ঢাকা ১২:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অনুকূল পরিবেশে তারেক রহমানের ভারত সফর: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩৬:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩ বার

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত বোয়িং বিমান কেনার বিষয়ে কোনো চাপ না থাকার কথা জানিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, এই উদ্যোগ সম্পূর্ণ চাহিদাভিত্তিক। বিমান বহর বাড়ানোর মাধ্যমে নতুন রুট চালু, যাত্রীসেবা উন্নত ও এশিয়ায় বিমান চলাচলের কেন্দ্র হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে চায় সরকার।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, না, কোনো চাপের মধ্যে নয়, বরং বিমান খাতের চাহিদা অনুযায়ীই আমরা প্রয়োজনমতো বিমান কিনব।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত ও ভারতের রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর সম্প্রতি বলেছেন, ঢাকা-ওয়াশিংটনের মধ্যে নতুন একটি চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অতিরিক্ত বোয়িং বিমান কেনার জন্য কয়েক বিলিয়ন ডলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমান চলাচল কেন্দ্র হিসেবে বাংলাদেশকে আরও বেশি রুটে সেবা দিতে হবে। সেজন্য আমাদের আরও বড় বহর প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বহর সম্প্রসারণ এবং রুট নেটওয়ার্ক বাড়ানো দীর্ঘমেয়াদে রাজস্ব বৃদ্ধি ও বাংলাদেশকে বিমান চলাচলের কেন্দ্রে পরিণত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের মতো বড় বিমান সংস্থাগুলোর প্রবৃদ্ধির উদাহরণ টেনে বলেন, বহর সম্প্রসারণ আন্তর্জাতিক বিমান নেটওয়ার্ক উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে।

গত এপ্রিলে বাংলাদেশ জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিমান প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছে ১৪টি বিমান কেনার চুক্তি সই করে। ৩.৭ বিলিয়ন ডলার মূল্যের এই চুক্তি বিমানের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর সম্ভাবনা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখনো কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। তিনি জানান, অনুকূল পরিবেশ ও উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীদের সময়ের প্রাপ্যতার ওপর নির্ভর করবে সফরের সময়। তিনি উল্লেখ করেন, ৫ আগস্টের ঘটনার পর বাংলাদেশে যে আবহ তৈরি হয়েছে, সে বিষয়ে ভারতকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে।

বৈদেশিক সম্পর্কে ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশ তার বৈদেশিক সম্পর্ক ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কগুলোয় যথাযথ ভারসাম্য রক্ষা করতে চায়। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আশা করে, ভারত কোনো বাংলাদেশি সন্ত্রাসী বা চরমপন্থী গোষ্ঠীকে তার ভূখণ্ড বা সার্বভৌম স্থান ব্যবহারের অনুমতি না দিয়ে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

অনুকূল পরিবেশে তারেক রহমানের ভারত সফর: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১১:৩৬:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত বোয়িং বিমান কেনার বিষয়ে কোনো চাপ না থাকার কথা জানিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, এই উদ্যোগ সম্পূর্ণ চাহিদাভিত্তিক। বিমান বহর বাড়ানোর মাধ্যমে নতুন রুট চালু, যাত্রীসেবা উন্নত ও এশিয়ায় বিমান চলাচলের কেন্দ্র হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে চায় সরকার।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, না, কোনো চাপের মধ্যে নয়, বরং বিমান খাতের চাহিদা অনুযায়ীই আমরা প্রয়োজনমতো বিমান কিনব।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত ও ভারতের রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর সম্প্রতি বলেছেন, ঢাকা-ওয়াশিংটনের মধ্যে নতুন একটি চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অতিরিক্ত বোয়িং বিমান কেনার জন্য কয়েক বিলিয়ন ডলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমান চলাচল কেন্দ্র হিসেবে বাংলাদেশকে আরও বেশি রুটে সেবা দিতে হবে। সেজন্য আমাদের আরও বড় বহর প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বহর সম্প্রসারণ এবং রুট নেটওয়ার্ক বাড়ানো দীর্ঘমেয়াদে রাজস্ব বৃদ্ধি ও বাংলাদেশকে বিমান চলাচলের কেন্দ্রে পরিণত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের মতো বড় বিমান সংস্থাগুলোর প্রবৃদ্ধির উদাহরণ টেনে বলেন, বহর সম্প্রসারণ আন্তর্জাতিক বিমান নেটওয়ার্ক উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে।

গত এপ্রিলে বাংলাদেশ জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিমান প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছে ১৪টি বিমান কেনার চুক্তি সই করে। ৩.৭ বিলিয়ন ডলার মূল্যের এই চুক্তি বিমানের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর সম্ভাবনা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখনো কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। তিনি জানান, অনুকূল পরিবেশ ও উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীদের সময়ের প্রাপ্যতার ওপর নির্ভর করবে সফরের সময়। তিনি উল্লেখ করেন, ৫ আগস্টের ঘটনার পর বাংলাদেশে যে আবহ তৈরি হয়েছে, সে বিষয়ে ভারতকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে।

বৈদেশিক সম্পর্কে ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশ তার বৈদেশিক সম্পর্ক ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কগুলোয় যথাযথ ভারসাম্য রক্ষা করতে চায়। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আশা করে, ভারত কোনো বাংলাদেশি সন্ত্রাসী বা চরমপন্থী গোষ্ঠীকে তার ভূখণ্ড বা সার্বভৌম স্থান ব্যবহারের অনুমতি না দিয়ে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।