‘সাবাস, বাংলাদেশ/এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়/জ্বলে পুড়ে-মরে ছারখার/তবু মাথা নোয়াবার নয়’-সুকান্ত ভট্টাচার্য। কবির এই দৃঢ়তার মতোই দিল্লিতে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল ভিডিও কনফারেন্স আয়োজনের প্রতিবাদে ভারতকে কড়া বার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় দিল্লির সাউথ ব্লককে যে বার্তা দিয়েছে তা চাণক্যনীতির প্রতি চপেটাঘাত। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর এবং দুই দেশের যৌথ ঘোষণা শুনে হিন্দুত্ববাদী ভারতের নীতি-নির্ধারকরা যেন খেই হারিয়ে ফেলেছেন। বিজেপি সরকার না চাইলে দিল্লিতে কেউ অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারে? তবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক শেখ হাসিনার দিল্লির ভার্চুয়াল ভিডিও কনফারেন্স নিয়ে যে আওয়াজ তোলা হয়েছিল; অডিওতে হাসিনার বক্তব্যের পর তা বেলুনের মতোই চুপসে গেছে। দিল্লিতে দক্ষিণ এশিয়ার ফরেন করেসপনডেন্টস ক্লাব (এফসিসি সাউথ এশিয়া) আয়োজিত ভার্চুয়াল ভিডিও কনফারেন্সে অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রথমে বক্তব্য দেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা। প্রচারণা ছিল যে, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফেরার বিমানের টিকিট কেটেই ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নিচ্ছেন। অথচ বহুল আলোচিত ভিডিও কনফারেন্সে তিনি নতুন কোনো বার্তা দেননি; পুরোনো বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়েছেন। যার কারণে ভারতের গণমাধমের খবর অনুযায়ী দেড় লাখ দর্শক অনলাইনে লাইভ অনুষ্ঠান শুনতে শুরু করলেও হাসিনার বক্তব্যের মধ্যেই বিরক্ত হয়ে ৪৪ হাজার দর্শক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।
প্রবাদে রয়েছেÑ আত্মীয়তা বদল করা গেলেও প্রতিবেশী বদল করা যায় না। অথচ বাংলাদেশের প্রতিবেশী ভারত ক্রমেই শত্রুরাষ্ট্র হয়ে উঠছে। অবশ্য হিন্দুত্ববাদী ভারতের সঙ্গে কোনো প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সুসম্পর্ক নেই। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা পালানোর পর থেকে ভারতের বিজেপি সরকার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নতুন করে চাণক্যনীতি কৌশল নিয়েছে। ফ্যাসিস্ট হাসিনার ১৫ বছর আট মাসের শাসনামলে বিজেপি সরকার কার্যত বাংলাদেশের সঙ্গে নিজ দেশের ‘প্রদেশ’ এর মতো আচরণ করেছে। পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী দিল্লির বিভিন্ন সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ করলেও স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েও শেখ হাসিনা সে সাহস দেখাতে পারেননি। ঢাকা থেকে হাসিনা পালানোর পর বাংলাদেশে ড. ইউনূসের নেতৃত্বের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক তলানিতে নেমে যায়। দিল্লির চোখে চোখ রেখে ঢাকার কথা বলায় দুই দেশের সম্পর্কে অবনতি ঘটে। কিন্তু নির্বাচিত বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্রুত অভিনন্দন জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আন্তর্জাতিক কূটনীতির বিশ্লেষকরা ধরেই নিয়েছিলেন, এখন ঢাকার সঙ্গে দিল্লির সম্পর্কের উন্নতি ঘটবে। বিএনপি সরকারের মন্ত্রীদের ভেতরে কেউ কেউ দিল্লির সঙ্গে ঢাকার সম্পর্ক উন্নয়নে প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় পুলকিত হন। আলোচনা আছে, তাদের বেশির ভাগই যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সুপারিশে মন্ত্রিত্ব পেয়েছেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২২ থেকে ২৬ জুন চীন সফর এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের সাথে বৈঠকের পর প্রায় ৩০ কোটি ডলারের অনুদান সহায়তা ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশে তিস্তা মহাপ্রকল্প বাস্তবায়ন এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর বার্তায় দিল্লির থিঙ্কট্যাঙ্কদের মাতায় বাজ পড়ে। কূটনৈতিক রীতিনীতি সিঁকেয় তুলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত পলাতক শেখ হাসিনাকে তুরূপের তাস বানিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে ডুয়েল খেলছে। খুনি হাসিনাকে ভারতের মাটি ব্যবহার করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের সুযোগ দিচ্ছে। দিল্লির এই আচরণে তীব্র প্রতিবাদ এবং ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ঢাকা। হাইকমিশনারকে দফতরে ডেকে এনে জানিয়েছে, দিল্লির আচরণে হতাশ ঢাকা। ভারতের মাটিতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খুনিকে বাংলাদেশবিরোধী বক্তব্য ভিডিও কনফারেন্সের অনুমতি দেয়ায় দু’দেশের সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
