ঢাকা ১২:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
এখানে গণতন্ত্র নিয়ন্ত্রিত, কর্তার ইচ্ছাই কর্ম হবে: অলি আহমদ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য দিল্লি­ অপেক্ষা করছে: দীনেশ ত্রিবেদী চিকিৎসকের ক্রেডিট কার্ডের তথ্য নিয়ে টাকা আত্মসাৎ, গ্রেফতার ২ মির্জা ফখরুল আগাগোড়া একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব: অর্থমন্ত্রী নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে লাল গোলাপের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী সৌদির আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশের হাফেজ জাকারিয়া কৃষকদের জন্য নতুন তহবিল : ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়ার সুযোগ জিয়াউর রহমান থেকে মির্জা ফখরুল, বিএনপির আমলে রাষ্ট্রপতি যারা মা-বাবার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে যে কারণে ভোট দেননি তারা

২০ হাজার খরচে লাখ টাকা আয়

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩ বার

একসময় যেখানে চাষ হতো শুধু ধান-পাট, এখন সেই জমিতেই ফলছে আখসহ লাখ লাখ টাকার অন্যান্য মূল্যবান ফসল। সারি সারি মিষ্টি আখে ভরে উঠেছে মানিকগঞ্জের মাঠ। এক বিঘা জমিতে খরচ হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ হাজার, আর মৌসুম শেষে বিক্রি প্রায় লাখ টাকার আখ। তাই স্বাদে-মিষ্টিতে পরিচিত এই ফসলই এখন অনেক কৃষকের কাছে হয়ে উঠেছে আয়ের বড় ভরসা।

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার রমনপুর ও পাথরাইল গ্রামের মাঠজুড়ে এখন আখের রাজত্ব। চলতি মৌসুমে জেলায় ৫২৪ হেক্টর জমিতে হয়েছে আখের আবাদ। সদর থানা, সিংগাইর ও সাটুরিয়ায় আখ চাষ হচ্ছে সবচেয়ে বেশি।

আশ্বিনে জমিতে আখের চারা রোপণ করে প্রায় এক বছর চলে পরিচর্যা। ভাদ্র মাসে শুরু হয় কাটা। একই জমিতে মুলা, গাজর, ধনেপাতা, লালশাক কিংবা তামাকের মতো ফসলও চাষ করছেন কৃষকেরা। ফলে আখের পাশাপাশি মিলছে বাড়তি আয়ও।

ঈশ্বরদী, বোম্বাই, রংবিলাস, ধলি ও মিস্রিমালাসহ বিভিন্ন জাতের আখের চাষ হচ্ছে এই অঞ্চলে। ফলন ভালো, রোগবালাই কম, আর মিষ্টি হওয়ায় এসব আখের চাহিদাও বেশ। রাজধানীর কারওয়ান বাজার, টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীরা মাঠ থেকেই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন এই আখ।

প্রতিটি আখ পাইকারিতে বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা দরে। পরে খুচরা বাজারে সেই আখের দাম উঠছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। এতে কৃষকের পাশাপাশি লাভবান হচ্ছেন ব্যবসায়ীরাও।

তবে সার ও উৎপাদন উপকরণের দাম নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তায় কৃষকেরা। তাদের প্রত্যাশা, উপকরণের দাম সহনীয় রাখা ও সরকারি সহযোগিতা নিশ্চিত করা হলে আরও বাড়বে আখের আবাদ।

মিষ্টি আখে শুধু মাঠের চিত্রই নয়, বদলে যাচ্ছে কৃষকের ভাগ্যের হিসাবও। লাভজনক এই আবাদে তাই প্রতিনিয়তই বাড়ছে কৃষকের আগ্রহ। আর এতেই নতুন করে আখ চাষে স্বপ্ন বুনছেন মানিকগঞ্জের অনেক কৃষক।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

এখানে গণতন্ত্র নিয়ন্ত্রিত, কর্তার ইচ্ছাই কর্ম হবে: অলি আহমদ

২০ হাজার খরচে লাখ টাকা আয়

আপডেট টাইম : ১১:১২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

একসময় যেখানে চাষ হতো শুধু ধান-পাট, এখন সেই জমিতেই ফলছে আখসহ লাখ লাখ টাকার অন্যান্য মূল্যবান ফসল। সারি সারি মিষ্টি আখে ভরে উঠেছে মানিকগঞ্জের মাঠ। এক বিঘা জমিতে খরচ হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ হাজার, আর মৌসুম শেষে বিক্রি প্রায় লাখ টাকার আখ। তাই স্বাদে-মিষ্টিতে পরিচিত এই ফসলই এখন অনেক কৃষকের কাছে হয়ে উঠেছে আয়ের বড় ভরসা।

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার রমনপুর ও পাথরাইল গ্রামের মাঠজুড়ে এখন আখের রাজত্ব। চলতি মৌসুমে জেলায় ৫২৪ হেক্টর জমিতে হয়েছে আখের আবাদ। সদর থানা, সিংগাইর ও সাটুরিয়ায় আখ চাষ হচ্ছে সবচেয়ে বেশি।

আশ্বিনে জমিতে আখের চারা রোপণ করে প্রায় এক বছর চলে পরিচর্যা। ভাদ্র মাসে শুরু হয় কাটা। একই জমিতে মুলা, গাজর, ধনেপাতা, লালশাক কিংবা তামাকের মতো ফসলও চাষ করছেন কৃষকেরা। ফলে আখের পাশাপাশি মিলছে বাড়তি আয়ও।

ঈশ্বরদী, বোম্বাই, রংবিলাস, ধলি ও মিস্রিমালাসহ বিভিন্ন জাতের আখের চাষ হচ্ছে এই অঞ্চলে। ফলন ভালো, রোগবালাই কম, আর মিষ্টি হওয়ায় এসব আখের চাহিদাও বেশ। রাজধানীর কারওয়ান বাজার, টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীরা মাঠ থেকেই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন এই আখ।

প্রতিটি আখ পাইকারিতে বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা দরে। পরে খুচরা বাজারে সেই আখের দাম উঠছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। এতে কৃষকের পাশাপাশি লাভবান হচ্ছেন ব্যবসায়ীরাও।

তবে সার ও উৎপাদন উপকরণের দাম নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তায় কৃষকেরা। তাদের প্রত্যাশা, উপকরণের দাম সহনীয় রাখা ও সরকারি সহযোগিতা নিশ্চিত করা হলে আরও বাড়বে আখের আবাদ।

মিষ্টি আখে শুধু মাঠের চিত্রই নয়, বদলে যাচ্ছে কৃষকের ভাগ্যের হিসাবও। লাভজনক এই আবাদে তাই প্রতিনিয়তই বাড়ছে কৃষকের আগ্রহ। আর এতেই নতুন করে আখ চাষে স্বপ্ন বুনছেন মানিকগঞ্জের অনেক কৃষক।