ঢাকা ১২:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
খাবার থেকে শরীরে বাড়ছে মাইক্রোপ্লাস্টিক, স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে যা বলছে বিজ্ঞান সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী হঠাৎ ৬ মুসলিম দেশের যৌথ সামরিক মহড়া, কী বার্তা দিচ্ছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে সরকার ও বিএনপিতে বড় রদবদলের আভাস ভূমিকম্প-পরবর্তী জরুরি সেবা দিতে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করল ভুবন ভোলানো হাসিতে মন জয় করা সেই তাহসিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ রিভিউ করছে ঢাকা বাংলাদেশের নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক লিটন কৃষকের ‘কপাল পুড়িয়ে’ ভেকু দিয়ে খাল খনন খাদ্য নিরাপত্তা-কৃষকের স্বার্থে এগ্রিভোল্টাইক কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে হবে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ রিভিউ করছে ঢাকা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার
গত ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটের পরপরই বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরপর আগামী সেপ্টেম্বরে ভারতে ব্রিকসের (বিশ্বের উদীয়মান ও উন্নয়নশীল অর্থনৈতিক শক্তিগুলোর একটি অন্যতম প্রধান আন্তর্জাতিক জোট) ১৮তম সম্মেলন অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ সরকার প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের এই আমন্ত্রণ রিভিউ করছে। এদিকে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বুধবার (২৯ জুলাই) প্রথমবারের মত পৃথকভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বুধবার মন্ত্রণালয়ে প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের বলেন, আমার সঙ্গে ভারতের নতুন হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী প্রথম সাক্ষাৎ হয়। এটা ছিল সৌজন্য সাক্ষাৎ। আমরা বিস্তৃত কোনো বিষয় নিয়ে আলাপ করিনি, এটাই নিয়ম। কারণ, এর জন্য সামনে আমাদের সময় পড়ে রয়েছে। তবে দুই দেশের সম্পর্ক রিসেটের ব্যাপারে আমরা দুজনে ঐতমত্য পোষণ করি। আগামীতে আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক যাতে পারস্পরিক স্বার্থ সমুন্নত রেখে হয়। আমি বাংলাদেশ প্রথম এটা সব সময় বলি, এখনো বলছি, সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাব। এ বিষয়ে আমরা একমত পোষণ করি। কোনো বিশেষ বিষয়ে আমাদের দীর্ঘ আলোচনা হয়নি। কেবলমাত্র দুই দেশের সম্পর্ক সাধারণভাবে উন্নীত করার বিষয়ে আলোচনা করেছি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের প্রশ্নে খলিলুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণের বিষয়ে আমরা সেটা এখন রিভিউ (পর্যালোচনা) করছি এবং আমরা এ বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত নেব এবং আপনাদের তাৎক্ষণিকভাবে জানাবো।
পুশ-ইন নিয়ে হাইকমিশনারের সঙ্গে আলাপ হলো কিনা-জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আজকে আমরা কোনো বিশেষ বিষয়ে কথা বলিনি। কিছু কিছু ইরিটেশান (অস্বস্তি) আছে। উনিও জানেন, আমিও জানি। আমাদের এগুলো নিরসর করার প্রয়োজন। সেই প্রয়োজনীয়তাতো সবাই উপলব্দি করে না। কূটনৈতিক রীতি অনুযায়ী, এটা ছিল সৌজন্য সাক্ষাৎ। বিশেষ ইস্যুগুলোতে কথা বলার সময়তো পড়েই আছে।
ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইস্যুতে আলোচনার প্রশ্নে তিনি বলেন, আগেই বলেছি, এটা একটা সৌজন্য সাক্ষাৎ। আমরা বিশেষ কোনো ইস্যু নিয়ে কথা বলি নাই। আমাদের মধ্যে যে বিষয়গুলো আছে, আগামী দিনে সব নিয়েই তো আলোচনা হবে। সম্প্রতি ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে খলিললুর রহমানের। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উনি জানেন ত্রিবেদীর সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ আছে। আমরা দুজনে আশা প্রকাশ করেছি, আগামী দিনগুলোতে সম্পর্ক বৃদ্ধির ক্ষেত্রে দুইপক্ষই কাজ করবে।
