ঢাকা ১১:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি হেফাজতের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী ওএসডি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, তিন যুগ পর ভোটগ্রহণ অধিবেশন ডাকা হবে না: চিফ হুইপ ম্যানেজিং কমিটির হাতে যাচ্ছে শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্রদল সভাপতি বললেন ‘গুজব’ ঢাকায় ‘র’ প্রধানের রহস্যজনক সফর আদালতে আসেননি পরীমনি, মাদক মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল ‘ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, গায়ে পড়ে ঝগড়া বাধাতে আসবেন না’ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন বিতর্কিত মালিকদের হাতে ফিরছে না একীভূত ৫ ব্যাংকের মালিকানা প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও থাকছে না পোস্টার, আচরণবিধি চূড়ান্ত করল ইসি

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘিরে গুজবের ঝড় ‘ম্যানেজিং কমিটির দায়িত্বে শিক্ষক নিয়োগের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি’

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৪১:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৩ বার

Oplus_16908288

সরকারের মেয়াদ মাত্র পাঁচ মাস। এরই মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছেশিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘিরে গুজবের ঝড় একের পর এক গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য। বিশেষ করে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের প্রচলিত পদ্ধতি পরিবর্তন এবং ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে সরাসরি শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার খবর ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। তবে এমন কোনো সিদ্ধান্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয় নেয়নি বলে দাবি করেছে মন্ত্রণালয় সূত্র।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য, বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের বিদ্যমান কাঠামো এখনো বহাল রয়েছে। নিবন্ধন পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থী বাছাই এবং শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করার দায়িত্ব বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (NTRCA) ওপরই রয়েছে। এই পদ্ধতি বাতিল কিংবা পরিবর্তন করে ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডির হাতে সরাসরি শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়ার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

অথচ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমনভাবে বিভিন্ন পোস্ট ও বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ছে, যেন সরকার ইতোমধ্যে শিক্ষক নিয়োগের প্রচলিত পদ্ধতি বাতিল করে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে একদিকে চাকরিপ্রত্যাশীদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে শিক্ষক সমাজ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যেও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।

কোনো সিদ্ধান্ত হয়নিঃ

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, NTRCA-এর কার্যক্রমকে আরও স্বচ্ছ, দক্ষ ও কার্যকর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করা হচ্ছে। কিন্তু পর্যালোচনা আর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এক বিষয় নয়। শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতি পরিবর্তন করে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়ার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

সূত্রের দাবি, এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এমন কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের সভাও হয়নি, যার ভিত্তিতে প্রচারিত তথ্যকে সরকারি সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা করা যায়।

এনটিআরসিএ নিয়ে নতুন করে আলোচনাঃ

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ—এনটিআরসিএ  প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৫ সালে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

বর্তমান সময়ে এই নিয়োগব্যবস্থাকে আরও যুগোপযোগী, স্বচ্ছ ও দক্ষ করার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পর্যালোচনা চলছে বলে জানা গেছে। তবে সেই পর্যালোচনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের মতো করে তথ্য প্রচার করায় তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি।

গুজব ছড়ালে ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিতঃ

মন্ত্রণালয় সূত্রের ভাষ্য, যাচাই না করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য প্রচার করলে তা জনমনে অযথা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে শিক্ষক নিয়োগের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়লে হাজারো চাকরিপ্রার্থীর মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

এ কারণে এ ধরনের অপতথ্য ছড়ানোর সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তবে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে প্রচারিত তথ্যের সত্যতা, উদ্দেশ্য ও সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই করা হবে বলে জানা গেছে।

সরকারি সিদ্ধান্ত জানতে হবে আনুষ্ঠানিক সূত্রেঃ

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট কিংবা ব্যক্তিগত বক্তব্যকে সরকারি সিদ্ধান্ত হিসেবে ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি, প্রজ্ঞাপন কিংবা নির্ভরযোগ্য সরকারি বক্তব্যই এ ক্ষেত্রে চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।

