ঢাকা ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘পাহাড়ি কৃষিপণ্য রপ্তানিতে মানসম্মত উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি’ শাহজালালে বিমানের জরুরি অবতরণের পর ছুটে গেলেন মন্ত্রী এআই দিয়ে জামায়াত-শিবির সরকারবিরোধী যে অপপ্রচার ছড়াচ্ছে, তা আ. লীগও করেনি দেশের ৫০৩টি উপজেলার উন্নয়নে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে : এলজিআরডি মন্ত্রী আঙুলের কালির দাগ শুকানোর আগেই সরকার ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ৪ সাবেক মুখ্যমন্ত্রীসহ ৭ হাজারের বেশি আটক: মোদি সরকারকে তীব্র নিন্দা জাতিসংঘ, অ্যামনেস্টিসহ বিরোধীদের আগামী বছরের রমজান শুরু হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি ক্যামেরার ফ্রেমে পরিযায়ী পাখির চোখজুড়ানো দৃশ্য পতনের দ্বারপ্রান্তে মোদির সরকার বিদ্যুৎ বিভাগের ৪১টি উন্নয়ন প্রকল্পে ১০ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকার সহায়তা

বাংলাদেশের যুবককে বিয়ের কারণ জানালেন পাকিস্তানি তরুণী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৩:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ৫০ বার

ভালোবাসার কাছে হার মেনেছে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক দূরত্ব। সব বাধা-বিপত্তি মাড়িয়ে সম্প্রতি বাংলাদেশের যুবকের হাত ধরে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করলেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় ব্লগার রুবিনা মারুফ। বিয়ের খবর আগেই জানিয়েছিলেন তিনি। এবার বিয়ের কারণ জানালেন মারুফ।

সম্পতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে তিনি পাকিস্তানি ব্লগার লেখেন, ‘আমি একজন বাংলাদেশি পুরুষকে বিয়ে করেছি। প্রথমবার বাংলাদেশে যাওয়ার সময় মা আমাকে প্রতিশ্রুতি দিতে বলেছিলেন, ‘সেখানে যেন মারা না যাই বা বিয়ে না করি।’ কিন্তু আল্লাহর পরিকল্পনা আমাদের পরিকল্পনার চেয়ে বড়। তিনি জানতেন, ‘আমি বাংলাদেশকে কতটা ভালোবাসি। নিজের শিকড়ের সঙ্গে কতটা গভীরভাবে যুক্ত অনুভব করি’।

তিনি আরও লেখেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে বরণ করে নেওয়ার জন্য বিয়ের দিন শাড়ি পরেছিলাম। পাকিস্তান ও বাংলাদেশকে কাছাকাছি আনার আনন্দ প্রকাশ করতে এই পোশাক পরেছি। মা আমাদের বিয়ে নিয়ে খুব খুশি। বাবা আবেগাপ্লুত, আনন্দিত। খুব শিগগিরই বাবা-মাকে বাংলাদেশে নিয়ে আসার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

রুবিনা মারুফ জানান, তার স্বামীর নাম রকিবুল হাসান। বাংলাদেশের রংপুরের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি পাকিস্তানের ইসলামাবাদে কর্মরত। তাদের লাহোরে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

এর আগে তাদের বিয়ের খবর ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়ে রুবিনা মারুফ লিখেছিলেন, ‘একজন বাংলাদেশিকে বিয়ে করলাম। পুরো বিষয়টা সহজ ছিল না। তবে আমার জীবনের পথ যেদিকে যাওয়ার কথা ছিল তা মেনে নেওয়ায় এমন এক আনন্দ দিয়েছে যা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।’

তিনি আরও লিখেছিলেন, ‘নিকাহর দিনে বাবা-মায়ের মুখে গর্ব ও আনন্দের হাসি দেখতে পাওয়াটাই ছিল আমার সবচেয়ে বড় আশ্বাস। সীমান্ত পেরিয়ে এই ভালোবাসা, নতুন সূচনা এবং একজন বাংলাদেশি জীবনসঙ্গী পাওয়ার জন্য আলহামদুলিল্লাহ। আমার হৃদয় আজ পরিপূর্ণ, আমার বাবা-মা অত্যন্ত আনন্দিত এবং জীবনের বাকি সময় নিয়ে আমি ভীষণ রোমাঞ্চিত।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পাহাড়ি কৃষিপণ্য রপ্তানিতে মানসম্মত উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি’

বাংলাদেশের যুবককে বিয়ের কারণ জানালেন পাকিস্তানি তরুণী

আপডেট টাইম : ১১:০৩:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

ভালোবাসার কাছে হার মেনেছে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক দূরত্ব। সব বাধা-বিপত্তি মাড়িয়ে সম্প্রতি বাংলাদেশের যুবকের হাত ধরে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করলেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় ব্লগার রুবিনা মারুফ। বিয়ের খবর আগেই জানিয়েছিলেন তিনি। এবার বিয়ের কারণ জানালেন মারুফ।

সম্পতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে তিনি পাকিস্তানি ব্লগার লেখেন, ‘আমি একজন বাংলাদেশি পুরুষকে বিয়ে করেছি। প্রথমবার বাংলাদেশে যাওয়ার সময় মা আমাকে প্রতিশ্রুতি দিতে বলেছিলেন, ‘সেখানে যেন মারা না যাই বা বিয়ে না করি।’ কিন্তু আল্লাহর পরিকল্পনা আমাদের পরিকল্পনার চেয়ে বড়। তিনি জানতেন, ‘আমি বাংলাদেশকে কতটা ভালোবাসি। নিজের শিকড়ের সঙ্গে কতটা গভীরভাবে যুক্ত অনুভব করি’।

তিনি আরও লেখেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে বরণ করে নেওয়ার জন্য বিয়ের দিন শাড়ি পরেছিলাম। পাকিস্তান ও বাংলাদেশকে কাছাকাছি আনার আনন্দ প্রকাশ করতে এই পোশাক পরেছি। মা আমাদের বিয়ে নিয়ে খুব খুশি। বাবা আবেগাপ্লুত, আনন্দিত। খুব শিগগিরই বাবা-মাকে বাংলাদেশে নিয়ে আসার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

রুবিনা মারুফ জানান, তার স্বামীর নাম রকিবুল হাসান। বাংলাদেশের রংপুরের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি পাকিস্তানের ইসলামাবাদে কর্মরত। তাদের লাহোরে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

এর আগে তাদের বিয়ের খবর ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়ে রুবিনা মারুফ লিখেছিলেন, ‘একজন বাংলাদেশিকে বিয়ে করলাম। পুরো বিষয়টা সহজ ছিল না। তবে আমার জীবনের পথ যেদিকে যাওয়ার কথা ছিল তা মেনে নেওয়ায় এমন এক আনন্দ দিয়েছে যা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।’

তিনি আরও লিখেছিলেন, ‘নিকাহর দিনে বাবা-মায়ের মুখে গর্ব ও আনন্দের হাসি দেখতে পাওয়াটাই ছিল আমার সবচেয়ে বড় আশ্বাস। সীমান্ত পেরিয়ে এই ভালোবাসা, নতুন সূচনা এবং একজন বাংলাদেশি জীবনসঙ্গী পাওয়ার জন্য আলহামদুলিল্লাহ। আমার হৃদয় আজ পরিপূর্ণ, আমার বাবা-মা অত্যন্ত আনন্দিত এবং জীবনের বাকি সময় নিয়ে আমি ভীষণ রোমাঞ্চিত।’