মাঠে গোল উদযাপনের চিরাচরিত দৃশ্য ফুটবলপ্রেমীদের দারুণ আনন্দ দেয়। তবে নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার আরলিং হালান্ড যদি দলনেতার দায়িত্ব পান, তবে তাকে সেই উদযাপন বাদ দিয়েই ছুটতে হবে ডাগআউটের দিকে! চেলসি ও লেস্টার সিটির সাবেক, ম্যানচেস্টার সিটির বর্তমান কোচ এনজো মারেসকার এক অভিনব নিয়মের কারণেই উঠে এসেছে এমন মজার প্রসঙ্গ।
সাধারণত দল গোল করার পর পুরো দল যখন উদযাপনে মেতে ওঠে, তখন ডাগআউটে থাকা কোচের কাছ থেকে নতুন কৌশলগত নির্দেশনা নেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হয়। আর তাই লেস্টার সিটি ও চেলসিতে কোচিং করানোর সময় মারেসকার একটি সুনির্দিষ্ট নিয়ম ছিল – দল গোল করলেই অধিনায়ককে সতীর্থদের উদযাপনে না গিয়ে সরাসরি বেঞ্চে এসে কোচের বার্তা গ্রহণ করতে হবে।
সম্প্রতি অধিনায়ক নির্বাচন ও মাঠের কৌশল নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মারেসকা বলেন, ‘লেস্টার ও চেলসিতে আমার একটি কঠোর নিয়ম ছিল। দল গোল করলে অধিনায়ক উদযাপনে যেতে পারতেন না, তাকে সোজা ডাগআউটে এসে পরবর্তী নির্দেশনা নিতে হতো।’
এরপরই হালান্ডকে উদাহরণ হিসেবে টেনে রসিকতা করে তিনি যোগ করেন, ‘কিন্তু হালান্ড যদি অধিনায়ক হয়, তবে তো মহা সমস্যা! সে তো প্রতি ম্যাচেই মুড়ি-মুড়কির মতো গোল করে। ও অধিনায়ক হলে তো কোনো গোলই উদযাপন করতে পারবে না, সারাক্ষণ দৌড়ে বেঞ্চেই আসতে হবে। ভাবতে পারছেন বিষয়টা?’
মারেসকার মতে, গোলের পর খেলা পুনরায় শুরু হওয়ার মধ্যবর্তী দুই-তিন মিনিট সময় একজন কোচের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওই সময়টুকুতে প্রতিপক্ষের মানসিক অবস্থা বুঝে দলকে নতুন কোনো বার্তা বা কৌশলগত পরিবর্তন বাতলে দেওয়া যায়, যা ম্যাচের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলে।
Reporter Name 
























