার বাসিত-উর-রশিদ

ইউরেশীয় মেঠো কাঠঠোকরা, যা ইউরেশীয় রাইনেক নামেও পরিচিত, মূলত ইউরোপ ও এশিয়ার নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে প্রজনন করে। এদের অধিকাংশ জনগোষ্ঠী পরিযায়ী। শীতকালে এরা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় আফ্রিকা এবং ইরান থেকে ভারতীয় উপমহাদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থান করে। খোলা গ্রামাঞ্চল, বনভূমি ও ফলের বাগানে এদের বেশি দেখা যায়।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পাহাড়ি কৃষিপণ্য রপ্তানিতে মানসম্মত উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি’

ক্যামেরার ফ্রেমে পরিযায়ী পাখির চোখজুড়ানো দৃশ্য

আপডেট টাইম : ১১:২৪:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশে প্রতিবছর শীতকালে আসে নানা প্রজাতির পরিযায়ী পাখি। সাইবেরিয়ার তুন্দ্রা অঞ্চল, ইউরোপ ও মধ্য এশিয়াসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে এ দেশে আসে এসব পাখি। শীতের কয়েক মাস বাংলাদেশের নদী, হাওর, বিল ও জলাভূমি হয়ে ওঠে তাদের অস্থায়ী আবাস।
বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন সময়ে এসব অতিথি পাখির ছবি তুলেছেন দেশি ফটোগ্রাফাররা। তাদের ক্যামেরায় ধরা পড়া এমন নয়টি পরিযায়ী পাখির পরিচিতি তুলে ধরা হলো।
চকাচকি বা খয়রা চখাচখি
২০২৪ সালে রাজশাহীতে চকাচকি বা খয়রা চখাচখির এই ছবিটি তুলেছেন আসকের ইবনে ফিরোজ (রুশো)
২০২৪ সালে রাজশাহীতে চকাচকি বা খয়রা চখাচখির এই ছবিটি তুলেছেন আসকের ইবনে ফিরোজ (রুশো)

চকাচকি বা খয়রা চখাচখির বিস্তৃতি বিশ্বজুড়ে। এদের আবাসের বিস্তৃতি প্রায় ৮৪ লাখ ১০ হাজার বর্গকিলোমিটার। গত কয়েক দশকে পাখিটির সংখ্যা কমলেও তা এখনো আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছায়নি। শীতকালে এরা পরিযায়ী হয়ে বাংলাদেশে আসে।
নীলগলা ফিদ্দা
ঢাকায় ২০২১ সালে পরিযায়ী এই পাখিটির ছবি তুলেছেন আসকের ইবনে ফিরোজ (রুশো)
ঢাকায় ২০২১ সালে পরিযায়ী এই পাখিটির ছবি তুলেছেন আসকের ইবনে ফিরোজ (রুশো)

নীলগলা ফিদ্দা সাধারণত একাকী বিচরণ করে। হাওর, বিল ও অন্যান্য জলাশয়ের ধারের ঝোপঝাড় কিংবা নলবনে অন্য পাখির সঙ্গে রাত কাটায়। ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে এদের দেখা যায়। শীতকালে বাংলাদেশেও এ পাখির দেখা মেলে।
পরিযায়ী গাঙচিল, স্থানীয় বড় বক ও ছোট বক
ফেনির মুহুরি প্রজেক্টে কিছু পরিযায়ী গাঙচিল, স্থানীয় বড় বক ও ছোট বক। ২০২৬ সালে ছবিটি তুলেছেন ডাক্তার অনীক চন্দ।
ফেনির মুহুরি প্রজেক্টে কিছু পরিযায়ী গাঙচিল, স্থানীয় বড় বক ও ছোট বক। ২০২৬ সালে ছবিটি তুলেছেন ডাক্তার অনীক চন্দ।

শীতকালে বাংলাদেশের বিভিন্ন জলাভূমি ও নদীতীরে পরিযায়ী গাঙচিলের দেখা মেলে। এসব জলাশয়ের আশপাশে স্থানীয় বড় বক ও ছোট বকও বিচরণ করে। জলজ পরিবেশে খাবারের সন্ধানে থাকা পাখিগুলো প্রকৃতির সৌন্দর্য বাড়িয়ে তোলে।
দাগি রাজহাঁস
রাজশাহীতে ২০১৭ সালে দাগি রাজহাঁসের এই ছবিটি তুলেছেন সাইফুদ্দিন সাইফ
রাজশাহীতে ২০১৭ সালে দাগি রাজহাঁসের এই ছবিটি তুলেছেন সাইফুদ্দিন সাইফ

