ঢাকা ১২:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি হেফাজতের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী ওএসডি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, তিন যুগ পর ভোটগ্রহণ অধিবেশন ডাকা হবে না: চিফ হুইপ ম্যানেজিং কমিটির হাতে যাচ্ছে শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্রদল সভাপতি বললেন ‘গুজব’ ঢাকায় ‘র’ প্রধানের রহস্যজনক সফর আদালতে আসেননি পরীমনি, মাদক মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল ‘ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, গায়ে পড়ে ঝগড়া বাধাতে আসবেন না’ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন বিতর্কিত মালিকদের হাতে ফিরছে না একীভূত ৫ ব্যাংকের মালিকানা প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও থাকছে না পোস্টার, আচরণবিধি চূড়ান্ত করল ইসি

প্রশাসনের শীর্ষ দুই পদে আসছে নতুন মুখ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১৭:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • ১ বার

জনপ্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদে নতুন নিয়োগের কথা ভাবছে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গণি ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. এহসানুল হকের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ আগামী ১৬ আগস্ট শেষ হচ্ছে। তাদের চুক্তি নবায়ন করা হবে, নাকি নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া হবে—এ নিয়ে প্রশাসনের ভেতরে আলোচনা চলছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাইয়ে শুধু জ্যেষ্ঠতাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। প্রশাসনিক দক্ষতা, মাঠপর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা, সততা, সমন্বয় দক্ষতা এবং সরকারের অগ্রাধিকার বাস্তবায়নের সক্ষমতাও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের এই দুটি পদকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাজের মধ্যে সমন্বয় করেন এবং মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। অপরদিকে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়োগ, পদোন্নতি, বদলি ও পদায়নসহ জনবল ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো দেখভাল করে।

তবে এখনও কোনও নিয়োগের বিষয় আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়নি। প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার নাম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তারের নাম আলোচনায় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তার জ্যেষ্ঠতা, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা এবং সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে সম্পৃক্ততার কারণে তাকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের নামও আলোচনায় রয়েছে। প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তা মনে করছেন, আবদুস সাত্তার মন্ত্রিপরিষদ সচিব হলে আখতার আহমেদ প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হতে পারেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব পদে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাবেক একান্ত সচিব এএসএম সালেহ আহমেদের নামও আলোচনায় এসেছে। মাঠ প্রশাসনে, বিশেষ করে জেলা প্রশাসক হিসেবে তার কাজের অভিজ্ঞতা এ ক্ষেত্রে বিবেচনায় আসতে পারে বলে কর্মকর্তারা মনে করছেন।

এ ছাড়া শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরীর নামও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। তবে এসব বিষয়ে এখনও সরকারি কোনও সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে বদলি, পদায়ন ও দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের মাধ্যমে পরিবর্তন আনা হয়েছে। মাঠপর্যায়ে সমন্বয় জোরদার, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, স্থানীয় প্রশাসনে জবাবদিহি এবং সরকারি সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

প্রথাগতভাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে কর্মরত জ্যেষ্ঠ সচিবদের মধ্য থেকেই নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে বিভিন্ন সময়ে সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদেরও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে। এবারও সরকার উভয় ধরনের বিকল্প বিবেচনায় রাখছে বলে জানা গেছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণির মেয়াদ নিয়ে প্রশাসনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। অভিজ্ঞ কর্মকর্তা হিসেবে তার গ্রহণযোগ্যতা থাকলেও সাম্প্রতিক কয়েকটি পদোন্নতি ও নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশাসনের ভেতরে আলোচনা হয়েছে।

বিশেষ করে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডের কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। কয়েকজন কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, অবসরপ্রাপ্ত বা শৃঙ্খলাজনিত সমস্যায় থাকা কিছু কর্মকর্তা পদোন্নতি পেয়েছেন, আবার অনেকে উপেক্ষিত হয়েছেন। তবে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এসব অভিযোগের কোনোটি সমর্থন করেনি।

এর পাশাপাশি আগের আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত অনেক কর্মকর্তাকে নিয়েও প্রশাসনে আলোচনা রয়েছে। সরকার ইতোমধ্যে এমন ১১৯ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়েছে বলে জানা গেছে। এখন তাদের অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা অনুযায়ী উপযুক্ত পদায়নের দাবি জানাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কেউ কেউ।

প্রশাসনের শীর্ষ দুই পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত তাই শুধু নাসিমুল গণি ও এহসানুল হকের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে না; চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে থাকা অন্য কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও সরকারের নীতির একটি ইঙ্গিত দেবে। বর্তমানে প্রায় ২২ জন সিনিয়র সচিব, সচিব ও সমমর্যাদার কর্মকর্তা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে দায়িত্ব পালন করছেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সাবেক সচিব ও জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ আনোয়ার ফারুক বলেন, “কর্মকর্তা কর্মরত নাকি চুক্তিভিত্তিক—তার চেয়ে যোগ্যতাই নিয়োগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত।”

তিনি বলেন, “মূল বিষয় হলো ওই ব্যক্তি যোগ্য, অভিজ্ঞ, সৎ এবং কার্যকরভাবে প্রশাসন পরিচালনার সক্ষমতা রাখেন কিনা।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি হেফাজতের

প্রশাসনের শীর্ষ দুই পদে আসছে নতুন মুখ

আপডেট টাইম : ১১:১৭:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

জনপ্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদে নতুন নিয়োগের কথা ভাবছে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গণি ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. এহসানুল হকের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ আগামী ১৬ আগস্ট শেষ হচ্ছে। তাদের চুক্তি নবায়ন করা হবে, নাকি নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া হবে—এ নিয়ে প্রশাসনের ভেতরে আলোচনা চলছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাইয়ে শুধু জ্যেষ্ঠতাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। প্রশাসনিক দক্ষতা, মাঠপর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা, সততা, সমন্বয় দক্ষতা এবং সরকারের অগ্রাধিকার বাস্তবায়নের সক্ষমতাও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের এই দুটি পদকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাজের মধ্যে সমন্বয় করেন এবং মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। অপরদিকে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়োগ, পদোন্নতি, বদলি ও পদায়নসহ জনবল ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো দেখভাল করে।

তবে এখনও কোনও নিয়োগের বিষয় আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়নি। প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার নাম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তারের নাম আলোচনায় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তার জ্যেষ্ঠতা, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা এবং সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে সম্পৃক্ততার কারণে তাকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের নামও আলোচনায় রয়েছে। প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তা মনে করছেন, আবদুস সাত্তার মন্ত্রিপরিষদ সচিব হলে আখতার আহমেদ প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হতে পারেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব পদে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাবেক একান্ত সচিব এএসএম সালেহ আহমেদের নামও আলোচনায় এসেছে। মাঠ প্রশাসনে, বিশেষ করে জেলা প্রশাসক হিসেবে তার কাজের অভিজ্ঞতা এ ক্ষেত্রে বিবেচনায় আসতে পারে বলে কর্মকর্তারা মনে করছেন।

এ ছাড়া শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরীর নামও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। তবে এসব বিষয়ে এখনও সরকারি কোনও সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে বদলি, পদায়ন ও দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের মাধ্যমে পরিবর্তন আনা হয়েছে। মাঠপর্যায়ে সমন্বয় জোরদার, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, স্থানীয় প্রশাসনে জবাবদিহি এবং সরকারি সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

প্রথাগতভাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে কর্মরত জ্যেষ্ঠ সচিবদের মধ্য থেকেই নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে বিভিন্ন সময়ে সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদেরও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে। এবারও সরকার উভয় ধরনের বিকল্প বিবেচনায় রাখছে বলে জানা গেছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণির মেয়াদ নিয়ে প্রশাসনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। অভিজ্ঞ কর্মকর্তা হিসেবে তার গ্রহণযোগ্যতা থাকলেও সাম্প্রতিক কয়েকটি পদোন্নতি ও নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশাসনের ভেতরে আলোচনা হয়েছে।

বিশেষ করে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডের কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। কয়েকজন কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, অবসরপ্রাপ্ত বা শৃঙ্খলাজনিত সমস্যায় থাকা কিছু কর্মকর্তা পদোন্নতি পেয়েছেন, আবার অনেকে উপেক্ষিত হয়েছেন। তবে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এসব অভিযোগের কোনোটি সমর্থন করেনি।

এর পাশাপাশি আগের আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত অনেক কর্মকর্তাকে নিয়েও প্রশাসনে আলোচনা রয়েছে। সরকার ইতোমধ্যে এমন ১১৯ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়েছে বলে জানা গেছে। এখন তাদের অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা অনুযায়ী উপযুক্ত পদায়নের দাবি জানাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কেউ কেউ।

প্রশাসনের শীর্ষ দুই পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত তাই শুধু নাসিমুল গণি ও এহসানুল হকের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে না; চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে থাকা অন্য কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও সরকারের নীতির একটি ইঙ্গিত দেবে। বর্তমানে প্রায় ২২ জন সিনিয়র সচিব, সচিব ও সমমর্যাদার কর্মকর্তা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে দায়িত্ব পালন করছেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সাবেক সচিব ও জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ আনোয়ার ফারুক বলেন, “কর্মকর্তা কর্মরত নাকি চুক্তিভিত্তিক—তার চেয়ে যোগ্যতাই নিয়োগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত।”

তিনি বলেন, “মূল বিষয় হলো ওই ব্যক্তি যোগ্য, অভিজ্ঞ, সৎ এবং কার্যকরভাবে প্রশাসন পরিচালনার সক্ষমতা রাখেন কিনা।”