ঢাকা ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জিয়া শিশু একাডেমির আয়োজনে ‎‘শাপলাকুঁড়ি’র প্রাথমিক বাছাই শুরু প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য সরকারের : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ক্যানসার চিকিৎসায় ৩৬ কোটি অনুদান মেসির চুক্তিতে সেতু বিভাগের সচিব হলেন আবদুর রউফ নিউইয়র্কের পথে ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকবে কি না, সিদ্ধান্ত স্পিকার ও ইসির : শিশির মনির ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাক্ষাৎ হতে পারে জাতিসংঘ সম্মেলনের সাইডলাইনে পাকিস্তান-চীনের নতুন সীমান্ত চুক্তিতে ভারত কেন ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর পৃথিবীর ইতিহাসে বিশেষ মুহূর্ত: মাহদী আমিন দুই মাসে এডিপি বাস্তবায়ন ২ শতাংশেরও নিচে

ধর্মকে ব্যবহার করে ভোটের রাজনীতি থেকে সরে আসতে হবে : আইনমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:২৪:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
  • ৪১ বার

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ধর্মের ভিত্তিতে মানুষকে চিহ্নিত বা বিভাজন করার কোনো প্রয়োজন নেই। বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিককে সমান মর্যাদা ও সমঅধিকারের ভিত্তিতে বিবেচনা করতে হবে। মানুষের পরিচয় ধর্ম দিয়ে নয়, মানুষ হিসেবে; এটাই একটি গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি।

ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতি বা ভোটের রাজনীতি থেকে সরে আসার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, জনগণের কল্যাণ, উন্নয়ন, সুশাসন ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার রাজনীতিই হওয়া উচিত সবার অঙ্গীকার।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দির প্রাঙ্গণে মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকার ধর্মীয় স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার, সুশাসন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রত্যেক নাগরিক যেন নিজ নিজ ধর্ম নির্বিঘ্নে পালন করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, একজন মানুষের রক্তের রং যেমন ধর্মভেদে পরিবর্তিত হয় না, তেমনি নাগরিক অধিকারও ধর্মের ভিত্তিতে ভিন্ন হতে পারে না।

সবাইকে মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন ও সম্মান করতে পারলেই সাম্প্রদায়িক বিভাজন ও বৈষম্য দূর করা সম্ভব।
দুর্গাপূজাসহ কোনো ধর্মীয় উৎসব পালনের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা চাওয়ার প্রয়োজন হওয়া উচিত নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে প্রতিটি নাগরিক নিজেকে স্বাভাবিকভাবেই নিরাপদ মনে করবেন এবং নির্বিঘ্নে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারবেন।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সরকার ধর্মীয় স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার, সুশাসন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রত্যেক নাগরিক যেন নিজ নিজ ধর্ম নির্বিঘ্নে পালন করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

‘সংখ্যালঘু’ শব্দটি বিভাজনের অনুভূতি সৃষ্টি করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের পরিচয় প্রথমত বাংলাদেশি। ধর্মীয় পরিচয় ব্যক্তিগত বিশ্বাসের বিষয় হলেও নাগরিক পরিচয় ও অধিকার সবার জন্য সমান।

তিনি বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কোনো দুর্বৃত্ত কারও বাড়িঘর, উপাসনালয় বা পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলার সাহস না পায়। সবার জন্য নিরাপদ, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জিয়া শিশু একাডেমির আয়োজনে ‎‘শাপলাকুঁড়ি’র প্রাথমিক বাছাই শুরু

ধর্মকে ব্যবহার করে ভোটের রাজনীতি থেকে সরে আসতে হবে : আইনমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১২:২৪:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ধর্মের ভিত্তিতে মানুষকে চিহ্নিত বা বিভাজন করার কোনো প্রয়োজন নেই। বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিককে সমান মর্যাদা ও সমঅধিকারের ভিত্তিতে বিবেচনা করতে হবে। মানুষের পরিচয় ধর্ম দিয়ে নয়, মানুষ হিসেবে; এটাই একটি গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি।

ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতি বা ভোটের রাজনীতি থেকে সরে আসার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, জনগণের কল্যাণ, উন্নয়ন, সুশাসন ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার রাজনীতিই হওয়া উচিত সবার অঙ্গীকার।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দির প্রাঙ্গণে মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকার ধর্মীয় স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার, সুশাসন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রত্যেক নাগরিক যেন নিজ নিজ ধর্ম নির্বিঘ্নে পালন করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, একজন মানুষের রক্তের রং যেমন ধর্মভেদে পরিবর্তিত হয় না, তেমনি নাগরিক অধিকারও ধর্মের ভিত্তিতে ভিন্ন হতে পারে না।

সবাইকে মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন ও সম্মান করতে পারলেই সাম্প্রদায়িক বিভাজন ও বৈষম্য দূর করা সম্ভব।
দুর্গাপূজাসহ কোনো ধর্মীয় উৎসব পালনের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা চাওয়ার প্রয়োজন হওয়া উচিত নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে প্রতিটি নাগরিক নিজেকে স্বাভাবিকভাবেই নিরাপদ মনে করবেন এবং নির্বিঘ্নে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারবেন।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সরকার ধর্মীয় স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার, সুশাসন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রত্যেক নাগরিক যেন নিজ নিজ ধর্ম নির্বিঘ্নে পালন করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

‘সংখ্যালঘু’ শব্দটি বিভাজনের অনুভূতি সৃষ্টি করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের পরিচয় প্রথমত বাংলাদেশি। ধর্মীয় পরিচয় ব্যক্তিগত বিশ্বাসের বিষয় হলেও নাগরিক পরিচয় ও অধিকার সবার জন্য সমান।

তিনি বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কোনো দুর্বৃত্ত কারও বাড়িঘর, উপাসনালয় বা পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলার সাহস না পায়। সবার জন্য নিরাপদ, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার কাজ করে যাচ্ছে।