তাদের জ্ঞান, দক্ষতা ও নেতৃত্বের সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে মানুষের জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে।মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশিপ সেন্টারের উদ্যোগে আয়োজিত ‘গ্র্যাজুয়েশন সেরিমনি-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ‘এখন যৌবন যার, যুদ্ধে যাওয়ার সময় তার।’ তবে এই যুদ্ধ অস্ত্রের যুদ্ধ নয়; এটি একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার যুদ্ধ।
দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর জন্য সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাই তরুণদের সামনে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশিপ সেন্টারের প্রশিক্ষণ ও নেতৃত্ব উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, এ ধরনের প্রশিক্ষণ তরুণদের ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত করছে। এই প্রশিক্ষণকে শুধু ব্যক্তিগত উন্নয়নের বিষয় হিসেবে না দেখে দেশ গড়ার বৃহত্তর দায়িত্ব পালনের প্রস্তুতি হিসেবে দেখতে হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস তরুণদের আত্মত্যাগ ও অবদানে সমৃদ্ধ।
ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা অর্জন এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন পর্যায়ে তরুণেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নির্মাণেও তাদের এগিয়ে আসতে হবে।গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, প্রশিক্ষণ শেষে তাদের জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে। ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি দেশ ও মানুষের কল্যাণে নিজেদের জ্ঞান, দক্ষতা ও নেতৃত্বের সক্ষমতা কাজে লাগাতে হবে।
তিনি বলেন, ‘আপনাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।