ঢাকা ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
নারীবান্ধব বৈশ্বিক নীতি নির্ধারণে গুরুত্ব জাতিসংঘের নারী নেতৃত্ব প্ল্যাটফর্মের বার্ষিক সভায় জুবাইদা রহমান ১৭২ বিলিয়ন ডলারের সবুজ বিনিয়োগ : বাংলাদেশের বড় সুযোগ কফি শুধু ঘুম তাড়ায়? দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য নিয়ে যা বলছে গবেষণা কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ইতালির স্কুলে বোরকা-নিকাব নিষিদ্ধ, বিদেশি শিক্ষার্থীতে লাগাম ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় নাসীরুদ্দীনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত সৌরবিদ্যুৎ ও ব্যাটারি স্টোরেজে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান সব হাট-বাজারে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের সময়সীমা বেঁধে দিলো সরকার এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ হতে পারে নভেম্বরের মাঝামাঝি এমবাপ্পে নাকি ইয়ামাল, ব্যালন ডি’অর নিয়ে স্যামুয়েল ইতোর বাজি

পানির সংকট নিরসনে সোলার প্রযুক্তি যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে: মীর হেলাল

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৫৮:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৭ বার

মি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকাগুলোতে সুপেয় পানি ও কৃষি সেচের টেকসই সমাধান নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

তিনি বলেন, বড় কংলাক পাড়ার মতো প্রান্তিক পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর দৈনন্দিন পানির সংকট নিরসন এবং কৃষকদের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে সোলার প্রযুক্তি যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।

বৃহস্পতিবার রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার দুর্গম সাজেক ইউনিয়নের বড় কংলাক পাড়ায় সুবিধাবঞ্চিত পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সোলারভিত্তিক গৃহস্থালি পানি সরবরাহ ও কৃষি সেচ সুবিধা বৃদ্ধি প্রকল্পের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রকৃতিকে রক্ষা করে আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমেই পাহাড়ের প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার ও প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, এ প্রকল্প শুধু গৃহস্থালি পানির চাহিদা পূরণ করবে না, বরং স্থানীয় কৃষি ও অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

পার্বত্য অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন ও টেকসই সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দীপু, জেলা পরিষদ সদস্য মামুনুর রশীদ মামুন ও সূপর্না দেব বর্মন, জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা রিজাউল করিমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সাজেকের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সুপেয় পানির সংকট নিরসনের পাশাপাশি স্থানীয় কৃষি উৎপাদনে সেচ সুবিধা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছেন এলাকাবাসী।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

নারীবান্ধব বৈশ্বিক নীতি নির্ধারণে গুরুত্ব জাতিসংঘের নারী নেতৃত্ব প্ল্যাটফর্মের বার্ষিক সভায় জুবাইদা রহমান

পানির সংকট নিরসনে সোলার প্রযুক্তি যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে: মীর হেলাল

আপডেট টাইম : ১০:৫৮:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকাগুলোতে সুপেয় পানি ও কৃষি সেচের টেকসই সমাধান নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

তিনি বলেন, বড় কংলাক পাড়ার মতো প্রান্তিক পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর দৈনন্দিন পানির সংকট নিরসন এবং কৃষকদের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে সোলার প্রযুক্তি যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।

বৃহস্পতিবার রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার দুর্গম সাজেক ইউনিয়নের বড় কংলাক পাড়ায় সুবিধাবঞ্চিত পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সোলারভিত্তিক গৃহস্থালি পানি সরবরাহ ও কৃষি সেচ সুবিধা বৃদ্ধি প্রকল্পের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রকৃতিকে রক্ষা করে আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমেই পাহাড়ের প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার ও প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, এ প্রকল্প শুধু গৃহস্থালি পানির চাহিদা পূরণ করবে না, বরং স্থানীয় কৃষি ও অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

পার্বত্য অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন ও টেকসই সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দীপু, জেলা পরিষদ সদস্য মামুনুর রশীদ মামুন ও সূপর্না দেব বর্মন, জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা রিজাউল করিমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সাজেকের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সুপেয় পানির সংকট নিরসনের পাশাপাশি স্থানীয় কৃষি উৎপাদনে সেচ সুবিধা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছেন এলাকাবাসী।