ঢাকা ১১:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধান বিচারপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশের সঙ্গে ম্যাচ খেলতে চায় ব্রাজিল, জানা গেলো সম্ভাব্য সময় ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণিত, আলোচিত সেই মাদরাসা শিক্ষকই শিশুটির বাবা কুয়াকাটায় জেলের জালে বিরল ৩ কেজির ‘ভোল পোয়া’, বিক্রি ১১ হাজারে অক্টোবরে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির এপিএস হলেন মো. ইউনুস আলী মেয়েদের সর্বজনীন উপবৃত্তি পুনরায় চালুর উদ্যোগ, দুই জেলায় মিড-ডে মিলের পাইলট সিরাজগঞ্জে গড়ে উঠবে আধুনিক ‘বিজনেস হাব’: চেয়ারম্যান তাঁত বোর্ড কিশোরগঞ্জের দুই কৃতি সন্তান অতিরিক্ত আইজিপির পদোন্নতি বাংলা কিউআরে দৈনিক লেনদেন ছাড়াল ১১০ কোটি টাকা

তিন দিনে বাড়বে কয়েকটি নদীর পানি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:২৬:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
  • ৩১ বার

দেশের বিভিন্ন অববাহিকার নদ-নদীর পানি আগামী কয়েক দিনে বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে সিলেট, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির কিছু এলাকায় নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

সোমবার (৬ জুলাই) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী ইমন কল্যাণ দাস স্বাক্ষরিত প্রধান অববাহিকা ও বাপাউবো জোনভিত্তিক অববাহিকাসমূহের নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে এ কথা জানানো হয়।

পূর্বাভাসে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি স্থিতিশীল থাকলেও যমুনার পানি বেড়েছে। তবে উভয় নদীই বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী পাঁচ দিন-এ অববাহিকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। ফলে আগামী দুই দিন পানি কমে পরবর্তী তিন দিন আবার বাড়তে পারে, তবে বিপৎসীমার নিচেই থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকায় গত ২৪ ঘণ্টায় পানি স্থিতিশীল রয়েছে এবং নদীগুলো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী পাঁচ দিন মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় আগামী তিন দিন পানি স্থিতিশীল থেকে পরবর্তী দুই দিন বাড়তে পারে।

সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকায় গত ২৪ ঘণ্টায় নদীর পানি কমেছে। তবে কুশিয়ারা নদী সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের মারকুলি স্টেশনে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী তিন দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে এক দিন স্থিতিশীল থাকার পর পরবর্তী দুই দিন নদীর পানি বাড়তে পারে।

উত্তরাঞ্চলে তিস্তা নদী নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে সতর্কসীমায় রয়েছে। আগামী তিন দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি এক দিন কমে পরবর্তী দুই দিন বাড়তে পারে। অন্যদিকে আপার করতোয়া, আপার আত্রাই, টাঙ্গন, পুনর্ভবা ও ঘাঘট নদীগুলো আগামী তিন দিন বিপৎসীমার নিচেই থাকতে পারে।

পূর্বাভাসে বলা হয়, ময়মনসিংহ অঞ্চলের জিঞ্জিরাম, সোমেশ্বরী, ভুগাই ও কংস নদীর পানি আগামী তিন দিন দ্রুত বাড়তে পারে। অন্যদিকে ঢাকা অঞ্চলের তুরাগ, টঙ্গীখাল, ধলেশ্বরী, বুড়িগঙ্গা ও বালু নদীর পানি আগামী তিন দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।

এদিকে আগামী ৭২ ঘণ্টায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার নদীগুলো কিছু কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। একই সময়ে নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার কয়েকটি নদীতেও পানি দ্রুত বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িক প্লাবনের সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ছাড়া আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গোমতী, মুহুরি, সেলোনিয়া ও ফেনী নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে কক্সবাজার, ফেনী ও চট্টগ্রাম জেলার কিছু স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর কিছু নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানিও আগামী তিন দিন দ্রুত বাড়তে পারে। এ সময় বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির কিছু স্থানে এসব নদী বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধান বিচারপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ

তিন দিনে বাড়বে কয়েকটি নদীর পানি

আপডেট টাইম : ১১:২৬:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

দেশের বিভিন্ন অববাহিকার নদ-নদীর পানি আগামী কয়েক দিনে বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে সিলেট, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির কিছু এলাকায় নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

সোমবার (৬ জুলাই) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী ইমন কল্যাণ দাস স্বাক্ষরিত প্রধান অববাহিকা ও বাপাউবো জোনভিত্তিক অববাহিকাসমূহের নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে এ কথা জানানো হয়।

পূর্বাভাসে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি স্থিতিশীল থাকলেও যমুনার পানি বেড়েছে। তবে উভয় নদীই বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী পাঁচ দিন-এ অববাহিকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। ফলে আগামী দুই দিন পানি কমে পরবর্তী তিন দিন আবার বাড়তে পারে, তবে বিপৎসীমার নিচেই থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকায় গত ২৪ ঘণ্টায় পানি স্থিতিশীল রয়েছে এবং নদীগুলো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী পাঁচ দিন মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় আগামী তিন দিন পানি স্থিতিশীল থেকে পরবর্তী দুই দিন বাড়তে পারে।

সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকায় গত ২৪ ঘণ্টায় নদীর পানি কমেছে। তবে কুশিয়ারা নদী সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের মারকুলি স্টেশনে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী তিন দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে এক দিন স্থিতিশীল থাকার পর পরবর্তী দুই দিন নদীর পানি বাড়তে পারে।

উত্তরাঞ্চলে তিস্তা নদী নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে সতর্কসীমায় রয়েছে। আগামী তিন দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি এক দিন কমে পরবর্তী দুই দিন বাড়তে পারে। অন্যদিকে আপার করতোয়া, আপার আত্রাই, টাঙ্গন, পুনর্ভবা ও ঘাঘট নদীগুলো আগামী তিন দিন বিপৎসীমার নিচেই থাকতে পারে।

পূর্বাভাসে বলা হয়, ময়মনসিংহ অঞ্চলের জিঞ্জিরাম, সোমেশ্বরী, ভুগাই ও কংস নদীর পানি আগামী তিন দিন দ্রুত বাড়তে পারে। অন্যদিকে ঢাকা অঞ্চলের তুরাগ, টঙ্গীখাল, ধলেশ্বরী, বুড়িগঙ্গা ও বালু নদীর পানি আগামী তিন দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।

এদিকে আগামী ৭২ ঘণ্টায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার নদীগুলো কিছু কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। একই সময়ে নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার কয়েকটি নদীতেও পানি দ্রুত বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িক প্লাবনের সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ছাড়া আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গোমতী, মুহুরি, সেলোনিয়া ও ফেনী নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে কক্সবাজার, ফেনী ও চট্টগ্রাম জেলার কিছু স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর কিছু নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানিও আগামী তিন দিন দ্রুত বাড়তে পারে। এ সময় বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির কিছু স্থানে এসব নদী বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।