ঢাকা ১২:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন আওয়ামী আমলের আমলনামা উন্নয়নের আড়ালে ২৮ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ২৯ অক্টোবর মধ্য রাত থেকে উঠে যাচ্ছে ইলিশ রক্ষার নিষেধাজ্ঞা স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে জুবাইদা রহমানের আহ্বান কৃষিতেও বাড়ছে খেলাপির চাপ ৩১ অক্টোবর লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছ: হুমায়ূন কবির আইজিপি সহজ-সরল মানুষ, ক্রসফায়ার নিয়ে বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ায় সামরিক চুক্তিতে বাধ্য করার প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ

বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে সহযোগিতা বাড়ানোর বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:১৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪৪ বার

বঙ্গোপসাগরকে ঘিরে আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের ভৌগোলিক ও কৌশলগত অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে সমুদ্রবন্দর, নৌপথ ও উপকূলীয় অর্থনীতির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হবে। বাণিজ্য, জ্বালানি, শিক্ষা, প্রযুক্তি, জলবায়ু ও সমুদ্র খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) ঢাকায় ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’-এর উদ্বোধনী ভাষণে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি সরকারের আগামী পাঁচ বছরের বিভিন্ন পরিকল্পনা ও অগ্রাধিকার তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন নির্বাচিত সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনার অগ্রাধিকার হলো জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষা, নীতিমালার ধারাবাহিকতা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার। সরকার এখন প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

বিনিয়োগ বাড়াতে নীতিগত নিশ্চয়তা ও দীর্ঘমেয়াদি নীতির ধারাবাহিকতার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। উৎপাদন, সেবা ও রপ্তানিসহ বিভিন্ন খাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশকে শক্তিশালী উৎপাদন ও বিনিয়োগের কেন্দ্রে পরিণত করার কথা জানান।

সামাজিক সুরক্ষায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘কৃষক কার্ড’, ‘হেলথ কার্ড’ ও ‘ইউনিভার্সেল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পরিবারের মায়ের হাতে আর্থিক সহায়তা পৌঁছানো হবে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের সরকারি প্রণোদনা ও কৃষিসেবার সঙ্গে যুক্ত করা হবে। হেলথ কার্ডের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা এবং ইউনিভার্সেল কার্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি সেবা এক প্ল্যাটফর্মে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে সেবা পৌঁছে দিতে ১ লাখ স্বাস্থ্যসেবাকর্মী নিয়োগে কাজ চলছে। তাঁদের প্রায় ৮০ শতাংশ নারী হবেন। মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষাতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষাক্ষেত্রে প্রথম শ্রেণি থেকেই বিনামূল্যে ইউনিফর্ম, স্কুলব্যাগ, মিড-ডে মিল ও বৃত্তি দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের বিনামূল্যে শিক্ষার পরিধি সম্প্রসারণ এবং সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসারের কথাও বলেন।

তরুণদের কর্মসংস্থান নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তিগত রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে দক্ষতা উন্নয়ন, উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা ও স্টার্টআপে সহায়তা দেওয়া হবে। তরুণদের বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতার উপযোগী করে গড়ে তুলে ‘ব্রেইন ড্রেন’কে ‘ব্রেইন সার্কুলেশন’-এ রূপান্তরের লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

কৃষিকে অর্থনীতির মূল ভিত্তি উল্লেখ করে প্রযুক্তি, সেচ, কৃষি অর্থায়ন ও বাজারসংযোগ সহজ করার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের সহায়তার পাশাপাশি কৃষিপ্রক্রিয়াজাতকরণ ও কৃষিপণ্য রপ্তানি বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

পানি ব্যবস্থাপনায় আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল ও জলপথ খননের পরিকল্পনার কথা জানান তারেক রহমান। পাশাপাশি পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প এগিয়ে নেওয়া এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের কথা বলেন তিনি।

পরিবেশ সুরক্ষায় আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানো, বর্জ্য পুনর্ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব শিল্প সম্প্রসারণের কথাও বলেন তিনি।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখনো প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে। তাঁদের দ্রুত, স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করাই বাংলাদেশের প্রধান লক্ষ্য। এ জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক সমর্থন ও অর্থায়ন প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বঙ্গোপসাগর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাহাজ চলাচল, মৎস্যসম্পদ, পর্যটন, জ্বালানি ও আঞ্চলিক সরবরাহ চেইনে বঙ্গোপসাগরকে ঘিরে বড় সম্ভাবনা রয়েছে। এই অভিন্ন ভৌগোলিক অবস্থানকে অভিন্ন সমৃদ্ধিতে রূপ দিতে আরও গভীর দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পৃক্ততা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বাণিজ্য, জ্বালানি, শিক্ষা, প্রযুক্তি, জলবায়ু ও সমুদ্র খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ করতে চায়। একই সঙ্গে জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অংশীদারদের সঙ্গে ইতিবাচকভাবে কাজ করার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

