স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে স্পিকার বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বাংলাদেশের মানুষ আর কখনো এ ধরনের গুম ও নিপীড়নের সংস্কৃতির শিকার হয়নি। ক্ষমতা ধরে রাখতে বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও ভিন্নমতাবলম্বীদের কণ্ঠরোধ করা হয়েছে।
‘নিপীড়ন থেকে বিপ্লব : রাষ্ট্রের পদ্ধতিগত মানবাধিকার লঙ্ঘন উন্মোচন’ শীর্ষক ডকুমেন্টেশনের মাধ্যমে বিগত শাসনামলে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সাধারণ নাগরিকদের ওপর সংঘটিত গুম ও দমন-পীড়নের বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরা হয়। সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তার ভাই সাজেদুল ইসলাম সুমনের দীর্ঘদিন গুম থাকার মর্মস্পর্শী বিবরণ তুলে ধরেন।
সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেন, ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল তার স্বামী বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী নিখোঁজ হওয়ার পর বাংলাদেশের মানুষের কাছে ‘গুম’ শব্দটি ব্যাপকভাবে পরিচিতি পায়। ক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করতে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ইলিয়াস আলীকে গুম করেছিল। বিচারবহির্ভূত এসব গুম ও হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সফর শেষে তিনি এ দেশের স্বৈরাচারী শাসনামলে সংঘটিত গুম, হত্যাকাণ্ড ও নিপীড়নের বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন আইপিইউর গভর্নিং বডির কাছে উপস্থাপন করবেন।
অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, জহরত আদিব চৌধুরী, তাহসিনা রুশদীর, হুমাম কাদের চৌধুরী, মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, আনিসুর রহমান, সানজিদা ইসলাম, মাধবী মারমাসহ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
Reporter Name 



