দাগি রাজহাঁস বাংলাদেশ, ভারতসহ দক্ষিণ, মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে দেখা যায়। শীতকালে এরা মধ্য এশিয়া থেকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পরিযায়ী হয়ে আসে। শীত শেষে আবার প্রজননক্ষেত্রে ফিরে যায়। এ সময় পার্বত্য হ্রদগুলোতে বিচরণ ও প্রজনন করে। বিশ্বজুড়ে পাখিটির বিস্তৃতি প্রায় ২০ লাখ ২০ হাজার বর্গকিলোমিটার।
চিতিপাখ শালিক
হবিগঞ্জে ২০২০ সালে ছবিটি তুলেছেন বাংলাদেশি ফটোগ্রাফার সাইফুদ্দিন সাইফ
হবিগঞ্জে ২০২০ সালে ছবিটি তুলেছেন বাংলাদেশি ফটোগ্রাফার সাইফুদ্দিন সাইফ

চিতিপাখ শালিক উত্তর ভারত ও পশ্চিম নেপালে বংশবৃদ্ধি করে। শীতকালে এরা উত্তর-পূর্ব ভারত, উত্তর-পূর্ব বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে পরিযায়ী হয়ে আসে। নিচু এলাকার বন এবং আর্দ্র পাহাড়ি বন এদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল।
সাইবেরীয় চুনিকণ্ঠী
চট্টগ্রামের অনন্যা আবাসিক এলাকায় ২০২৫ সালে ছবিটি তুলেছেন রিজওয়ানুল আলম
চট্টগ্রামের অনন্যা আবাসিক এলাকায় ২০২৫ সালে ছবিটি তুলেছেন রিজওয়ানুল আলম

সাইবেরীয় চুনিকণ্ঠীর প্রধান খাবার পোকামাকড় ও অন্যান্য ছোট কীটপতঙ্গ। এরা সাইবেরিয়ার তাইগা অঞ্চলে বাসা বাঁধে। শীতকালে পরিযায়ী হয়ে বাংলাদেশে আসে। এ সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে নলখাগড়ার ঝাড়, ঝোপঝাড়, ঘন গুল্ম, বেড়া এবং জলাভূমি ও জলাশয়ের আশপাশে এদের দেখা যায়।
নীলশীর বা নীলমাথা হাঁস
সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে ২০২৬ সালে ছবিটি তুলেছেন বাংলাদেশি ফটোগ্রাফার মাইনুল এইচ তানভীর
সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে ২০২৬ সালে ছবিটি তুলেছেন বাংলাদেশি ফটোগ্রাফার মাইনুল এইচ তানভীর

নীলশীর বা নীলমাথা হাঁস ইউরেশিয়া ও উত্তর আফ্রিকার নাতিশীতোষ্ণ এবং উপক্রান্তীয় অঞ্চলে প্রজনন করে। এরা জলাভূমিতে বসবাস করে এবং জলজ উদ্ভিদ ও ছোট প্রাণী খায়। সাধারণত দলবদ্ধভাবে বা বিভিন্ন আকারের ঝাঁকে থাকতে পছন্দ করে। শীতের শুরুতে এরা পরিযায়ী হয়ে বাংলাদেশে আসে।
রাঙ্গামুড়ি বা লালঝুঁটি ভুতিহাঁস
সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে ২০২৩ সালে ছবিটি তুলেছেন বাংলাদেশি ফটোগ্রাফার ডাক্তার বাসিত-উর-রশিদ
সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে ২০২৩ সালে ছবিটি তুলেছেন বাংলাদেশি ফটোগ্রাফার ডাক্তার বাসিত-উর-রশিদ

রাঙ্গামুড়ি বা লালঝুঁটি ভুতিহাঁস ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যায়। বিশ্বজুড়ে পাখিটির বিস্তৃতি প্রায় ৩০ লাখ ৬০ হাজার বর্গকিলোমিটার। শীতকালে এরা পরিযায়ী হয়ে বাংলাদেশে আসে এবং বিভিন্ন জলাভূমিতে বিচরণ করে।
ইউরেশীয় মেঠো কাঠঠোকরা
ঢাকায় ২০২০ সালে ইউরেশীয় মেঠো কাঠঠোকরার ছবিটি তুলেছেন ডাক্তার বাসিত-উর-রশিদ
ঢাকায় ২০২০ সালে ইউরেশীয় মেঠো কাঠঠোকরার ছবিটি তুলেছেন ডাক্তার বাসিত-উর-রশিদ

ইউরেশীয় মেঠো কাঠঠোকরা, যা ইউরেশীয় রাইনেক নামেও পরিচিত, মূলত ইউরোপ ও এশিয়ার নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে প্রজনন করে। এদের অধিকাংশ জনগোষ্ঠী পরিযায়ী। শীতকালে এরা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় আফ্রিকা এবং ইরান থেকে ভারতীয় উপমহাদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থান করে। খোলা গ্রামাঞ্চল, বনভূমি ও ফলের বাগানে এদের বেশি দেখা যায়।