আওয়ামী লীগের শাসনামলে বাংলাদেশকে নিয়ে দিল্লির দাদাগিরি আচরণের অভ্যাস বদলাতে পারেনি হিন্দুত্ববাদী ভারত। যার কারণে খুনি শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশবিরোধী বক্তব্য দিতে ভিডিও কনফারেন্সের অনুমতি দিয়ে উল্টো ‘বেসরকারি আয়োজনে সরকারের হাত নেই’ প্রলাপ বকছে। কিন্তু একটি দেশের সরকার না চাইলে সে দেশের কোনো সংগঠন অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারে, এটি ছেলে ভোলানো গল্পের মতোই। কূটনীতিকরা বলছেন, চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের একান্তে বৈঠক এবং তিস্তা প্রকল্প ও করিডোর ইস্যুতে দিল্লির ভয় থেকেই মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হাসিনাকে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলার অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু ভারতের এ আচরণে বাংলাদেশ দাঁতভাঙা জবাব দিয়েছে। হাসিনাকে দিল্লিতে ভার্চুয়ালি কনফারেন্সে করতে দেয়া নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শিক্ষা হলোÑ বাংলাদেশ আর কখনোই কোনো দেশের পরনির্ভরশীল বা ক্লায়েন্ট স্টেট (অধীনস্থ রাষ্ট্র) হয়ে থাকবে না। নয়াদিল্লিতে ক্ষমতাচ্যুত ও সাজাপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার গণমাধ্যমের মুখোমুখি হওয়া এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে ভারত সরকারের কাছে তীব্র অসন্তুষ্টি প্রকাশ করছি।
দিল্লিতে সংবাদ সম্মেলনে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বার্ষিকীর দিনে বক্তব্য দেয়ার সুযোগ করে দেয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। গত বুধবার পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এমন প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলা হয়, ‘পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত গণহত্যাকারী শেখ হাসিনাকে নয়াদিল্লিতে সরাসরি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার অনুমতি দেয়ায় বাংলাদেশ ক্ষুব্ধ হয়েছে। সেখানে তিনি এবং তার সহযোগীরা বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও এর জনগণের বিরুদ্ধে বিষাক্ত ঘৃণা ছড়িয়েছেন। এ ঘটনায় বাংলাদেশ ক্ষুব্ধ। অনুষ্ঠানটি আয়োজনের ফলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন যাত্রার প্রচেষ্টায় সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে উদ্বেগ ভারত সরকারকে আগেই জানানো হয়েছিল। এর পরও ভারতের মাটিতে এ আয়োজনের অনুমতি দেয়ায় ঢাকা গভীর হতাশা প্রকাশ করছে। ভারতের মাটিতে শেখ হাসিনার এই মতবিনিময় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা এবং জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি গুরুতর অপমান। বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে শিশুসহ নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের হত্যাকাণ্ড নিয়ে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত তথ্য অস্বীকার করাটা পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত গণহত্যাকারী শেখ হাসিনা ও তার অপরাধের সহযোগীদের ইতিহাসের গতিপথ উল্টে দেয়ার একটি ব্যর্থ চেষ্টা হিসেবে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশের জনগণ অতীতে এ ধরনের ঘৃণ্য চেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং এখনো করছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, জুলাই বিপ্লবের চেতনা ধারণ করে বাংলাদেশের জনগণ দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকার করেছে যে, আমাদের দেশ আর কখনো ফ্যাসিবাদের অন্ধকার সময়ে ফিরে যাবে না এবং বাংলাদেশ কখনোই তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত হবে না। দণ্ডপ্রাপ্ত গণহত্যাকারী শেখ হাসিনা ও তার মাফিয়া চক্রের আর কখনো বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে স্থান হবে না। বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং জাতীয় মর্যাদার ভিত্তিতে একটি গঠনমূলক, উভয় পক্ষের জন্য লাভজনক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলোÑ ২০১৩ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধী হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ভারত সরকারের কাছে বাংলাদেশ বারবার অনুরোধ করলেও এখনো কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এর বিপরীতে, যেকোনো অজুহাতে তাকে গণমাধ্যমের সঙ্গে প্রকাশ্যে কথা বলার সুযোগ দেয়া বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতিতে গভীর আঘাত এবং বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্প্রীতিপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ক্ষতিকর।