এর আগে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, আজকের মিটিংটা অত্যন্ত চমৎকার হয়েছে। আজকের বৈঠকটি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। খুব আন্তরিক পরিবেশে আলোচনাটি সম্পন্ন হয়েছে, কারণ আমাদের মূল লক্ষ্য ও বিষয়গুলো একেবারেই অভিন্ন। ঐতিহাসিকভাবে, সাংস্কৃতিকভাবে, এমনকি খেলাধুলার দিক থেকেও— যেমন ক্রিকেট— আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ক অনেক গভীর। আমরা এসব বিষয় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছি। আমি এখান থেকে অত্যন্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ মনে ফিরে যাচ্ছি। মন্ত্রীরা আমাকে যে সময় ও সম্মান দিয়েছেন, তার জন্য ধন্যবাদ। আপনারা জানেন যে আমরা ভিসা সেবা উন্মুক্ত করে দিয়েছি, যাতে ভারত ও বাংলাদেশ— উভয় দেশের মানুষই এর সুফল পেতে পারে। আমাদের এই সম্পর্ক ঐতিহাসিক। আমরা শুধু সীমান্তই ভাগাভাগি করি না; আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং ভবিষ্যৎ স্বপ্নও এক। তাই আজকের বৈঠকটি খুব ভালো হয়েছে। আমি এমন একটি সম্পর্কের দিকে তাকিয়ে আছি, যার মূল ভিত্তিই হলো উভয় দেশের মানুষের পারস্পরিক কল্যাণ। এটি কেবল একটি শুরু, আমরা ভবিষ্যতে একে অপরের সাথে আরও নিবিড়ভাবে কাজ করে যাব।
বাংলাদেশি প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর বা ব্রিকস সম্মেলনের দাওয়াত প্রসঙ্গে জানতে চাইলে হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সাংবাদিকদের বলেন, এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্পূর্ণভাবে প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। তবে আমাদের পক্ষ থেকে বলতে পারি, আমরা বাংলাদেশ সরকারের প্রধানকে ভারতে স্বাগত জানানোর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। আশা করছি খুব শীঘ্রই এই সফরটি বাস্তবায়িত হবে।
তিস্তা ও গঙ্গা নদীর পানি চুক্তি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে হাইকমিশনার সাংবাদিকদের বলেন, আজকের সাক্ষাৎটি মূলত একটি সৌজন্যমূলক বৈঠক ছিল। তবে পারস্পরিক বোঝাপড়া থাকলে এমন কোনো সমস্যা নেই যা সমাধান করা সম্ভব নয়। দিনশেষে মূল বিষয়টি হলো সাধারণ মানুষের কল্যাণ। দুই দেশের গণতন্ত্র ও জনগণের জন্য যা ভালো, সেটাই করা হবে। পানি চুক্তির বিষয়ে ভারত ও বাংলাদেশ— উভয় পক্ষেই যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ কাজ করছে। তারা নিজেদের মধ্যে অবশ্যই আলোচনা করবে। যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপগুলো সক্রিয়ভাবে তাদের কাজ করছে এবং ভারতের সফরে সার্বিক বিষয়গুলো নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে বলে আমরা আশাবাদী।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

খাবার থেকে শরীরে বাড়ছে মাইক্রোপ্লাস্টিক, স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে যা বলছে বিজ্ঞান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ রিভিউ করছে ঢাকা

আপডেট টাইম : ১১:০৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
গত ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটের পরপরই বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরপর আগামী সেপ্টেম্বরে ভারতে ব্রিকসের (বিশ্বের উদীয়মান ও উন্নয়নশীল অর্থনৈতিক শক্তিগুলোর একটি অন্যতম প্রধান আন্তর্জাতিক জোট) ১৮তম সম্মেলন অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ সরকার প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের এই আমন্ত্রণ রিভিউ করছে। এদিকে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বুধবার (২৯ জুলাই) প্রথমবারের মত পৃথকভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বুধবার মন্ত্রণালয়ে প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের বলেন, আমার সঙ্গে ভারতের নতুন হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী প্রথম সাক্ষাৎ হয়। এটা ছিল সৌজন্য সাক্ষাৎ। আমরা বিস্তৃত কোনো বিষয় নিয়ে আলাপ করিনি, এটাই নিয়ম। কারণ, এর জন্য সামনে আমাদের সময় পড়ে রয়েছে। তবে দুই দেশের সম্পর্ক রিসেটের ব্যাপারে আমরা দুজনে ঐতমত্য পোষণ করি। আগামীতে আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক যাতে পারস্পরিক স্বার্থ সমুন্নত রেখে হয়। আমি বাংলাদেশ প্রথম এটা সব সময় বলি, এখনো বলছি, সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাব। এ বিষয়ে আমরা একমত পোষণ করি। কোনো বিশেষ বিষয়ে আমাদের দীর্ঘ আলোচনা হয়নি। কেবলমাত্র দুই দেশের সম্পর্ক সাধারণভাবে উন্নীত করার বিষয়ে আলোচনা করেছি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের প্রশ্নে খলিলুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণের বিষয়ে আমরা সেটা এখন রিভিউ (পর্যালোচনা) করছি এবং আমরা এ বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত নেব এবং আপনাদের তাৎক্ষণিকভাবে জানাবো।
