ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিয়ের প্রলোভনে আসা যুবতীকে আটকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:২৪:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ১ বার
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে আসা এক যুবতীকে (২৯) ভাড়া বাসায় আটকে রেখে সাত দিন ধরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রধান আসামি আলমগীর হোসেনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গতকাল শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে উপজেলার তারাব পৌরসভার বরপা শান্তিনগর এলাকা থেকে ওই যুবতীকে উদ্ধার করা হয়।রবিবার (২৩ আগস্ট) সকালে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় সাতজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন। মামলার পর অভিযুক্ত আলমগীর, রুনা ও পাপীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর বক্তব্যের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, রূপগঞ্জের বরপা শান্তিনগর এলাকার মৃত শাহেদ আলীর ছেলে আলমগীর হোসেনের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই যুবতীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ১৫ আগস্ট বিয়ের প্রলোভনে তিনি মুন্সীগঞ্জের বিক্রমপুর থেকে রূপগঞ্জে আলমগীরের কাছে আসেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, আলমগীর তাঁকে নিয়ে বরপা শান্তিনগর এলাকায় একটি কক্ষ ভাড়া নেন। সেখানে আলমগীর তার কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে মাদক সেবন করতেন।

পরে ওই যুবতীকে সেখানে আটকে রেখে আলমগীর ও তার সহযোগীরা সাত দিন ধরে ধর্ষণ ও নির্যাতন করেন।গত শনিবার ভাড়া বাসাটির বাড়িওয়ালা বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই যুবতীকে উদ্ধার করে। এদিকে পুলিশ আসার খবর পেয়ে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।

জেলা ‘গ’ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মেহেদী ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় ধর্ষণ মামলা হয়েছে।

মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বিয়ের প্রলোভনে আসা যুবতীকে আটকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

আপডেট টাইম : ১১:২৪:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে আসা এক যুবতীকে (২৯) ভাড়া বাসায় আটকে রেখে সাত দিন ধরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রধান আসামি আলমগীর হোসেনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গতকাল শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে উপজেলার তারাব পৌরসভার বরপা শান্তিনগর এলাকা থেকে ওই যুবতীকে উদ্ধার করা হয়।রবিবার (২৩ আগস্ট) সকালে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় সাতজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন। মামলার পর অভিযুক্ত আলমগীর, রুনা ও পাপীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর বক্তব্যের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, রূপগঞ্জের বরপা শান্তিনগর এলাকার মৃত শাহেদ আলীর ছেলে আলমগীর হোসেনের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই যুবতীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ১৫ আগস্ট বিয়ের প্রলোভনে তিনি মুন্সীগঞ্জের বিক্রমপুর থেকে রূপগঞ্জে আলমগীরের কাছে আসেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, আলমগীর তাঁকে নিয়ে বরপা শান্তিনগর এলাকায় একটি কক্ষ ভাড়া নেন। সেখানে আলমগীর তার কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে মাদক সেবন করতেন।

পরে ওই যুবতীকে সেখানে আটকে রেখে আলমগীর ও তার সহযোগীরা সাত দিন ধরে ধর্ষণ ও নির্যাতন করেন।গত শনিবার ভাড়া বাসাটির বাড়িওয়ালা বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই যুবতীকে উদ্ধার করে। এদিকে পুলিশ আসার খবর পেয়ে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।

জেলা ‘গ’ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মেহেদী ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় ধর্ষণ মামলা হয়েছে।

মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।