এর আগে ঢাকায় কর্মরত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গত ৩ আগস্ট ডেকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র-বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানান, পলাতক শেখ হাসিনাসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো ব্যক্তি যাতে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য প্রদান বা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির উদ্দেশে কোনো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে না পারে, সে বিষয়ে ভারতের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ। পরের দিন ৪ আগস্ট ভারতের পররাষ্ট মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল জানিয়েছে, শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের আয়োজক ভারত সরকার নয়; এটি একটি বেসরকারি মিডিয়া সংস্থার উদ্যোগ। ফলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজনের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো ভূমিকা বা সম্পৃক্ততা নেই। ওই সংবাদ সম্মেলনের মঞ্চ থেকে যে বক্তব্য উপস্থাপিত হবে, তার প্রতি ভারত সরকারের কোনো সমর্থন নেই। পাশাপাশি, ওই অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্য বা মতামতের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পর্কও নেই।
এর আগেও গত ২৯ জুলাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সৌজন্য সাক্ষাতেও শেখ হাসিনার প্রসঙ্গটি তোলে বাংলাদেশ। ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ড যে অস্বস্তি কাটিয়ে দুই দেশের সম্পর্কের ‘নতুন শুরুর’ পথে বাধা, সেটি ওই দিন বাংলাদেশ জোরালোভাবে তুলে ধরে।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের পর ভারতের মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেছিলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর যেকোনো ধরনের ঘটনাপ্রবাহ ভারত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। চীন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে অর্থনৈতিক করিডোর তৈরির বিষয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে যে কথাবার্তা হয়েছে, তার সম্ভাব্য প্রভাবের ওপরও ভারত নজর রেখেছে। ভারতের এমন প্রতিক্রিয়ার পর বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, বিশ্ব পরিস্থিতি যেমনই হোক, বাংলাদেশের প্রতি চীনের অঙ্গীকার বিন্দুমাত্র টলবে না। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরকে ঐতিহাসিক ও অত্যন্ত সফল হিসেবে অভিহিত করেন এবং তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা, মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন ও চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর বাস্তবায়নে চীনের ইতিবাচক মনোভাব ও প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
এটি ঠিক, বর্তমান সরকারের মন্ত্রীদের মধ্যে কয়েক জনের বিরুদ্ধে ‘ভারতপন্থী’ অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন সময় তারা ভারতের প্রতি নতজানু মানসিকতা পোষণ করে থাকেন। ভারতের হাইকমিনারের সঙ্গে মাঝে মধ্যে মিটিং করেন এবং জাতীয়তাবাদী ধারায় বিশ্বাসী মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের কোণঠাসা করে রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু হাসিনার ভিডিও কনফারেন্স ইস্যুতে দিল্লির বিরুদ্ধে ঢাকার কঠোর অবস্থান এবং বার্তা প্রশংসিত হচ্ছে। গতকালও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি বাংলায় দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক কোনদিকে যাবে সে বিষয়ে ভারতকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
Reporter Name 





