পুশ-ইন নিয়ে হাইকমিশনারের সঙ্গে আলাপ হলো কিনা-জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আজকে আমরা কোনো বিশেষ বিষয়ে কথা বলিনি। কিছু কিছু ইরিটেশান (অস্বস্তি) আছে। উনিও জানেন, আমিও জানি। আমাদের এগুলো নিরসর করার প্রয়োজন। সেই প্রয়োজনীয়তাতো সবাই উপলব্দি করে না। কূটনৈতিক রীতি অনুযায়ী, এটা ছিল সৌজন্য সাক্ষাৎ। বিশেষ ইস্যুগুলোতে কথা বলার সময়তো পড়েই আছে।
ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইস্যুতে আলোচনার প্রশ্নে তিনি বলেন, আগেই বলেছি, এটা একটা সৌজন্য সাক্ষাৎ। আমরা বিশেষ কোনো ইস্যু নিয়ে কথা বলি নাই। আমাদের মধ্যে যে বিষয়গুলো আছে, আগামী দিনে সব নিয়েই তো আলোচনা হবে। সম্প্রতি ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে খলিললুর রহমানের। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উনি জানেন ত্রিবেদীর সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ আছে। আমরা দুজনে আশা প্রকাশ করেছি, আগামী দিনগুলোতে সম্পর্ক বৃদ্ধির ক্ষেত্রে দুইপক্ষই কাজ করবে।
এর আগে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, আজকের মিটিংটা অত্যন্ত চমৎকার হয়েছে। আজকের বৈঠকটি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। খুব আন্তরিক পরিবেশে আলোচনাটি সম্পন্ন হয়েছে, কারণ আমাদের মূল লক্ষ্য ও বিষয়গুলো একেবারেই অভিন্ন। ঐতিহাসিকভাবে, সাংস্কৃতিকভাবে, এমনকি খেলাধুলার দিক থেকেও— যেমন ক্রিকেট— আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ক অনেক গভীর। আমরা এসব বিষয় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছি। আমি এখান থেকে অত্যন্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ মনে ফিরে যাচ্ছি। মন্ত্রীরা আমাকে যে সময় ও সম্মান দিয়েছেন, তার জন্য ধন্যবাদ। আপনারা জানেন যে আমরা ভিসা সেবা উন্মুক্ত করে দিয়েছি, যাতে ভারত ও বাংলাদেশ— উভয় দেশের মানুষই এর সুফল পেতে পারে। আমাদের এই সম্পর্ক ঐতিহাসিক। আমরা শুধু সীমান্তই ভাগাভাগি করি না; আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং ভবিষ্যৎ স্বপ্নও এক। তাই আজকের বৈঠকটি খুব ভালো হয়েছে। আমি এমন একটি সম্পর্কের দিকে তাকিয়ে আছি, যার মূল ভিত্তিই হলো উভয় দেশের মানুষের পারস্পরিক কল্যাণ। এটি কেবল একটি শুরু, আমরা ভবিষ্যতে একে অপরের সাথে আরও নিবিড়ভাবে কাজ করে যাব।
বাংলাদেশি প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর বা ব্রিকস সম্মেলনের দাওয়াত প্রসঙ্গে জানতে চাইলে হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সাংবাদিকদের বলেন, এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্পূর্ণভাবে প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। তবে আমাদের পক্ষ থেকে বলতে পারি, আমরা বাংলাদেশ সরকারের প্রধানকে ভারতে স্বাগত জানানোর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। আশা করছি খুব শীঘ্রই এই সফরটি বাস্তবায়িত হবে।
তিস্তা ও গঙ্গা নদীর পানি চুক্তি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে হাইকমিশনার সাংবাদিকদের বলেন, আজকের সাক্ষাৎটি মূলত একটি সৌজন্যমূলক বৈঠক ছিল। তবে পারস্পরিক বোঝাপড়া থাকলে এমন কোনো সমস্যা নেই যা সমাধান করা সম্ভব নয়। দিনশেষে মূল বিষয়টি হলো সাধারণ মানুষের কল্যাণ। দুই দেশের গণতন্ত্র ও জনগণের জন্য যা ভালো, সেটাই করা হবে। পানি চুক্তির বিষয়ে ভারত ও বাংলাদেশ— উভয় পক্ষেই যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ কাজ করছে। তারা নিজেদের মধ্যে অবশ্যই আলোচনা করবে। যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপগুলো সক্রিয়ভাবে তাদের কাজ করছে এবং ভারতের সফরে সার্বিক বিষয়গুলো নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে বলে আমরা আশাবাদী।