ঢাকা ১১:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘পাহাড়ি কৃষিপণ্য রপ্তানিতে মানসম্মত উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি’ শাহজালালে বিমানের জরুরি অবতরণের পর ছুটে গেলেন মন্ত্রী এআই দিয়ে জামায়াত-শিবির সরকারবিরোধী যে অপপ্রচার ছড়াচ্ছে, তা আ. লীগও করেনি দেশের ৫০৩টি উপজেলার উন্নয়নে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে : এলজিআরডি মন্ত্রী আঙুলের কালির দাগ শুকানোর আগেই সরকার ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ৪ সাবেক মুখ্যমন্ত্রীসহ ৭ হাজারের বেশি আটক: মোদি সরকারকে তীব্র নিন্দা জাতিসংঘ, অ্যামনেস্টিসহ বিরোধীদের আগামী বছরের রমজান শুরু হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি ক্যামেরার ফ্রেমে পরিযায়ী পাখির চোখজুড়ানো দৃশ্য পতনের দ্বারপ্রান্তে মোদির সরকার বিদ্যুৎ বিভাগের ৪১টি উন্নয়ন প্রকল্পে ১০ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকার সহায়তা

পানির সংকট নিরসনে সোলার প্রযুক্তি যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে: মীর হেলাল

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৫৮:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩৭ বার

মি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকাগুলোতে সুপেয় পানি ও কৃষি সেচের টেকসই সমাধান নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

তিনি বলেন, বড় কংলাক পাড়ার মতো প্রান্তিক পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর দৈনন্দিন পানির সংকট নিরসন এবং কৃষকদের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে সোলার প্রযুক্তি যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।

বৃহস্পতিবার রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার দুর্গম সাজেক ইউনিয়নের বড় কংলাক পাড়ায় সুবিধাবঞ্চিত পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সোলারভিত্তিক গৃহস্থালি পানি সরবরাহ ও কৃষি সেচ সুবিধা বৃদ্ধি প্রকল্পের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রকৃতিকে রক্ষা করে আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমেই পাহাড়ের প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার ও প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, এ প্রকল্প শুধু গৃহস্থালি পানির চাহিদা পূরণ করবে না, বরং স্থানীয় কৃষি ও অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

পার্বত্য অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন ও টেকসই সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দীপু, জেলা পরিষদ সদস্য মামুনুর রশীদ মামুন ও সূপর্না দেব বর্মন, জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা রিজাউল করিমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সাজেকের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সুপেয় পানির সংকট নিরসনের পাশাপাশি স্থানীয় কৃষি উৎপাদনে সেচ সুবিধা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছেন এলাকাবাসী।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পাহাড়ি কৃষিপণ্য রপ্তানিতে মানসম্মত উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি’

পানির সংকট নিরসনে সোলার প্রযুক্তি যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে: মীর হেলাল

আপডেট টাইম : ১০:৫৮:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকাগুলোতে সুপেয় পানি ও কৃষি সেচের টেকসই সমাধান নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

তিনি বলেন, বড় কংলাক পাড়ার মতো প্রান্তিক পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর দৈনন্দিন পানির সংকট নিরসন এবং কৃষকদের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে সোলার প্রযুক্তি যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।

বৃহস্পতিবার রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার দুর্গম সাজেক ইউনিয়নের বড় কংলাক পাড়ায় সুবিধাবঞ্চিত পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সোলারভিত্তিক গৃহস্থালি পানি সরবরাহ ও কৃষি সেচ সুবিধা বৃদ্ধি প্রকল্পের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রকৃতিকে রক্ষা করে আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমেই পাহাড়ের প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার ও প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, এ প্রকল্প শুধু গৃহস্থালি পানির চাহিদা পূরণ করবে না, বরং স্থানীয় কৃষি ও অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

পার্বত্য অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন ও টেকসই সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দীপু, জেলা পরিষদ সদস্য মামুনুর রশীদ মামুন ও সূপর্না দেব বর্মন, জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা রিজাউল করিমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সাজেকের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সুপেয় পানির সংকট নিরসনের পাশাপাশি স্থানীয় কৃষি উৎপাদনে সেচ সুবিধা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছেন এলাকাবাসী।