ঢাকা ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্যাংকে পুরোনো মালিকদের ফেরার পথ বন্ধ চায় সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রীকে দুই বিষয়ে সতর্ক থাকতে বললেন মির্জা আব্বাস ১১ দলীয় ঐক্যের বিশাল সমাবেশ জনগণের প্রয়োজনে যেকোনো সময় আন্দোলনের ডাক: ডা. শফিকুর রহমান ইতিহাসের সেরা ২ নারী গোয়েন্দা ৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র, লক্ষ্য কী দক্ষিণখানে অস্ত্র-মাদকসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৫৭:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ২৮ বার

অপ্রয়োজনীয় খাতে সরকারি ব্যয় কমানোর চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় ও অগ্রাধিকার খাতে ব্যয় অব্যাহত রাখার কথা জানিয়ে তিনি বলেছেন, সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে যার যার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬’-এ প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছে সরকার। তবে প্রয়োজনীয় খাতে অবশ্যই ব্যয় করা হবে।’ তিনি বলেন, ‘যার যা কাজ, সেটি ঠিকভাবে করলেই দেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।’

সম্মেলনে রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় জনগণের আস্থা বাড়ানো, কর নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করা এবং রাজস্ব আদায়ের প্রক্রিয়া আরও সহজ ও কার্যকর করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। করদাতাদের হয়রানি কমানো, করের আওতা বাড়ানো এবং রাজস্ব ফাঁকি রোধের বিষয়গুলোও আলোচনায় রয়েছে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারের মোট রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পাশাপাশি সরকারি ব্যয়ে শৃঙ্খলা আনার বিষয়টিও অর্থ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এর আগে বাজেট আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী সাধারণ মানুষের করভার কমানো এবং কয়েকটি ক্ষেত্রে করহার পুনর্বিবেচনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ব্যাংক হিসাব খোলা, সম্পত্তি নামজারি ও বণ্টননামার ক্ষেত্রে করসংক্রান্ত কিছু বিধান নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় সেগুলোও পুনর্বিবেচনার কথা বলেছিলেন তিনি।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে এনবিআরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন। রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর পাশাপাশি কর ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, সহজ, প্রযুক্তিনির্ভর ও জনবান্ধব করার কৌশল নিয়ে সম্মেলনে আলোচনা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১০:৫৭:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

অপ্রয়োজনীয় খাতে সরকারি ব্যয় কমানোর চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় ও অগ্রাধিকার খাতে ব্যয় অব্যাহত রাখার কথা জানিয়ে তিনি বলেছেন, সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে যার যার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬’-এ প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছে সরকার। তবে প্রয়োজনীয় খাতে অবশ্যই ব্যয় করা হবে।’ তিনি বলেন, ‘যার যা কাজ, সেটি ঠিকভাবে করলেই দেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।’

সম্মেলনে রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় জনগণের আস্থা বাড়ানো, কর নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করা এবং রাজস্ব আদায়ের প্রক্রিয়া আরও সহজ ও কার্যকর করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। করদাতাদের হয়রানি কমানো, করের আওতা বাড়ানো এবং রাজস্ব ফাঁকি রোধের বিষয়গুলোও আলোচনায় রয়েছে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারের মোট রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পাশাপাশি সরকারি ব্যয়ে শৃঙ্খলা আনার বিষয়টিও অর্থ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এর আগে বাজেট আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী সাধারণ মানুষের করভার কমানো এবং কয়েকটি ক্ষেত্রে করহার পুনর্বিবেচনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ব্যাংক হিসাব খোলা, সম্পত্তি নামজারি ও বণ্টননামার ক্ষেত্রে করসংক্রান্ত কিছু বিধান নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় সেগুলোও পুনর্বিবেচনার কথা বলেছিলেন তিনি।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে এনবিআরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন। রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর পাশাপাশি কর ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, সহজ, প্রযুক্তিনির্ভর ও জনবান্ধব করার কৌশল নিয়ে সম্মেলনে আলোচনা হচ্ছে।