বিশেষ করে শিক্ষক নিয়োগের মতো লাখো চাকরিপ্রার্থীর ভবিষ্যতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গুজব ও অপতথ্য ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রের স্পষ্ট বক্তব্য—এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের বিদ্যমান ব্যবস্থা পরিবর্তন করে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে সরাসরি নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।

ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন পোস্ট ও দাবিতে বিভ্রান্ত না হয়ে সরকারি সিদ্ধান্তের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি হেফাজতের

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘিরে গুজবের ঝড় ‘ম্যানেজিং কমিটির দায়িত্বে শিক্ষক নিয়োগের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি’

আপডেট টাইম : ০৯:৪১:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

সরকারের মেয়াদ মাত্র পাঁচ মাস। এরই মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছেশিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘিরে গুজবের ঝড় একের পর এক গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য। বিশেষ করে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের প্রচলিত পদ্ধতি পরিবর্তন এবং ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির মাধ্যমে সরাসরি শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার খবর ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। তবে এমন কোনো সিদ্ধান্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয় নেয়নি বলে দাবি করেছে মন্ত্রণালয় সূত্র।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য, বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের বিদ্যমান কাঠামো এখনো বহাল রয়েছে। নিবন্ধন পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থী বাছাই এবং শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করার দায়িত্ব বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (NTRCA) ওপরই রয়েছে। এই পদ্ধতি বাতিল কিংবা পরিবর্তন করে ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডির হাতে সরাসরি শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়ার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

অথচ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমনভাবে বিভিন্ন পোস্ট ও বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ছে, যেন সরকার ইতোমধ্যে শিক্ষক নিয়োগের প্রচলিত পদ্ধতি বাতিল করে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে একদিকে চাকরিপ্রত্যাশীদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে শিক্ষক সমাজ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যেও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।

কোনো সিদ্ধান্ত হয়নিঃ

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, NTRCA-এর কার্যক্রমকে আরও স্বচ্ছ, দক্ষ ও কার্যকর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করা হচ্ছে। কিন্তু পর্যালোচনা আর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এক বিষয় নয়। শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতি পরিবর্তন করে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়ার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

সূত্রের দাবি, এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এমন কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের সভাও হয়নি, যার ভিত্তিতে প্রচারিত তথ্যকে সরকারি সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা করা যায়।

এনটিআরসিএ নিয়ে নতুন করে আলোচনাঃ

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ—এনটিআরসিএ  প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৫ সালে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

বর্তমান সময়ে এই নিয়োগব্যবস্থাকে আরও যুগোপযোগী, স্বচ্ছ ও দক্ষ করার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পর্যালোচনা চলছে বলে জানা গেছে। তবে সেই পর্যালোচনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের মতো করে তথ্য প্রচার করায় তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি।

গুজব ছড়ালে ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিতঃ

মন্ত্রণালয় সূত্রের ভাষ্য, যাচাই না করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য প্রচার করলে তা জনমনে অযথা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে শিক্ষক নিয়োগের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়লে হাজারো চাকরিপ্রার্থীর মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

এ কারণে এ ধরনের অপতথ্য ছড়ানোর সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তবে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে প্রচারিত তথ্যের সত্যতা, উদ্দেশ্য ও সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই করা হবে বলে জানা গেছে।

সরকারি সিদ্ধান্ত জানতে হবে আনুষ্ঠানিক সূত্রেঃ

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট কিংবা ব্যক্তিগত বক্তব্যকে সরকারি সিদ্ধান্ত হিসেবে ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি, প্রজ্ঞাপন কিংবা নির্ভরযোগ্য সরকারি বক্তব্যই এ ক্ষেত্রে চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।

বিশেষ করে শিক্ষক নিয়োগের মতো লাখো চাকরিপ্রার্থীর ভবিষ্যতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গুজব ও অপতথ্য ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রের স্পষ্ট বক্তব্য—এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের বিদ্যমান ব্যবস্থা পরিবর্তন করে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে সরাসরি নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।

ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন পোস্ট ও দাবিতে বিভ্রান্ত না হয়ে সরকারি সিদ্ধান্তের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।