তাঁর বক্তব্যে শান্তি, সংলাপ, অংশীদারত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাকে আঞ্চলিক সমৃদ্ধির ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন

বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে সহযোগিতা বাড়ানোর বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট টাইম : ১২:১৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

বঙ্গোপসাগরকে ঘিরে আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের ভৌগোলিক ও কৌশলগত অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে সমুদ্রবন্দর, নৌপথ ও উপকূলীয় অর্থনীতির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হবে। বাণিজ্য, জ্বালানি, শিক্ষা, প্রযুক্তি, জলবায়ু ও সমুদ্র খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) ঢাকায় ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’-এর উদ্বোধনী ভাষণে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি সরকারের আগামী পাঁচ বছরের বিভিন্ন পরিকল্পনা ও অগ্রাধিকার তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন নির্বাচিত সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনার অগ্রাধিকার হলো জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষা, নীতিমালার ধারাবাহিকতা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার। সরকার এখন প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

বিনিয়োগ বাড়াতে নীতিগত নিশ্চয়তা ও দীর্ঘমেয়াদি নীতির ধারাবাহিকতার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। উৎপাদন, সেবা ও রপ্তানিসহ বিভিন্ন খাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশকে শক্তিশালী উৎপাদন ও বিনিয়োগের কেন্দ্রে পরিণত করার কথা জানান।

সামাজিক সুরক্ষায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘কৃষক কার্ড’, ‘হেলথ কার্ড’ ও ‘ইউনিভার্সেল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পরিবারের মায়ের হাতে আর্থিক সহায়তা পৌঁছানো হবে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের সরকারি প্রণোদনা ও কৃষিসেবার সঙ্গে যুক্ত করা হবে। হেলথ কার্ডের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা এবং ইউনিভার্সেল কার্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি সেবা এক প্ল্যাটফর্মে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে সেবা পৌঁছে দিতে ১ লাখ স্বাস্থ্যসেবাকর্মী নিয়োগে কাজ চলছে। তাঁদের প্রায় ৮০ শতাংশ নারী হবেন। মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষাতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষাক্ষেত্রে প্রথম শ্রেণি থেকেই বিনামূল্যে ইউনিফর্ম, স্কুলব্যাগ, মিড-ডে মিল ও বৃত্তি দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের বিনামূল্যে শিক্ষার পরিধি সম্প্রসারণ এবং সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসারের কথাও বলেন।

তরুণদের কর্মসংস্থান নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তিগত রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে দক্ষতা উন্নয়ন, উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা ও স্টার্টআপে সহায়তা দেওয়া হবে। তরুণদের বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতার উপযোগী করে গড়ে তুলে ‘ব্রেইন ড্রেন’কে ‘ব্রেইন সার্কুলেশন’-এ রূপান্তরের লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

কৃষিকে অর্থনীতির মূল ভিত্তি উল্লেখ করে প্রযুক্তি, সেচ, কৃষি অর্থায়ন ও বাজারসংযোগ সহজ করার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের সহায়তার পাশাপাশি কৃষিপ্রক্রিয়াজাতকরণ ও কৃষিপণ্য রপ্তানি বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

পানি ব্যবস্থাপনায় আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল ও জলপথ খননের পরিকল্পনার কথা জানান তারেক রহমান। পাশাপাশি পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প এগিয়ে নেওয়া এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের কথা বলেন তিনি।

পরিবেশ সুরক্ষায় আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানো, বর্জ্য পুনর্ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব শিল্প সম্প্রসারণের কথাও বলেন তিনি।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখনো প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে। তাঁদের দ্রুত, স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করাই বাংলাদেশের প্রধান লক্ষ্য। এ জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক সমর্থন ও অর্থায়ন প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বঙ্গোপসাগর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাহাজ চলাচল, মৎস্যসম্পদ, পর্যটন, জ্বালানি ও আঞ্চলিক সরবরাহ চেইনে বঙ্গোপসাগরকে ঘিরে বড় সম্ভাবনা রয়েছে। এই অভিন্ন ভৌগোলিক অবস্থানকে অভিন্ন সমৃদ্ধিতে রূপ দিতে আরও গভীর দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পৃক্ততা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বাণিজ্য, জ্বালানি, শিক্ষা, প্রযুক্তি, জলবায়ু ও সমুদ্র খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ করতে চায়। একই সঙ্গে জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অংশীদারদের সঙ্গে ইতিবাচকভাবে কাজ করার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

তাঁর বক্তব্যে শান্তি, সংলাপ, অংশীদারত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাকে আঞ্চলিক সমৃদ্ধির ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়।