ঢাকা ০২:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জনমুখী পুলিশিংয়ের মূল ভিত্তি হলো জনগণের আস্থা অর্জন : আইজিপি এআই-সেমিকন্ডাক্টর ও রোবটিক্সে গবেষণায় তরুণদের নীতিসহায়তার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর: স্বপন প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফর ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৪ স্তরের নিরাপত্তা প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী নৌপথের ভাড়া বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও পরিকল্পনার কথা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপিসহ তিন কমিটি বিলুপ্ত, বহিষ্কার ১৪ সঠিক প্যারেন্টিং যেভাবে গড়ে দেয় শিশুর ভবিষ্যৎ তারপরও দলে উন্নতির ছাপ দেখছেন হামজা মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি কাটেনি, নীতি সুদহার ৯.৫০ শতাংশে অপরিবর্তিত

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রেখেই বিনিয়োগে গতি ফেরাতে চায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:১০:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৯ বার

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ ও ব্যাংকঋণের চাহিদা বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের ওপরে থাকলেও বেসরকারি খাতে ব্যাংকঋণের প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের নিচে। এমন পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতি কমানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি ফেরানো ও উৎপাদনশীল খাতে ঋণের প্রবাহ বাড়ানোর মধ্যে ভারসাম্য রাখাই নতুন মুদ্রানীতির অন্যতম লক্ষ্য।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করবেন। প্রথমবারের মতো ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসের (অক্টোবর-ডিসেম্বর) জন্য এ মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আরিফ হোসেন খান ঢাকা পোস্টকে বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তিন মাস পরপর মুদ্রানীতি ঘোষণার একটি প্রস্তাব ছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়টি পর্যালোচনা করে তিন মাসের জন্য নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণার উদ্যোগ নিয়েছে।

মুদ্রানীতিতে কোন বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি ও বেসরকারি বিনিয়োগ দুটিই গুরুত্বপূর্ণ। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই দুটি বিষয় নিয়েই কাজ করে। তাই মূল্যস্ফীতি ও বেসরকারি বিনিয়োগকে সমন্বয় করেই নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা হবে।’

এতদিন বাংলাদেশ ব্যাংক বছরে দুইবার জানুয়ারি-জুন ও জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদে মুদ্রানীতি ঘোষণা করত। এবার তিন মাসের জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণার মাধ্যমে সেই ধারায় পরিবর্তন আসছে।

বেসরকারি বিনিয়োগ

বেসরকারি খাতে ব্যাংকঋণের প্রবৃদ্ধি দীর্ঘদিন ধরেই দুর্বল। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জুলাই শেষে এ খাতে ঋণপ্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ৬২ শতাংশ। জুনে এ প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ, যা ছিল রেকর্ড সর্বনিম্ন। ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৬ দশমিক ৮০ শতাংশ নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বিনিয়োগের স্থবিরতা, ব্যবসায়িক অনিশ্চয়তা, জ্বালানি সংকট ও উচ্চ সুদের কারণে ঋণের চাহিদা কমেছে। ব্যাংকগুলোতে পর্যাপ্ত তারল্য থাকলেও নতুন বিনিয়োগে উদ্যোক্তাদের আগ্রহ কম থাকায় সেই অর্থ উৎপাদনশীল খাতে যাচ্ছে না।

বেসরকারি বিনিয়োগে গতি ফেরাতে গত ২ আগস্ট নীতি সুদহার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৯ দশমিক ৫০ শতাংশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ঋণের খরচ কমিয়ে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ানো ছিল এর অন্যতম উদ্দেশ্য। তবে এরপরও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের ওপরে ওঠেনি।

মূল্যস্ফীতির চাপ

অন্যদিকে মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা কমেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে দেশে সাধারণ মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ। জুলাইয়ে এ হার ছিল ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। আগস্টে মূল্যস্ফীতি গত ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।

তবে মূল্যস্ফীতি এখনো ৮ শতাংশের ওপরে থাকায় মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর চাপ রয়েছে। ফলে মূল্যস্ফীতি কমানোর ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি ঋণ ও বিনিয়োগ বাড়াতে কতটা সুযোগ রাখা হবে, সেটিই নতুন মুদ্রানীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতি সুদহার বর্তমান অবস্থানে রাখার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সরকারের সম্ভাব্য প্রণোদনা কর্মসূচি, বিভিন্ন খাতে তারল্য সহায়তা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার কেনার ফলে অর্থনীতিতে অতিরিক্ত তারল্য তৈরি হতে পারে। এতে মূল্যস্ফীতির ওপর নতুন চাপ তৈরির আশঙ্কা রয়েছে।

তিন মাস পরপর মুদ্রানীতি

সম্প্রতি জাতীয় সংসদের একটি কমিটিতেও বছরে চারবার মুদ্রানীতি ঘোষণার প্রস্তাব এসেছে। অর্থনীতির দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে মুদ্রানীতিকে দ্রুত সমন্বয় করাই এর অন্যতম উদ্দেশ্য। তিন মাস পরপর মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হলে মূল্যস্ফীতি, ঋণপ্রবাহ, বিনিয়োগ ও তারল্যের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্রুত নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পাবে।

এর আগে গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটে আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার পাশাপাশি ৬ দশমিক ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সরকারের লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আসন্ন অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য ঠিক করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বর্তমানে মূল্যস্ফীতি সেই লক্ষ্যের চেয়ে প্রায় দেড় শতাংশীয় পয়েন্ট বেশি।

