ঢাকা ১২:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
গর্ভাবস্থায় কোন ফলগুলো বেশি উপকারী নেপালকে ১০ হাজার ডলার দিল বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সৌরশক্তি উৎপাদনের যন্ত্র আমদানিতে ৬ মাসের শুল্কছাড় মঙ্গলবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সভাপতির দায়িত্ব নিচ্ছেন খলিলুর রহমান ঢাকা উত্তর সিটিতে প্রার্থী হচ্ছেন আসিফ, দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল সুখবর দিলেন ধর্মমন্ত্রী! ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজে খরচ কমেছে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর স্বাধীন নজরদারি প্রতিষ্ঠানের আহ্বান ফলকার টুর্কের জুলাই আন্দোলনে স্বামী নিহত, স্ত্রী জবানবন্দি দেওয়ায় মেয়েকে ধর্ষণ করে আ. লীগ নেতারা ‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর স্বাধীন নজরদারি প্রতিষ্ঠানের আহ্বান ফলকার টুর্কের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪ বার

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নজরদারির জন্য একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন জাতীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ সোমবার ৭ সেপ্টেম্বর জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের ৬৩তম অধিবেশনে বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তৃতায় তিনি বাংলাদেশ প্রসঙ্গে এ আহ্বান জানান।

ফলকার টুর্ক বলেন, আমরা বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজের ওপর নজরদারি করতে পারে, এমন একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন জাতীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে আসছি।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিতের কথা বারবার বলেছেন। তিনি এসব সংস্থার কাজের বিষয়ে স্বাধীন নজরদারির জন্য আরও শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের বিক্ষোভে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি একটি তথ্য অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই প্রতিবেদনে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতির লক্ষ্যে ৪৪টি সুপারিশ করা হয়। তার মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকাণ্ড তদারকিতে স্বাধীন নজরদারির ওপর গুরুত্বারোপের পাশাপাশি গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় স্বাধীন তদন্ত, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, বেসামরিক নজরদারি ও জবাবদিহির ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুপারিশ ছিল।

ওই প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তিগুলোর বাস্তবায়ন তদারকির জন্য স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত জাতিসংঘের বিভিন্ন ট্রিটি বডির সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছিল। সেখানেও বলা হয়েছিল, সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার অন্যান্য বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ সরাসরি তদন্তের ক্ষমতা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কমিশনের জন্য পর্যাপ্ত সম্পদ নিশ্চিত করা এবং প্যারিস নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও যোগ্যতাভিত্তিক নিয়োগপ্রক্রিয়া চালুর কথাও বলেছিল তারা।

বাংলাদেশে সম্প্রতি প্রণীত গুমবিরোধী আইন ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন-সংক্রান্ত আইন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড পুরোপুরি পূরণ করছে না বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মানবাধিকার সংগঠন ও আইনবিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, আইনগুলোতে প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা, তদন্তক্ষমতা ও জবাবদিহির ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

গর্ভাবস্থায় কোন ফলগুলো বেশি উপকারী

বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর স্বাধীন নজরদারি প্রতিষ্ঠানের আহ্বান ফলকার টুর্কের

আপডেট টাইম : ১২:০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নজরদারির জন্য একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন জাতীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ সোমবার ৭ সেপ্টেম্বর জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের ৬৩তম অধিবেশনে বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তৃতায় তিনি বাংলাদেশ প্রসঙ্গে এ আহ্বান জানান।

ফলকার টুর্ক বলেন, আমরা বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজের ওপর নজরদারি করতে পারে, এমন একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন জাতীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে আসছি।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিতের কথা বারবার বলেছেন। তিনি এসব সংস্থার কাজের বিষয়ে স্বাধীন নজরদারির জন্য আরও শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের বিক্ষোভে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি একটি তথ্য অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই প্রতিবেদনে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতির লক্ষ্যে ৪৪টি সুপারিশ করা হয়। তার মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকাণ্ড তদারকিতে স্বাধীন নজরদারির ওপর গুরুত্বারোপের পাশাপাশি গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় স্বাধীন তদন্ত, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, বেসামরিক নজরদারি ও জবাবদিহির ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুপারিশ ছিল।

ওই প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তিগুলোর বাস্তবায়ন তদারকির জন্য স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত জাতিসংঘের বিভিন্ন ট্রিটি বডির সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছিল। সেখানেও বলা হয়েছিল, সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার অন্যান্য বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ সরাসরি তদন্তের ক্ষমতা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কমিশনের জন্য পর্যাপ্ত সম্পদ নিশ্চিত করা এবং প্যারিস নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও যোগ্যতাভিত্তিক নিয়োগপ্রক্রিয়া চালুর কথাও বলেছিল তারা।

বাংলাদেশে সম্প্রতি প্রণীত গুমবিরোধী আইন ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন-সংক্রান্ত আইন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড পুরোপুরি পূরণ করছে না বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মানবাধিকার সংগঠন ও আইনবিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, আইনগুলোতে প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা, তদন্তক্ষমতা ও জবাবদিহির ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে।