ঢাকা ০৩:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর সফর চার দিনে ৩০ কর্মসূচি ১১ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক দেশজুড়ে জ্বলবে সৌরবিদ্যুৎ ৫ গোলের রোমাঞ্চকর ম্যাচে ইংল্যান্ডকে হারাল স্পেন অপরাধের ‘পাইপলাইন’ কিশোর গ্যাং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় পোশাকশিল্পের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতি উপজেলায় ১০ তরুণ উদ্যোক্তাকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত প্রণোদনা দেওয়া হবে : বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর যুক্তরাষ্ট্রে প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ দিনের সফরে কী কী হলো বিরোধীদলের লংমার্চের কৌশল মানুষ বুঝে গেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পোপ লিওর ফ্রান্স সফরে ধর্মীয় আবহ, প্যারিস-লুর্দে মানুষের ঢল

মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়, আজ স্বপ্ন দেখার দিন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৪৯:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৩ বার

ঘুমের মধ্যে দেখা স্বপ্ন সকালে মিলিয়ে যায়। কিন্তু কিছু স্বপ্ন মানুষকে ঘুমাতেই দেয় না—বারবার তাড়িয়ে বেড়ায়, এগিয়ে যেতে শেখায়, অসম্ভবকে সম্ভব করার সাহস জোগায়। পৃথিবীর বড় বড় পরিবর্তনের শুরু হয়েছে এমনই কোনো এক স্বপ্ন থেকে। আজ সেই স্বপ্ন দেখার দিন—বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবস।

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ‘বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবস’। ২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওজিওমা এগুয়াওয়ানওয়ের উদ্যোগে দিবসটির সূচনা হয়। মানুষকে নিজের স্বপ্নের প্রতি মনোযোগী করা এবং তা বাস্তবায়নে উৎসাহিত করাই দিবসটির অন্যতম উদ্দেশ্য।

স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা থেকেই পৃথিবীতে অনেক নতুন কিছুর সূচনা হয়েছে। বছরের পর বছর ধরে আবিষ্কার ও উদ্ভাবনের পেছনে ছিল কোনো না কোনো মানুষের কল্পনা ও স্বপ্ন। কবি-সাহিত্যিকদের অসংখ্য সৃষ্টি, শিল্পীর নানা কাজ কিংবা বিজ্ঞানীদের যুগান্তকারী আবিষ্কার—সবকিছুর শুরু হতে পারে একটি স্বপ্ন থেকেই।

ইতিহাসেও এমন অনেক উদাহরণ রয়েছে। মার্কিন মানবাধিকার আন্দোলনের অন্যতম নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র তাঁর বিখ্যাত ‘আই হ্যাভ আ ড্রিম’ বা ‘আমার একটি স্বপ্ন আছে’ বক্তৃতায় বর্ণবৈষম্যহীন একটি সমাজের স্বপ্ন তুলে ধরেছিলেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে তিনি দীর্ঘদিন আন্দোলন ও সংগ্রাম করেছেন।

স্বপ্ন নিয়ে ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিজ্ঞানী এপিজে আবদুল কালামের একটি বিখ্যাত উক্তিও রয়েছে—‘স্বপ্ন সেটা নয়, যেটা মানুষ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখে; স্বপ্ন সেটাই, যেটা পূরণের প্রত্যাশা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না।’

তবে শুধু স্বপ্ন দেখলেই তা বাস্তবে রূপ নেয় না। প্রয়োজন পরিকল্পনা, পরিশ্রম, ধৈর্য এবং প্রতিকূলতার মুখে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা। জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করে সেই অনুযায়ী কাজ করলেই স্বপ্ন ধীরে ধীরে বাস্তবতার রূপ পেতে পারে।

বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবস হতে পারে নিজের স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবার একটি উপলক্ষ। কয়েক বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চান, কী অর্জন করতে চান—এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজা যেতে পারে আজই।

নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে কী কী প্রয়োজন, কোন পথে এগোতে হবে এবং কোথা থেকে শুরু করতে হবে—সেসব নিয়ে পরিকল্পনা করুন। স্বপ্নকে যত্নে লালন করুন, সেই অনুযায়ী লক্ষ্য নির্ধারণ করুন এবং প্রতিদিন একটু একটু করে এগিয়ে যান। কারণ বড় পরিবর্তনের শুরু অনেক সময় হয় একটি ছোট স্বপ্ন থেকেই।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর সফর চার দিনে ৩০ কর্মসূচি ১১ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক

মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়, আজ স্বপ্ন দেখার দিন

আপডেট টাইম : ১২:৪৯:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঘুমের মধ্যে দেখা স্বপ্ন সকালে মিলিয়ে যায়। কিন্তু কিছু স্বপ্ন মানুষকে ঘুমাতেই দেয় না—বারবার তাড়িয়ে বেড়ায়, এগিয়ে যেতে শেখায়, অসম্ভবকে সম্ভব করার সাহস জোগায়। পৃথিবীর বড় বড় পরিবর্তনের শুরু হয়েছে এমনই কোনো এক স্বপ্ন থেকে। আজ সেই স্বপ্ন দেখার দিন—বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবস।

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ‘বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবস’। ২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওজিওমা এগুয়াওয়ানওয়ের উদ্যোগে দিবসটির সূচনা হয়। মানুষকে নিজের স্বপ্নের প্রতি মনোযোগী করা এবং তা বাস্তবায়নে উৎসাহিত করাই দিবসটির অন্যতম উদ্দেশ্য।

স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা থেকেই পৃথিবীতে অনেক নতুন কিছুর সূচনা হয়েছে। বছরের পর বছর ধরে আবিষ্কার ও উদ্ভাবনের পেছনে ছিল কোনো না কোনো মানুষের কল্পনা ও স্বপ্ন। কবি-সাহিত্যিকদের অসংখ্য সৃষ্টি, শিল্পীর নানা কাজ কিংবা বিজ্ঞানীদের যুগান্তকারী আবিষ্কার—সবকিছুর শুরু হতে পারে একটি স্বপ্ন থেকেই।

ইতিহাসেও এমন অনেক উদাহরণ রয়েছে। মার্কিন মানবাধিকার আন্দোলনের অন্যতম নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র তাঁর বিখ্যাত ‘আই হ্যাভ আ ড্রিম’ বা ‘আমার একটি স্বপ্ন আছে’ বক্তৃতায় বর্ণবৈষম্যহীন একটি সমাজের স্বপ্ন তুলে ধরেছিলেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে তিনি দীর্ঘদিন আন্দোলন ও সংগ্রাম করেছেন।

স্বপ্ন নিয়ে ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিজ্ঞানী এপিজে আবদুল কালামের একটি বিখ্যাত উক্তিও রয়েছে—‘স্বপ্ন সেটা নয়, যেটা মানুষ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখে; স্বপ্ন সেটাই, যেটা পূরণের প্রত্যাশা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না।’

তবে শুধু স্বপ্ন দেখলেই তা বাস্তবে রূপ নেয় না। প্রয়োজন পরিকল্পনা, পরিশ্রম, ধৈর্য এবং প্রতিকূলতার মুখে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা। জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করে সেই অনুযায়ী কাজ করলেই স্বপ্ন ধীরে ধীরে বাস্তবতার রূপ পেতে পারে।

বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবস হতে পারে নিজের স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবার একটি উপলক্ষ। কয়েক বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চান, কী অর্জন করতে চান—এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজা যেতে পারে আজই।

নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে কী কী প্রয়োজন, কোন পথে এগোতে হবে এবং কোথা থেকে শুরু করতে হবে—সেসব নিয়ে পরিকল্পনা করুন। স্বপ্নকে যত্নে লালন করুন, সেই অনুযায়ী লক্ষ্য নির্ধারণ করুন এবং প্রতিদিন একটু একটু করে এগিয়ে যান। কারণ বড় পরিবর্তনের শুরু অনেক সময় হয় একটি ছোট স্বপ্ন থেকেই।