ঢাকা ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষাদূত মুকুল মাস্টারের অন্তিম প্রহর ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবার কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত সরকারের ১৭ হাজার মুসল্লির ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ ৭৮ দেশের সঙ্গে বৈঠক, হজ ব্যবস্থাপনায় বড় পরিকল্পনা সৌদির বিদ্যুৎ ও জ্বালানিতে ৩.৩ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ নিচ্ছে সরকার গুগলের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যে ১.৩৩ বিলিয়ন ডলারের মামলা এমপি নজরুলের জামিন হলে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হতে পারে, বললেন বিচারক মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির

৭ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের পর ঘরের মেঝেতে মাটিচাপা, গ্রেপ্তার ১

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০১:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪৪ বার

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় মরিয়ম বুশরা  (৭) নামের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সেই মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে দুপুরে জামিনুর ইসলাম (৩২) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নিহত শিশু মরিয়ম বুশরা উপজেলার সিধুলী ইউনিয়নের চর লোটাবর গ্রামের বাহাদুর মন্ডলের মেয়ে। সে সিধুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

গ্রেপ্তারকৃত জামিনুর ইসলাম ওই এলাকার মৃত আলতাফুর রহমানের ছেলে। রোববার রাতে ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

পুলিশ জানায়, গত ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শিশু মরিয়ম বুশরা বিদ্যালয়ে যাওয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়। পরবর্তীতে বিদ্যালয়ে না যাওয়া এবং তার কোনো সন্ধান না পাওয়ায় শিশুটির বাবা মাদারগঞ্জ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেন। পরে পুলিশ শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জামিনুরের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ওই ব্যক্তির বসতঘরের মেঝে খনন করে মাটির নিচে চাপা দেওয়া অবস্থায় মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার করা। পরে জামিনুর ইসলাম ও তার স্ত্রী বিবিতা বেগমকে আটক করা হয়।

পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, জামিনুর ইসলাম শিশু মরিয়ম বুশরাকে তার ঘরে নিয়ে যায় এবং ওই শিশুকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর মরিয়ম বুশরাকে জামিনুর ইসলাম হত্যা করে তার ঘরের মেঝেতে মাটি চাপা দিয়ে রাখে। পরে বিষয়টি তার স্ত্রী বিবিতা বেগম বুঝতে পারলে তিনি বিবিতা বেগমকে কথাটা গোপন রাখতে বলেন।

শিশুটির বাবা বাহাদুর মন্ডল বলেন, আমার এতো ছোট একটা মেয়েকে যে এভাবে মেরে ফেলল আমি তার সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।

এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানার (ওসি) স্নেহাশীষ রায় বলেন, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল। এ ঘটনায় জামিনুর ইসলাম ও তার স্ত্রী বিবিতা বেগমকে আটক করা হয়েছিল। পরে বিকেলে জামিনুর ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষাদূত মুকুল মাস্টারের অন্তিম প্রহর

৭ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের পর ঘরের মেঝেতে মাটিচাপা, গ্রেপ্তার ১

আপডেট টাইম : ১১:০১:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় মরিয়ম বুশরা  (৭) নামের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সেই মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে দুপুরে জামিনুর ইসলাম (৩২) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নিহত শিশু মরিয়ম বুশরা উপজেলার সিধুলী ইউনিয়নের চর লোটাবর গ্রামের বাহাদুর মন্ডলের মেয়ে। সে সিধুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

গ্রেপ্তারকৃত জামিনুর ইসলাম ওই এলাকার মৃত আলতাফুর রহমানের ছেলে। রোববার রাতে ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

পুলিশ জানায়, গত ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শিশু মরিয়ম বুশরা বিদ্যালয়ে যাওয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়। পরবর্তীতে বিদ্যালয়ে না যাওয়া এবং তার কোনো সন্ধান না পাওয়ায় শিশুটির বাবা মাদারগঞ্জ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেন। পরে পুলিশ শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জামিনুরের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ওই ব্যক্তির বসতঘরের মেঝে খনন করে মাটির নিচে চাপা দেওয়া অবস্থায় মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার করা। পরে জামিনুর ইসলাম ও তার স্ত্রী বিবিতা বেগমকে আটক করা হয়।

পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, জামিনুর ইসলাম শিশু মরিয়ম বুশরাকে তার ঘরে নিয়ে যায় এবং ওই শিশুকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর মরিয়ম বুশরাকে জামিনুর ইসলাম হত্যা করে তার ঘরের মেঝেতে মাটি চাপা দিয়ে রাখে। পরে বিষয়টি তার স্ত্রী বিবিতা বেগম বুঝতে পারলে তিনি বিবিতা বেগমকে কথাটা গোপন রাখতে বলেন।

শিশুটির বাবা বাহাদুর মন্ডল বলেন, আমার এতো ছোট একটা মেয়েকে যে এভাবে মেরে ফেলল আমি তার সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।

এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানার (ওসি) স্নেহাশীষ রায় বলেন, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল। এ ঘটনায় জামিনুর ইসলাম ও তার স্ত্রী বিবিতা বেগমকে আটক করা হয়েছিল। পরে বিকেলে জামিনুর ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।