এ অবস্থায় আগামী তিন মাসের মুদ্রানীতিতে নীতি সুদহার, তারল্য ব্যবস্থাপনা এবং বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কী অবস্থান নেয়, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনমুখী পুলিশিংয়ের মূল ভিত্তি হলো জনগণের আস্থা অর্জন : আইজিপি

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রেখেই বিনিয়োগে গতি ফেরাতে চায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক

আপডেট টাইম : ১২:১০:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ ও ব্যাংকঋণের চাহিদা বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের ওপরে থাকলেও বেসরকারি খাতে ব্যাংকঋণের প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের নিচে। এমন পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতি কমানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি ফেরানো ও উৎপাদনশীল খাতে ঋণের প্রবাহ বাড়ানোর মধ্যে ভারসাম্য রাখাই নতুন মুদ্রানীতির অন্যতম লক্ষ্য।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করবেন। প্রথমবারের মতো ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসের (অক্টোবর-ডিসেম্বর) জন্য এ মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আরিফ হোসেন খান ঢাকা পোস্টকে বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তিন মাস পরপর মুদ্রানীতি ঘোষণার একটি প্রস্তাব ছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়টি পর্যালোচনা করে তিন মাসের জন্য নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণার উদ্যোগ নিয়েছে।

মুদ্রানীতিতে কোন বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি ও বেসরকারি বিনিয়োগ দুটিই গুরুত্বপূর্ণ। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই দুটি বিষয় নিয়েই কাজ করে। তাই মূল্যস্ফীতি ও বেসরকারি বিনিয়োগকে সমন্বয় করেই নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা হবে।’

এতদিন বাংলাদেশ ব্যাংক বছরে দুইবার জানুয়ারি-জুন ও জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদে মুদ্রানীতি ঘোষণা করত। এবার তিন মাসের জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণার মাধ্যমে সেই ধারায় পরিবর্তন আসছে।

বেসরকারি বিনিয়োগ

বেসরকারি খাতে ব্যাংকঋণের প্রবৃদ্ধি দীর্ঘদিন ধরেই দুর্বল। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জুলাই শেষে এ খাতে ঋণপ্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ৬২ শতাংশ। জুনে এ প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ, যা ছিল রেকর্ড সর্বনিম্ন। ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৬ দশমিক ৮০ শতাংশ নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বিনিয়োগের স্থবিরতা, ব্যবসায়িক অনিশ্চয়তা, জ্বালানি সংকট ও উচ্চ সুদের কারণে ঋণের চাহিদা কমেছে। ব্যাংকগুলোতে পর্যাপ্ত তারল্য থাকলেও নতুন বিনিয়োগে উদ্যোক্তাদের আগ্রহ কম থাকায় সেই অর্থ উৎপাদনশীল খাতে যাচ্ছে না।

বেসরকারি বিনিয়োগে গতি ফেরাতে গত ২ আগস্ট নীতি সুদহার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৯ দশমিক ৫০ শতাংশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ঋণের খরচ কমিয়ে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ানো ছিল এর অন্যতম উদ্দেশ্য। তবে এরপরও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের ওপরে ওঠেনি।

মূল্যস্ফীতির চাপ

অন্যদিকে মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা কমেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে দেশে সাধারণ মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ। জুলাইয়ে এ হার ছিল ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। আগস্টে মূল্যস্ফীতি গত ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।

তবে মূল্যস্ফীতি এখনো ৮ শতাংশের ওপরে থাকায় মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর চাপ রয়েছে। ফলে মূল্যস্ফীতি কমানোর ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি ঋণ ও বিনিয়োগ বাড়াতে কতটা সুযোগ রাখা হবে, সেটিই নতুন মুদ্রানীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতি সুদহার বর্তমান অবস্থানে রাখার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সরকারের সম্ভাব্য প্রণোদনা কর্মসূচি, বিভিন্ন খাতে তারল্য সহায়তা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার কেনার ফলে অর্থনীতিতে অতিরিক্ত তারল্য তৈরি হতে পারে। এতে মূল্যস্ফীতির ওপর নতুন চাপ তৈরির আশঙ্কা রয়েছে।

তিন মাস পরপর মুদ্রানীতি

সম্প্রতি জাতীয় সংসদের একটি কমিটিতেও বছরে চারবার মুদ্রানীতি ঘোষণার প্রস্তাব এসেছে। অর্থনীতির দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে মুদ্রানীতিকে দ্রুত সমন্বয় করাই এর অন্যতম উদ্দেশ্য। তিন মাস পরপর মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হলে মূল্যস্ফীতি, ঋণপ্রবাহ, বিনিয়োগ ও তারল্যের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্রুত নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পাবে।

এর আগে গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটে আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার পাশাপাশি ৬ দশমিক ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সরকারের লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আসন্ন অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য ঠিক করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বর্তমানে মূল্যস্ফীতি সেই লক্ষ্যের চেয়ে প্রায় দেড় শতাংশীয় পয়েন্ট বেশি।

এ অবস্থায় আগামী তিন মাসের মুদ্রানীতিতে নীতি সুদহার, তারল্য ব্যবস্থাপনা এবং বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কী অবস্থান নেয়, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।