জুলাই গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী। তিনি বলেন, এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচার হলে ভবিষ্যতে কেউ রাষ্ট্রক্ষমতার অপব্যবহার করে জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালানোর সাহস পাবে না।
বুধবার (৬ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতন ও ছাত্র-জনতার বিজয়ের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
কাদের গণি চৌধুরী বলেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন করতে হলে সংশ্লিষ্ট হত্যাকাণ্ড ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে। তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই স্বৈরাচারী শাসনের পতন ঘটেছে। সেই আন্দোলনে অসংখ্য শিক্ষার্থী, শিশু ও সাধারণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন। তাদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
তিনি আরও বলেন, আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচারে প্রাণঘাতী হামলা চালানো হয়েছিল। দেশে অবস্থানকারী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি বিদেশে অবস্থানকারীদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার উদ্যোগও সরকারের নেওয়া উচিত।
সাংবাদিক সমাজের উদ্দেশে কাদের গণি বলেন, গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং জনগণের অধিকার রক্ষায় সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা অব্যাহত রাখতে হবে।
এর আগে বিএফইউজে ও ডিইউজের উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে একটি বিজয় র্যালি বের হয়ে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। র্যালি ও সমাবেশে সাংবাদিক নেতা, বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী এবং সাংবাদিক সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ডিইউজের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন বাসসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি মোহাম্মদ আবদুল বাছিরসহ বিএফইউজে ও ডিইউজের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
Reporter Name 




















